
ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক।
সম্প্রতি ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ এর বিভাগীয় বাছাই কমিটির সভাপতি শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং ঢাকা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপ-পরিচালক ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আবদুল আজিজ স্বাক্ষরিত এক সরকারি পত্রে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
টাঙ্গাইলে যোগদানের পর থেকেই জেলা প্রশাসক শরীফা হক সততা, দক্ষতা ও মানবিকতার সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বিসিএস ২৫তম ব্যাচের এই চৌকস কর্মকর্তা টাঙ্গাইলের ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।
কর্মক্ষেত্রে যোগদানের পর একটি সফল ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পাশাপাশি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় তিনি বিশেষ অবদান রেখেছেন। শিশুদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নেওয়া নানা প্রশংসনীয় উদ্যোগ স্থানীয় মহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ব্যক্তিজীবনে নিভৃতচারী শরীফা হক দেশে- বিদেশের নামী প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, জনগণের আস্থা অর্জনই একজন প্রশাসকের সবচেয়ে বড় সাফল্য।
সেবামূলক মনোভাব নিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হতে হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। একটি মানবিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রতিটি পদে মূল্যায়িত হবে।
সরকারি সেবা এমন সহজ হতে হবে যেন সাধারণ মানুষ মনে করে—রাষ্ট্র সবসময় তাদের পাশে আছে। তিনি আরও বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর।
টাঙ্গাইলের বিদ্যানুরাগী জেলা প্রশাসক শরীফা হকের হাত ধরে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে যে কর্মসূচি শুরু হয়েছে, তা একদিন সারাদেশে দৃষ্টান্ত হিসেবে বিস্তৃত হবে—এমনটাই আশা করছেন জেলার সুশীল সমাজ ও শিক্ষানুরাগীরা।
হ্যাপি আক্তার, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি। 


















