সিলেট ০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ের ব্যবসায়ী নেতা মোঃ মোস্তফা মিয়া আর নেই, এলাকায় শোকের ছায়া ছুটির পরও আটকে রাখা হল শিক্ষার্থীদের‎, অভিভাবকদের ক্ষোভ! লাখাই উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের উদ্যোগে সচেতনতা মূলক সভা ‎বাবার গায়ে হাতুড়ির আঘাত: বকশীগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎বিয়ানীবাজারে জালালিয়া মহিলা আলিম মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন ‎ধনবাড়িতে ইটভাটার মালিক হিমেলের প্রতারণার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন মাধবপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের অভিযান, ৫০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন আটক জাফলংয়ে হাজী সোহরাব আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির পরিচিতি সভা ‎গোলাপগঞ্জে শহীদ পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে ফেরার পথে সারজিস আলমের বহরে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ‎স্টেলিন থারিয়াংকে ঘিরে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রত্যাহারের দাবি, গোয়াইনঘাটে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

হবিগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের পরিবহন ধর্মঘট, বন্ধ আন্তজেলা বাস চলাচল





‎হবিগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকেরা। ধর্মঘটের কারণে জেলার সঙ্গে সিলেট, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা।

‎সোমবার (১৮ মে) সকালে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, টার্মিনালে বিভিন্ন রুটের বাস সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকলেও কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অনেকে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে রওনা হন। আবার কেউ কেউ প্রয়োজনীয় কাজ স্থগিত করে ফিরে যান।

‎পরিবহনসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি মৌলভীবাজার এলাকায় হবিগঞ্জের বিরতিহীন বাস আটকে শ্রমিকদের মারধর ও বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে গত শনিবার শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন পরিবহন শ্রমিকেরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলেও দাবি পূরণ না হওয়ায় রোববার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতির একাধিক সূত্র জানায়, গত ১০ মে মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া কয়েকটি বাস আটকে দেওয়া হয়। এ সময় শ্রমিকদের মারধর ও বাসে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হলেও এখনো সমাধান হয়নি।

‎ধর্মঘটের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসাসেবাপ্রার্থী রোগী, পরীক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ। জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের বিকল্প পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

‎এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

‎জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছে প্রশাসন।

‎উল্লেখ্য, এর আগে একই দাবিতে গত ১২ মে পরিবহন ধর্মঘট এবং ১৬ মে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে সেসব কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ের ব্যবসায়ী নেতা মোঃ মোস্তফা মিয়া আর নেই, এলাকায় শোকের ছায়া

হবিগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের পরিবহন ধর্মঘট, বন্ধ আন্তজেলা বাস চলাচল

সময় ০৬:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬





‎হবিগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকেরা। ধর্মঘটের কারণে জেলার সঙ্গে সিলেট, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা।

‎সোমবার (১৮ মে) সকালে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, টার্মিনালে বিভিন্ন রুটের বাস সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকলেও কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অনেকে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে রওনা হন। আবার কেউ কেউ প্রয়োজনীয় কাজ স্থগিত করে ফিরে যান।

‎পরিবহনসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি মৌলভীবাজার এলাকায় হবিগঞ্জের বিরতিহীন বাস আটকে শ্রমিকদের মারধর ও বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে গত শনিবার শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন পরিবহন শ্রমিকেরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলেও দাবি পূরণ না হওয়ায় রোববার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতির একাধিক সূত্র জানায়, গত ১০ মে মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া কয়েকটি বাস আটকে দেওয়া হয়। এ সময় শ্রমিকদের মারধর ও বাসে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হলেও এখনো সমাধান হয়নি।

‎ধর্মঘটের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসাসেবাপ্রার্থী রোগী, পরীক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ। জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের বিকল্প পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

‎এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

‎জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছে প্রশাসন।

‎উল্লেখ্য, এর আগে একই দাবিতে গত ১২ মে পরিবহন ধর্মঘট এবং ১৬ মে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে সেসব কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।