সিলেট ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

টাঙ্গাইলের‎ ভূঞাপুর থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

‎

‎
‎টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থাওনা পুলিশ গোপন সংযোগের ভিত্তিতে ঘাটান্দি নতুন পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সক্রিয় ডাকাত দলের ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ঘর ভাঙার ভারী সরঞ্জাম ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
‎গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে চোরাই-ডাকাতি করে আসছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ইস্পাতের রড, কুঠার, শাবল, ও অন্যান্য ভাঙার যন্ত্র, পাশাপাশি কয়েকটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র।
‎
‎টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারের সার্বিক নির্দেশনায় এবং ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  মোহাম্মদ সাব্বির রহমানের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করেন এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম ও তার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স।
‎ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান জানান,গোপন খবরের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, ঘাটান্দি নতুন পাড়া এলাকায় কিছু ডাকাত জড়ো হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের হাতে-নাতে আটক করা হয়।
‎
‎ধৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এলাকাবাসী জানান, ওই ডাকাত দলটি আতঙ্কের সৃষ্টি করে রেখেছিল। তাদের গ্রেফতার হওয়ায় এখন এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
‎পাশাপাশি তাদের অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং নিখোঁজ স্বর্ণ, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।


‎জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেছেন, জেলায় ডাকাতমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই ধরনের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপেক্ষাকৃত কম সময়ের মধ্যে বাকি পলাতক ডাকাতদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
‎এই সফল অভিযানের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও একটি বড় সাফল্য অর্জন করলো, যা এলাকায় অপরাধ দমনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

টাঙ্গাইলের‎ ভূঞাপুর থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

সময় ০৯:৫২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

‎

‎
‎টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থাওনা পুলিশ গোপন সংযোগের ভিত্তিতে ঘাটান্দি নতুন পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সক্রিয় ডাকাত দলের ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ঘর ভাঙার ভারী সরঞ্জাম ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
‎গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে চোরাই-ডাকাতি করে আসছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ইস্পাতের রড, কুঠার, শাবল, ও অন্যান্য ভাঙার যন্ত্র, পাশাপাশি কয়েকটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র।
‎
‎টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারের সার্বিক নির্দেশনায় এবং ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  মোহাম্মদ সাব্বির রহমানের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করেন এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম ও তার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স।
‎ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান জানান,গোপন খবরের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, ঘাটান্দি নতুন পাড়া এলাকায় কিছু ডাকাত জড়ো হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের হাতে-নাতে আটক করা হয়।
‎
‎ধৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এলাকাবাসী জানান, ওই ডাকাত দলটি আতঙ্কের সৃষ্টি করে রেখেছিল। তাদের গ্রেফতার হওয়ায় এখন এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
‎পাশাপাশি তাদের অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং নিখোঁজ স্বর্ণ, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।


‎জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেছেন, জেলায় ডাকাতমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই ধরনের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপেক্ষাকৃত কম সময়ের মধ্যে বাকি পলাতক ডাকাতদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
‎এই সফল অভিযানের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও একটি বড় সাফল্য অর্জন করলো, যা এলাকায় অপরাধ দমনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।