
বানিয়াচং উপজেলার বিভিন্ন হাওরের পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একদিকে প্রতিকূল আবহাওয়া আর অন্যদিকে শ্রমিক সংকট ও টানা বর্ষণে চোখের সামনে কৃষকদের ঘাম ঝড়ানো কষ্টের ফসল ডুবে যেতে দেখে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
একদিকে চরম শ্রমিক সংকট, অন্যদিকে তেল সংকটের কারনে কম্বাইন্ড হারভেস্টারও ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এর মাঝে আবার টানা বৃষ্টির পানি জমিতে জমে থাকার ফলে কৃষকরা আরো বিপাকে পড়েছেন। ঘরে তুলতে পারছেন না কষ্টার্জিত ফসল। আবার আড়ৎদার ও ফাড়িয়া‘রা সিন্ডিকেট করে ধানের মূল্য যা নির্ধারণ করে, তা কৃষকের উৎপাদিত মূল্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সরকার নির্ধারিত ধানের মূল্য ১ হাজার ৪‘শ চল্লিশ টাকা হলেও বর্তমান ধানের বাজার মূল্য ৭‘শ টাকা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী জানান, শ্রমিক সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রয়োজনীয় চাহিদা জানানো হয়। ধান কর্তনের জন্য চা-বাগান থেকে শ্রমিক এনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার অলক কুমার চন্দ জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩৩ হাজার ৭‘শ ৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার ২‘শ ৫৮ মেট্রিক টন। টানা বৃষ্টিতে ইতিমধ্যে প্রায় ২ হাজার ১‘শ ৩৫ হেক্টর জমি প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২‘শ ৬২ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। আক্তার হোসেন আরহাদী বানিয়াচং হবিগঞ্জ।
আক্তার হোসেন আলহাদী, বানিয়াচং থেকে 








