সিলেট ১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
News Title :
‎১৬ মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী সাব্বির গ্রেফতার ‎হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা চুনারুঘাট সংরক্ষিত বন থেকে ২৭ ঘনফুট কাঠ জব্দ, আটক ২ জিন্নী হুজুরের নামে প্রতারণা, ৫ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার; গ্রেপ্তার ৪ ‎বালাগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে চাচাকে হত্যা: প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৩ হবিগঞ্জের বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ ‎কোম্পানীগঞ্জে এসআরবি-৯ এর অভিযান: ২২৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার লাকসামের চাঞ্চল্যকর কাউছার হত্যা: সিলেট থেকে গ্রেফতার ১ ‎উন্নয়নের সুফল সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবেঃ ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক ‎লাখাইয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত

ওসমানীনগরে সাবেক মেম্বার আতিক হত্যা: বিশ্বনাথ থেকে এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার করল এসআরবি-৯


‎সিলেটের ওসমানীনগরে আলোচিত সাবেক মেম্বার আতিক মিয়া হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)।
‎বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১ টা ৫৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিশ্বনাথ থানার অলংকারী ইউনিয়নের টোকে কান্দি গ্রামের একটি বসতবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎
‎গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মামুন মিয়া (৩৭)। তিনি ওসমানীনগর থানার পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের আত্তর আলীর ছেলে।
‎
‎এসআরবি-৯ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম আতিক মিয়া সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানাধীন ৪ নং বুরুঙ্গা বাজার ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) এবং এলাকার একজন মান্যগণ্য সালিশ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ১ নং বিবাদী সৈয়দ আব্দুল ওয়াহাবের সাথে তার আপন ভাই সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসত ভিটার জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ ও মামলা চলে আসছিল।
‎
‎গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুরে প্রতিপক্ষের লোকজন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে এই ঘটনা নিষ্পত্তির জন্য আব্দুর রশিদ ভিকটিম আতিক মিয়ার শরণাপন্ন হলে তিনি বিষয়টি মীমাংসার জন্য ২ নং বিবাদী আতর মিয়ার বাড়ির উঠানে একটি সালিশি বৈঠক আহ্বান করেন।
‎
‎সালিশি বৈঠকে আতিক মিয়া বিবাদীদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন এবং অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক করেন। বৈঠক শেষে আতিক মিয়া তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিরাজনগরে চলে যান।

‎ঐ দিনই (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫ টায় আতিক মিয়া নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ২ নং বিবাদী আতর মিয়ার বাড়ির পূর্ব পাশে রাস্তায় পৌঁছালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। তারা দা ও কাঠের বর্গা দিয়ে আতিক মিয়ার মাথা, কপাল ও বুকে সজোরে কোপ মেরে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎এ ঘটনায় নিহত আতিক মিয়ার ভাই বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
‎
‎অভিযান পরিচালনা করে এসআরবি-৯, সিপিএসসি সিলেটে একটি আভিযানিক দল মামলার ৪ নং আসামি মামুন মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই মামলার আরও দুই পলাতক আসামিকে এসআরবি-৯ (তৎকালীন র‍্যাব-৯) কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছিল।
‎
‎গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটের ওসমানীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে এসআরবি-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এসআরবি-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎১৬ মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী সাব্বির গ্রেফতার

ওসমানীনগরে সাবেক মেম্বার আতিক হত্যা: বিশ্বনাথ থেকে এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার করল এসআরবি-৯

সময় ০৮:৪৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‎সিলেটের ওসমানীনগরে আলোচিত সাবেক মেম্বার আতিক মিয়া হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)।
‎বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১ টা ৫৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিশ্বনাথ থানার অলংকারী ইউনিয়নের টোকে কান্দি গ্রামের একটি বসতবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎
‎গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মামুন মিয়া (৩৭)। তিনি ওসমানীনগর থানার পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের আত্তর আলীর ছেলে।
‎
‎এসআরবি-৯ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম আতিক মিয়া সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানাধীন ৪ নং বুরুঙ্গা বাজার ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) এবং এলাকার একজন মান্যগণ্য সালিশ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ১ নং বিবাদী সৈয়দ আব্দুল ওয়াহাবের সাথে তার আপন ভাই সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসত ভিটার জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ ও মামলা চলে আসছিল।
‎
‎গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুরে প্রতিপক্ষের লোকজন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে এই ঘটনা নিষ্পত্তির জন্য আব্দুর রশিদ ভিকটিম আতিক মিয়ার শরণাপন্ন হলে তিনি বিষয়টি মীমাংসার জন্য ২ নং বিবাদী আতর মিয়ার বাড়ির উঠানে একটি সালিশি বৈঠক আহ্বান করেন।
‎
‎সালিশি বৈঠকে আতিক মিয়া বিবাদীদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন এবং অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক করেন। বৈঠক শেষে আতিক মিয়া তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিরাজনগরে চলে যান।

‎ঐ দিনই (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫ টায় আতিক মিয়া নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ২ নং বিবাদী আতর মিয়ার বাড়ির পূর্ব পাশে রাস্তায় পৌঁছালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। তারা দা ও কাঠের বর্গা দিয়ে আতিক মিয়ার মাথা, কপাল ও বুকে সজোরে কোপ মেরে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎এ ঘটনায় নিহত আতিক মিয়ার ভাই বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
‎
‎অভিযান পরিচালনা করে এসআরবি-৯, সিপিএসসি সিলেটে একটি আভিযানিক দল মামলার ৪ নং আসামি মামুন মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই মামলার আরও দুই পলাতক আসামিকে এসআরবি-৯ (তৎকালীন র‍্যাব-৯) কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছিল।
‎
‎গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটের ওসমানীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে এসআরবি-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এসআরবি-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
‎