সিলেট ০২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার: জামালপুর সমিতির সংবর্ধনায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ‎মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন তিন সাংবাদিক, কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা ‎৮ মাসে ৯১৩ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ: জুড়ীতে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাফল্যের তথ্য জানালো ৫২ বিজিবি বালাগঞ্জে দিনব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিলেটের জেলা প্রশাসক ওসমানীনগরে সাবেক মেম্বার আতিক হত্যা: বিশ্বনাথ থেকে এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার করল এসআরবি-৯ ‎নবীগঞ্জে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও সুলতানা জেরিন এর মতবিনিময় মাধবপুরে সরকারি চাল পাচারের অভিযোগ, শাহপুর বাজারে চালভর্তি পিকআপ আটক কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি নির্মাণ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, নিহত ১, আহত ২ সিলেটে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ঢাকায় পুলিশ সদস্যকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি
অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ!

‎রাজনৈতিক নিপীড়ন ও জীবনসংশয়: ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব স্থপতি পরিবার, বিচার নিয়ে সংশয়

ছবি- প্রতীকী।


‎দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সুযোগে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রোশের শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন ঢাকার তরুণ স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ শাওন। একের পর এক বর্বরোচিত হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ে নিজের, স্ত্রীর এবং দুই শিশু সন্তানের জীবন রক্ষার্থে তিনি নিজ গৃহ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

‎ঘটনার বিবরণে জানা যায়, স্থপতি শাওন পেশাগতভাবে উত্তর বাড্ডায় “এস. এস. ইন্টেরিয়র ফার্ম অ্যান্ড আর্কিটেকচারাল সলিউশন” পরিচালনা করে আসছিলেন। প্রত্যক্ষ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও কেবল তাঁর আদি নিবাস গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় হওয়া এবং পরিবারের পুরোনো পারিবারিক পরিচয়ের অজুহাতে তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

‎গত ২০২৪ সালের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটলে, স্থানীয় এক বাড়ির মালিকের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী প্রথমে তাঁর বাড্ডার বাসভবনে হামলা ও লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে ৮ই আগস্ট বাড্ডায় অবস্থিত তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জিম্মি করে ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অসম্মতি জানালে স্থপতি শাওনকে রড ও হকি স্টিক দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় এবং পুরো অফিসে অগ্নিসংযোগ করে সব মালামাল ও নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে গুরুতর অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার ঘটনার পর জরুরি সেবা নম্বর বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আকুতি জানানো হলেও কোনো প্রতিকার বা আইনি সুরক্ষা পাওয়া যায়নি বলে জানান ভুক্তভোগী।
তিনি বলেন,আমি কেবল একজন পেশাজীবী হিসেবে কাজ করে আসছিলাম। অথচ মিথ্যা রাজনৈতিক তকমা দিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমার পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সহায়তা না পাওয়ায় সন্তানদের প্রাণ বাঁচাতে গৃহ ছেড়ে বেরিয়ে পড়া ছাড়া আমার কাছে আর কোনো বিকল্প ছিল না।

‎রাজনৈতিক বৈরিতা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে একজন উদীয়মান পেশাজীবীর এভাবে সর্বস্ব হারানোর ঘটনাকে নাগরিক নিরাপত্তা ও মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার: জামালপুর সমিতির সংবর্ধনায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ!

‎রাজনৈতিক নিপীড়ন ও জীবনসংশয়: ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব স্থপতি পরিবার, বিচার নিয়ে সংশয়

সময় ০৯:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৪
ছবি- প্রতীকী।


‎দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সুযোগে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রোশের শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন ঢাকার তরুণ স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ শাওন। একের পর এক বর্বরোচিত হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ে নিজের, স্ত্রীর এবং দুই শিশু সন্তানের জীবন রক্ষার্থে তিনি নিজ গৃহ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

‎ঘটনার বিবরণে জানা যায়, স্থপতি শাওন পেশাগতভাবে উত্তর বাড্ডায় “এস. এস. ইন্টেরিয়র ফার্ম অ্যান্ড আর্কিটেকচারাল সলিউশন” পরিচালনা করে আসছিলেন। প্রত্যক্ষ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও কেবল তাঁর আদি নিবাস গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় হওয়া এবং পরিবারের পুরোনো পারিবারিক পরিচয়ের অজুহাতে তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

‎গত ২০২৪ সালের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটলে, স্থানীয় এক বাড়ির মালিকের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী প্রথমে তাঁর বাড্ডার বাসভবনে হামলা ও লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে ৮ই আগস্ট বাড্ডায় অবস্থিত তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জিম্মি করে ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অসম্মতি জানালে স্থপতি শাওনকে রড ও হকি স্টিক দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় এবং পুরো অফিসে অগ্নিসংযোগ করে সব মালামাল ও নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে গুরুতর অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার ঘটনার পর জরুরি সেবা নম্বর বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আকুতি জানানো হলেও কোনো প্রতিকার বা আইনি সুরক্ষা পাওয়া যায়নি বলে জানান ভুক্তভোগী।
তিনি বলেন,আমি কেবল একজন পেশাজীবী হিসেবে কাজ করে আসছিলাম। অথচ মিথ্যা রাজনৈতিক তকমা দিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমার পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সহায়তা না পাওয়ায় সন্তানদের প্রাণ বাঁচাতে গৃহ ছেড়ে বেরিয়ে পড়া ছাড়া আমার কাছে আর কোনো বিকল্প ছিল না।

‎রাজনৈতিক বৈরিতা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে একজন উদীয়মান পেশাজীবীর এভাবে সর্বস্ব হারানোর ঘটনাকে নাগরিক নিরাপত্তা ও মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার বিশ্লেষকরা।