সিলেট ০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
News Title :
‎বড়লেখায় বাংলা কিউআর সম্প্রসারণ বিষয়ক সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত। মৌলভীবাজারে সাবেক এমপির ছেলে ও যুবলীগ নেতা নিক্সন গ্রেপ্তার‎ হবিগঞ্জে বসতবাড়ি থেকে ১৩৭টি বিষধর সাপ উদ্ধার, নিরাপদে অবমুক্তির প্রস্তুতি বন বিভাগের সিনেমাটিক স্টাইলে ছদ্মবেশে মাহফিলে অংশ নিলেন তাহেরী ওসমানীনগরে প্রেমিকার বাবার ছুরিকাঘাতে প্রেমিক নিহত, চার মাসের প্রেমের সম্পর্কের করুণ পরিণতি পূর্ব বিরোধের জেরে দোকানে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, অভিযুক্ত পলাতক ‎সিলেটে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: নরসিংদী থেকে একমাত্র আসামি গ্রেফতার। দৃষ্টিশক্তি জয় করে এইচএসসিতে জিপিএ-৫: মৌমিকে জেলা প্রশাসকের ফুলেল শুভেচ্ছা‎ তৃণমূলের কেউ সরকারের বাইরে নয়, নেতাকর্মীদের আরও বিনয়ী হওয়ার আহ্বান রিজভীর মাধবপুর সোনাই নদীতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু

‎দিরাই’র মিতা হত্যা মামলার নারী আসামী সিলেটে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার


‎
‎সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে মিতা বেগম নামের এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম পলাতক নারী আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯।
‎
‎বুধবার (০৩ জুন) রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার ঢোলাখাল শিমুলতলা এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামির নাম খাদিজা বেগম (২৩)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার নতুন বাগবাড়ী এলাকার টিটু মিয়ার স্ত্রী এবং এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ নম্বর আসামি।
‎
‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে সুনামগঞ্জের দিরাই থানাধীন বাগবাড়ি (কান্দাহাটি) এলাকায় ভিকটিম মিতা বেগমের ফুপাতো ভাই উজ্জল মিয়া ৮ নম্বর আসামি অলি মিয়ার কাছে পাওনা ৭৫ হাজার টাকা চাইতে যান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিবাদীরা উজ্জলকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। উজ্জলের চিৎকার শুনে মিতা বেগম ও তাঁর মা এসে তাঁকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
‎
‎এর কিছুক্ষণ পর, সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটের দিকে বিবাদীপক্ষ মিতা বেগমকে মারধর শুরু করে এবং চুলের মুষ্টি ধরে টেনে ঘরের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মারধরের একপর্যায়ে ১ নম্বর আসামি টিটু মিয়া তাঁর হাতে থাকা গাছের ডাল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মিতা বেগমের মাথার ডানপাশে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মিতা বেগম অজ্ঞান হয়ে পড়লে বিবাদীরা তাঁকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
‎পরবর্তীতে গুরুতর অবস্থায় মিতাকে উদ্ধার করে প্রথমে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ মে রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।
‎
‎এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মিতা বেগমের মা বাদী হয়ে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে র‍্যাব।
‎
‎এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে র‍্যাব-৯, সদর কোম্পানী (সিলেট) এবং সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ)-এর একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে ৪ নম্বর আসামি খাদিজা বেগমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
‎র‍্যাব জানায়, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে র‍্যাবের চলমান অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বড়লেখায় বাংলা কিউআর সম্প্রসারণ বিষয়ক সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত।

‎দিরাই’র মিতা হত্যা মামলার নারী আসামী সিলেটে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার

সময় ০২:০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬


‎
‎সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে মিতা বেগম নামের এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম পলাতক নারী আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯।
‎
‎বুধবার (০৩ জুন) রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার ঢোলাখাল শিমুলতলা এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামির নাম খাদিজা বেগম (২৩)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার নতুন বাগবাড়ী এলাকার টিটু মিয়ার স্ত্রী এবং এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ নম্বর আসামি।
‎
‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে সুনামগঞ্জের দিরাই থানাধীন বাগবাড়ি (কান্দাহাটি) এলাকায় ভিকটিম মিতা বেগমের ফুপাতো ভাই উজ্জল মিয়া ৮ নম্বর আসামি অলি মিয়ার কাছে পাওনা ৭৫ হাজার টাকা চাইতে যান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিবাদীরা উজ্জলকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। উজ্জলের চিৎকার শুনে মিতা বেগম ও তাঁর মা এসে তাঁকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
‎
‎এর কিছুক্ষণ পর, সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটের দিকে বিবাদীপক্ষ মিতা বেগমকে মারধর শুরু করে এবং চুলের মুষ্টি ধরে টেনে ঘরের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মারধরের একপর্যায়ে ১ নম্বর আসামি টিটু মিয়া তাঁর হাতে থাকা গাছের ডাল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মিতা বেগমের মাথার ডানপাশে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মিতা বেগম অজ্ঞান হয়ে পড়লে বিবাদীরা তাঁকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
‎পরবর্তীতে গুরুতর অবস্থায় মিতাকে উদ্ধার করে প্রথমে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ মে রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।
‎
‎এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মিতা বেগমের মা বাদী হয়ে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে র‍্যাব।
‎
‎এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে র‍্যাব-৯, সদর কোম্পানী (সিলেট) এবং সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ)-এর একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে ৪ নম্বর আসামি খাদিজা বেগমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
‎র‍্যাব জানায়, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে র‍্যাবের চলমান অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
‎