সিলেট ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
News Title :
‎হবিগঞ্জ–সিলেট রুটে বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার, আংশিকভাবে স্বাভাবিক চলাচল‎ ‎সিলেটে ৫ লাখ টাকার জালনোটসহ ৪ জন গ্রেফতার‎ নবীগঞ্জে জলমহাল কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন মৌলভীবাজারে বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্ট কালের ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রী ‎লাখাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত‎ ‎মির্জাপুর থানার অভিযানে আতিক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২ ‎টাঙ্গাইলের ইতিহাসে এক বিষাদময় দিন: ভয়াল ১৩ মে’র ৩০ বছর‎ ‎সিলেটে প্রতিবন্ধী নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার ৩, ভিকটিম উদ্ধার‎ নাগরপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ৩ ট্রাক্টর জব্দ‎ হবিগঞ্জে দুই কোটি টাকার ভারতীয় গলদা চিংড়ি রেণু পোনা আটক করল বিজিবি‎

শ্রীমঙ্গল-সিলেট রুটে এসএমএস বাস চলাচল শুরু, বন্ধ রয়েছে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস‎




‎হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস এবং এসএমএস (শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-সিলেট) এক্সপ্রেসের মালিক সমিতির মধ্যকার দ্বন্দ্বের অবসান না হলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে শ্রীমঙ্গল-সিলেট রুটে এসএমএস এক্সপ্রেস বাস চলাচল শুরু হয়েছে। এতে টানা দুই দিনের ভোগান্তির পর কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে। তবে বিরোধের জেরে এখনও বন্ধ রয়েছে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস বাস চলাচল।

‎মৌলভীবাজার ও সিলেট বাস মালিক সমিতির নেতারা অভিযোগ করেছেন,হবিগঞ্জ বাস মালিক গ্রুপের অধিকাংশ গাড়ির বৈধ রুট পারমিট ও ফিটনেস নেই। বিআরটিএ সূত্র উল্লেখ করে তারা দাবি করেন, হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে চলাচলকারী ১২৩টি বাসের মধ্যে মাত্র ৮টির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, বাকিগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে।

‎মঙ্গলবার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ মালিক-শ্রমিক সমাবেশে পরিবহন নেতারা এসব তথ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে যাত্রীদের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সিলেট-মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎মৌলভীবাজার বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক রব মিয়া ও সিলেট-মৌলভীবাজার রুটের পরিবহন নেতারা জানান, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান পরিবহন মালিকদের কাগজপত্র যাচাই করেছেন। এ সময় সংসদ সদস্য বলেন,যাদের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে কেবল তাদের গাড়িই চলবে। অবৈধ কোনো গাড়ি রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না।

‎পরিবহন নেতাদের দাবি, হবিগঞ্জ মালিক গ্রুপের ১২৩টি বাসের মধ্যে ৯০টিরও বেশি বাসের কোনো রুট পারমিট নেই। দীর্ঘদিন ধরে এসব ফিটনেস ও পারমিটবিহীন বাস চলাচল করায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।
‎সভা শেষে নেতারা জানান, যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সিলেট ও মৌলভীবাজার থেকে এসএমএস পরিবহনের বাস চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল ও সিলেটের এসএমএস পরিবহন এবং স্থানীয় লোকাল বাস পূর্ণোদ্যমে চলাচল করবে।

‎হবিগঞ্জের বাস চলাচলের বিষয়ে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নিতে শিগগিরই সিলেট বিভাগের তিন জেলার জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের উপস্থিতিতে যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
‎নেতারা বলেন, হবিগঞ্জের সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমাদের আপত্তি অবৈধ কাগজপত্রে চলা গাড়ির বিরুদ্ধে।

‎এদিকে অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন বাসের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে মালিক সমিতি। লাইসেন্স ও পারমিটবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ বাসে যাতায়াত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে যাত্রীদের প্রতি।
‎সভায় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি এমতাদুল হক এহমাদ, আব্দুর রহিম লিটন, ফজল করিম ময়ূন, সাবেক শ্রমিক নেতা আনোয়ার হোসেন, রোড কমিটির সভাপতি কুতুব মিয়া এবং সিলেটের পরিবহন নেতা শাহাব উদ্দিনসহ দুই জেলার শীর্ষস্থানীয় মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

‎অন্যদিকে, হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা ও একাধিক বাস আটকে রাখার অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ। এতে হবিগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের অভিযোগ, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম রিপনের নেতৃত্বে শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। গত রোববার থেকে কয়েক দফায় ৩৫ থেকে ৪০টি বাস আটকে রাখা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে শেরপুর এলাকায় আমাদের বাস চলাচল বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে শ্রমিক ও মালিক উভয়েই ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে আব্দুর রহিম রিপনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বৈঠকে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।

