সিলেট ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

‎সিলেটে তরুণদের ফাঁদে ফেলে অশ্লীল ভিডিও ধারণ ও ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদা আদায়ের


‎
‎অভিযোগে ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। বুধবার (০৬ মে) রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগরীর শাহপরান থানাধীন মিরের চক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামির নাম বকুল আহমদ জিহাদ (৩০)। সে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার তুরুকবাগ গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে।
‎র‍্যাব জানায়, ভিকটিম মাহমুদুল হাসান রিফাত (২৫) পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে জেসমিন আক্তার নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচিত হন। সেই সুবাদে গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাতে রিফাত তার এক বন্ধুসহ সিলেটের যতরপুর এলাকায় ওই নারীর বাসায় দেখা করতে যান। সেখানে পৌঁছামাত্রই চক্রের সদস্যরা

পূর্বপরিকল্পিতভাবে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তাদের জিম্মি করে ফেলে। ভিকটিমদের ধারালো চাকু দিয়ে ভয় দেখানো হয় এবং ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে জোরপূর্বক তাদের বিবস্ত্র করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চক্রটি।
‎অভিযুক্তরা ভিকটিমদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং রূপার অলঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। মান-সম্মানের ভয়ে ভিকটিমরা তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা জোগাড় করে অপহরণকারীদের দেন বলে অভিযোগে জানান।


‎এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালী মডেল ১০ এপ্রিল ১৯/১৮৪ নাম্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭/৩৭৯/৪১১/৫০৬/৩৪ এবং পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ধারায় দায়ের করা হয়।


‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মামলার আরও একজন আসামিকে এর আগে গ্রেফতার করেছিল র‍্যাব। অপরাধ দমনে র‍্যাবের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

‎সিলেটে তরুণদের ফাঁদে ফেলে অশ্লীল ভিডিও ধারণ ও ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদা আদায়ের

সময় ০২:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬


‎
‎অভিযোগে ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। বুধবার (০৬ মে) রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগরীর শাহপরান থানাধীন মিরের চক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামির নাম বকুল আহমদ জিহাদ (৩০)। সে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার তুরুকবাগ গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে।
‎র‍্যাব জানায়, ভিকটিম মাহমুদুল হাসান রিফাত (২৫) পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে জেসমিন আক্তার নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচিত হন। সেই সুবাদে গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাতে রিফাত তার এক বন্ধুসহ সিলেটের যতরপুর এলাকায় ওই নারীর বাসায় দেখা করতে যান। সেখানে পৌঁছামাত্রই চক্রের সদস্যরা

পূর্বপরিকল্পিতভাবে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তাদের জিম্মি করে ফেলে। ভিকটিমদের ধারালো চাকু দিয়ে ভয় দেখানো হয় এবং ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে জোরপূর্বক তাদের বিবস্ত্র করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চক্রটি।
‎অভিযুক্তরা ভিকটিমদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং রূপার অলঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। মান-সম্মানের ভয়ে ভিকটিমরা তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা জোগাড় করে অপহরণকারীদের দেন বলে অভিযোগে জানান।


‎এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালী মডেল ১০ এপ্রিল ১৯/১৮৪ নাম্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭/৩৭৯/৪১১/৫০৬/৩৪ এবং পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ধারায় দায়ের করা হয়।


‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মামলার আরও একজন আসামিকে এর আগে গ্রেফতার করেছিল র‍্যাব। অপরাধ দমনে র‍্যাবের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
‎