
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে গত ৫ আগষ্ট ২৪ইং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফা দাবিতে পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীর সংঘর্ষে ও পুলিশের গুলিতে সাংবাদিক পুলিশ সহ ১০জনের প্রানহানী ও শতাধিক এর উপরে আহতদের ঘটনা ঘটেছিলো। কিন্তু সেই আলোচিত ঘটনায় ৯টি হত্যাকান্ডের অভিযোগ এনে ১৬০জন নামীয় ও অঞ্জাতনামা ২০০ জন সহ মোট ৩৬০জনকে আসামী করে নিহত এক শিশুর পিতা একটি মামলা দায়ের করেন।
যদিও এই মামলায় সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ খান সহ আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগের এর অনেক নেতাকর্মী ও আ’লীগ সমর্থিত ইউনিয়ন চেয়ারম্যানেরকে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর র্যাব, সেনাবাহিনী, ডিবি ও থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন এবং কেউ,কেউ বছর খানেক ও আবার অনেকে দীর্ঘ বছরের উপর ধরে কারাভোগ করে আসছেন।
অথচ গত ৫ আগষ্ট ২৪ইং সরকার দেশ ত্যাগ করার আগের দিন ৪ আগষ্ট (হবিগঞ্জ-২)
আসন বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জের সংসদ সদস্য এডভোকেট ময়েজউদ্দিন শরীফ রুয়েল,সাবেক দুই উপজেলা চেয়ারম্যান জেলা যুবলীগ সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী ও উপজেলা আ’লীগ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হুসেন খান, আ’লীগ উপজেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর হুসেন মাস্টার, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত (সেনা সদস্য) আঙ্গুর মিয়া সহ নেতৃবৃন্দ ও তাদের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
বর্তমানেও ১বছর ৬মাস ধরে তারা দেশ ও দেশের বাহিরে আত্নগোপন করে জীবন যাপন করে চলছেন বল আওয়ামিলীগের নেতা কর্মীরা দাবী করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় আলোচিত সত্য ঘটনার ৯টি হত্যার (মার্ডার) মিথ্যা মামলার এজাহার নামীয় ৩৬নং আসামী বানিয়াচং উপজেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি জহির মিয়া (৪৮) দীর্ঘ ১ বছর ৫ মাস পলাতক থাকার পর নিজ বাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর হাতে আটক হন।
সূত্রে জানাযায়, সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের যাত্রাপাশা মহল্লার “কিশোর সংঘ”এর পাশে ভোর সকালের সেনাবাহিনীর একটি দল জহির মিয়ার বাড়িটি ঘিরে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় জহির মিয়াকে তার নিজ ঘর থেকে আটক করেন সেনাবাহিনী। পরে বানিয়াচং থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সেনাবাহিনীর হাতে আটক জহির মিয়া ৯টি(হত্যা) মার্ডার মামলার পলাতক আসামী ছিলো। তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে হবিগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ আর রুমন, বানিয়াচং। 



