‎পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসন কাজ করছে বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ। তিনি বলেন,মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক যাত্রী বাসস্ট্যান্ডে এসে বিপাকে পড়েন। পরে তারা সিএনজি অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনে শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে গন্তব্যে রওনা হন। এ সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে স্থানীয় সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎হবিগঞ্জ–সিলেট রুটে বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার, আংশিকভাবে স্বাভাবিক চলাচল‎

শ্রীমঙ্গল-সিলেট রুটে এসএমএস বাস চলাচল শুরু, বন্ধ রয়েছে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস‎

সময় ০৯:১৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬




‎হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস এবং এসএমএস (শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-সিলেট) এক্সপ্রেসের মালিক সমিতির মধ্যকার দ্বন্দ্বের অবসান না হলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে শ্রীমঙ্গল-সিলেট রুটে এসএমএস এক্সপ্রেস বাস চলাচল শুরু হয়েছে। এতে টানা দুই দিনের ভোগান্তির পর কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে। তবে বিরোধের জেরে এখনও বন্ধ রয়েছে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস বাস চলাচল।

‎মৌলভীবাজার ও সিলেট বাস মালিক সমিতির নেতারা অভিযোগ করেছেন,হবিগঞ্জ বাস মালিক গ্রুপের অধিকাংশ গাড়ির বৈধ রুট পারমিট ও ফিটনেস নেই। বিআরটিএ সূত্র উল্লেখ করে তারা দাবি করেন, হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে চলাচলকারী ১২৩টি বাসের মধ্যে মাত্র ৮টির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, বাকিগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে।

‎মঙ্গলবার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ মালিক-শ্রমিক সমাবেশে পরিবহন নেতারা এসব তথ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে যাত্রীদের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সিলেট-মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎মৌলভীবাজার বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক রব মিয়া ও সিলেট-মৌলভীবাজার রুটের পরিবহন নেতারা জানান, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান পরিবহন মালিকদের কাগজপত্র যাচাই করেছেন। এ সময় সংসদ সদস্য বলেন,যাদের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে কেবল তাদের গাড়িই চলবে। অবৈধ কোনো গাড়ি রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না।

‎পরিবহন নেতাদের দাবি, হবিগঞ্জ মালিক গ্রুপের ১২৩টি বাসের মধ্যে ৯০টিরও বেশি বাসের কোনো রুট পারমিট নেই। দীর্ঘদিন ধরে এসব ফিটনেস ও পারমিটবিহীন বাস চলাচল করায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।
‎সভা শেষে নেতারা জানান, যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সিলেট ও মৌলভীবাজার থেকে এসএমএস পরিবহনের বাস চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল ও সিলেটের এসএমএস পরিবহন এবং স্থানীয় লোকাল বাস পূর্ণোদ্যমে চলাচল করবে।

‎হবিগঞ্জের বাস চলাচলের বিষয়ে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নিতে শিগগিরই সিলেট বিভাগের তিন জেলার জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের উপস্থিতিতে যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
‎নেতারা বলেন, হবিগঞ্জের সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমাদের আপত্তি অবৈধ কাগজপত্রে চলা গাড়ির বিরুদ্ধে।

‎এদিকে অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন বাসের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে মালিক সমিতি। লাইসেন্স ও পারমিটবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ বাসে যাতায়াত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে যাত্রীদের প্রতি।
‎সভায় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি এমতাদুল হক এহমাদ, আব্দুর রহিম লিটন, ফজল করিম ময়ূন, সাবেক শ্রমিক নেতা আনোয়ার হোসেন, রোড কমিটির সভাপতি কুতুব মিয়া এবং সিলেটের পরিবহন নেতা শাহাব উদ্দিনসহ দুই জেলার শীর্ষস্থানীয় মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

‎অন্যদিকে, হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা ও একাধিক বাস আটকে রাখার অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ। এতে হবিগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের অভিযোগ, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম রিপনের নেতৃত্বে শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। গত রোববার থেকে কয়েক দফায় ৩৫ থেকে ৪০টি বাস আটকে রাখা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে শেরপুর এলাকায় আমাদের বাস চলাচল বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে শ্রমিক ও মালিক উভয়েই ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে আব্দুর রহিম রিপনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বৈঠকে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।

‎পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসন কাজ করছে বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ। তিনি বলেন,মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক যাত্রী বাসস্ট্যান্ডে এসে বিপাকে পড়েন। পরে তারা সিএনজি অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনে শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে গন্তব্যে রওনা হন। এ সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে স্থানীয় সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে।