সিলেট ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে আল ইহসান ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন‎ ‎সন্তানদের উচ্চ শিক্ষিত করতে মায়েদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে: এমপি ডা. জীবন মৌলভীবাজারে রোববার আসছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসনের সভা ও বিএনপির জনসভায় অংশ নেবেন হবিগঞ্জে ডেঙ্গু মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন ‎রাউলীতে আল-ইহসান ইসলামী প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার নতুন কমিটি। ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের অবকাঠামো উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা অনুদান ‘ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে নবীনদের সহযোগিতা প্রয়োজন’—সাদিক কায়েম জামালপুর রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাচনে জিলানী সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক লিয়ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ‎জামালপুরের ছোনটিয়ায় দিগপাইত, জিয়াউল হক মাস্টারের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।‎ মধুপুরে বায়তুল আকসা জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ....

মৌলভীবাজারে বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্ট কালের ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রী


‎

‎

‎
‎মৌলভীবাজার জেলায় হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা এবং একাধিক বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে নেমেছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ।
‎মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলা থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
‎
‎মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, রোববার সকাল থেকে মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় একদল লোক হবিগঞ্জ-সিলেট রুটের বিরতিহীন বাসগুলো আটক করে রাখছে। তাদের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি বাস আটক করা হয়েছে এবং এতে অন্তত ২০০ শ্রমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
‎
‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন,দুই দিন ধরে বাস আটকে রাখা হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সোমবার রাতে জরুরি সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
‎
‎অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
‎
‎হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে যেতে না পেরে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে শায়েস্তাগঞ্জসহ বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের ভিড় ও ভোগান্তি দেখা গেছে।
‎
‎হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ জানান, বিষয়টি নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুপুরে দুই জেলার বাস মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
‎
‎প্রশাসনের উদ্যোগের পরও সমাধান না হলে ধর্মঘট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে আল ইহসান ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন‎

হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ....

মৌলভীবাজারে বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্ট কালের ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রী

সময় ০৮:৩৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


‎

‎

‎
‎মৌলভীবাজার জেলায় হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা এবং একাধিক বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে নেমেছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ।
‎মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলা থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
‎
‎মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, রোববার সকাল থেকে মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় একদল লোক হবিগঞ্জ-সিলেট রুটের বিরতিহীন বাসগুলো আটক করে রাখছে। তাদের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি বাস আটক করা হয়েছে এবং এতে অন্তত ২০০ শ্রমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
‎
‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন,দুই দিন ধরে বাস আটকে রাখা হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সোমবার রাতে জরুরি সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
‎
‎অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
‎
‎হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে যেতে না পেরে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে শায়েস্তাগঞ্জসহ বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের ভিড় ও ভোগান্তি দেখা গেছে।
‎
‎হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ জানান, বিষয়টি নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুপুরে দুই জেলার বাস মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
‎
‎প্রশাসনের উদ্যোগের পরও সমাধান না হলে ধর্মঘট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।