সিলেট ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎ ‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা ‎লাউয়াছড়ায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বগির হুক ছিঁড়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ‎ ১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে এম লিমন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বয়োবৃদ্ধ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী উদ্বোধনে আদর্শিক চর্চা বাড়ানোর আহ্বান এমপি মামুনের কুলাউড়ায় ৮ হাজারের বেশি পানগাছ রাতে আঁধারে কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা!

‎টাইব্রেকার রোমাঞ্চে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ

‎

‎
‎নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য। মাঠের লড়াইয়ে সমানে সমান দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু স্নায়ুচাপের চূড়ান্ত পরীক্ষায় শেষ হাসি হাসল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরাই। মালদ্বীপের মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ। ম্যাচের ফয়সালা যখন টাইব্রেকারে গড়ায়, তখন প্রতিটি শটেই ছিল উৎকণ্ঠা। বাংলাদেশের চতুর্থ শট নিতে যখন স্যামুয়েল রাকসাম প্রস্তুত, তখনই ভারতের গোলরক্ষক সুরজ সিং হঠাৎ মাটিতে পড়ে গিয়ে নাটকীয় পরিবেশ তৈরি করেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর রাকসামের শটটি ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
‎
‎তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ভারতের পঞ্চম শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে জয়ের দুয়ার ফের উন্মোচিত হয়। শেষ শট নিতে আসেন রোনান সুলিভান। নিস্তব্ধ স্টেডিয়ামে অসীম সাহসের পরিচয় দিয়ে ‘প্যানেকা’ শটে বল জালে জড়ান তিনি। আর তাতেই শিরোপা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
‎
‎পুরো ৯০ মিনিটের খেলায় আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ ছিল জমজমাট। প্রথমার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। রোনান সুলিভানের বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা নসাৎ করে দেন ভারতীয় গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়লেও দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল অটল।
‎বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পুরো ম্যাচজুড়ে ছিলেন আস্থার প্রতীক। টাইব্রেকারের শুরুতেই ভারতের একটি শট ঠেকিয়ে দিয়ে তিনি দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন।
‎বয়সভিত্তিক ফুটবলে ভারতের কাছে টানা তিনটি ফাইনালে হারের তিক্ত স্মৃতি ছিল বাংলাদেশের। এই জয়ের মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিল নতুন প্রজন্ম। টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রমাণ করল বাংলাদেশের যুবরা।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎

‎টাইব্রেকার রোমাঞ্চে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

সময় ১১:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ

‎

‎
‎নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য। মাঠের লড়াইয়ে সমানে সমান দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু স্নায়ুচাপের চূড়ান্ত পরীক্ষায় শেষ হাসি হাসল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরাই। মালদ্বীপের মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ। ম্যাচের ফয়সালা যখন টাইব্রেকারে গড়ায়, তখন প্রতিটি শটেই ছিল উৎকণ্ঠা। বাংলাদেশের চতুর্থ শট নিতে যখন স্যামুয়েল রাকসাম প্রস্তুত, তখনই ভারতের গোলরক্ষক সুরজ সিং হঠাৎ মাটিতে পড়ে গিয়ে নাটকীয় পরিবেশ তৈরি করেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর রাকসামের শটটি ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
‎
‎তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ভারতের পঞ্চম শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে জয়ের দুয়ার ফের উন্মোচিত হয়। শেষ শট নিতে আসেন রোনান সুলিভান। নিস্তব্ধ স্টেডিয়ামে অসীম সাহসের পরিচয় দিয়ে ‘প্যানেকা’ শটে বল জালে জড়ান তিনি। আর তাতেই শিরোপা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
‎
‎পুরো ৯০ মিনিটের খেলায় আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ ছিল জমজমাট। প্রথমার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। রোনান সুলিভানের বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা নসাৎ করে দেন ভারতীয় গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়লেও দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল অটল।
‎বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পুরো ম্যাচজুড়ে ছিলেন আস্থার প্রতীক। টাইব্রেকারের শুরুতেই ভারতের একটি শট ঠেকিয়ে দিয়ে তিনি দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন।
‎বয়সভিত্তিক ফুটবলে ভারতের কাছে টানা তিনটি ফাইনালে হারের তিক্ত স্মৃতি ছিল বাংলাদেশের। এই জয়ের মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিল নতুন প্রজন্ম। টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রমাণ করল বাংলাদেশের যুবরা।
‎