সিলেট ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
জামালপুরে প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে এলাকাবাসী’র সম্পৃক্তকরণে জেসমিন প্রকল্পের সভা ‎জামালপুর সদরে ২০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড‎ হবিগঞ্জে মায়ের অস্থি সংগ্রহ করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে সাবেক কাউন্সিলরের মৃত্যু বানিয়াচংয়ে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‎কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত তারা মিয়ার লাশ হস্তান্তর মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তঃশ্রেণী ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন‎‎ ‎সিলেটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার‎ জামালপুরে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের সাথে আয়কর বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জে ফল বিক্রেতার ফোন নেওয়ার অভিযোগ, এসআই রাসেলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত বড়লেখায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপিত
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ....

মৌলভীবাজারে বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্ট কালের ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রী







‎মৌলভীবাজার জেলায় হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা এবং একাধিক বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে নেমেছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ।
‎মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলা থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

‎মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, রোববার সকাল থেকে মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় একদল লোক হবিগঞ্জ-সিলেট রুটের বিরতিহীন বাসগুলো আটক করে রাখছে। তাদের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি বাস আটক করা হয়েছে এবং এতে অন্তত ২০০ শ্রমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন,দুই দিন ধরে বাস আটকে রাখা হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সোমবার রাতে জরুরি সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

‎অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

‎হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে যেতে না পেরে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে শায়েস্তাগঞ্জসহ বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের ভিড় ও ভোগান্তি দেখা গেছে।

‎হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ জানান, বিষয়টি নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুপুরে দুই জেলার বাস মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

‎প্রশাসনের উদ্যোগের পরও সমাধান না হলে ধর্মঘট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে এলাকাবাসী’র সম্পৃক্তকরণে জেসমিন প্রকল্পের সভা

হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ....

মৌলভীবাজারে বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্ট কালের ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রী

সময় ০৮:৩৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬







‎মৌলভীবাজার জেলায় হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা এবং একাধিক বাস আটকে রাখার অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে নেমেছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ।
‎মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলা থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

‎মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, রোববার সকাল থেকে মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় একদল লোক হবিগঞ্জ-সিলেট রুটের বিরতিহীন বাসগুলো আটক করে রাখছে। তাদের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি বাস আটক করা হয়েছে এবং এতে অন্তত ২০০ শ্রমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

‎হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন,দুই দিন ধরে বাস আটকে রাখা হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সোমবার রাতে জরুরি সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

‎অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

‎হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে যেতে না পেরে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে শায়েস্তাগঞ্জসহ বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের ভিড় ও ভোগান্তি দেখা গেছে।

‎হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ জানান, বিষয়টি নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুপুরে দুই জেলার বাস মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

‎প্রশাসনের উদ্যোগের পরও সমাধান না হলে ধর্মঘট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।