সিলেট ১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে থাকা দেশের অন্যতম অঞ্চল হচ্ছে সিলেটঃ ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঐতিহাসিক মাকালকান্দি গণহত্যা দিবস পালন, ছিলনা এমপি ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মসূচি ‎গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ হবিগঞ্জে বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে আটক, ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত মাহদীসহ তিনজন ‎নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মতবিনিময় ‎ছাতকে মোবাইল কোর্ট: চার প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা, পচা মাংস জব্দ জুড়ীতে হাকালুকি হাওরের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত‎

‎টাইব্রেকার রোমাঞ্চে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ




‎নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য। মাঠের লড়াইয়ে সমানে সমান দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু স্নায়ুচাপের চূড়ান্ত পরীক্ষায় শেষ হাসি হাসল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরাই। মালদ্বীপের মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ। ম্যাচের ফয়সালা যখন টাইব্রেকারে গড়ায়, তখন প্রতিটি শটেই ছিল উৎকণ্ঠা। বাংলাদেশের চতুর্থ শট নিতে যখন স্যামুয়েল রাকসাম প্রস্তুত, তখনই ভারতের গোলরক্ষক সুরজ সিং হঠাৎ মাটিতে পড়ে গিয়ে নাটকীয় পরিবেশ তৈরি করেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর রাকসামের শটটি ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

‎তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ভারতের পঞ্চম শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে জয়ের দুয়ার ফের উন্মোচিত হয়। শেষ শট নিতে আসেন রোনান সুলিভান। নিস্তব্ধ স্টেডিয়ামে অসীম সাহসের পরিচয় দিয়ে ‘প্যানেকা’ শটে বল জালে জড়ান তিনি। আর তাতেই শিরোপা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

‎পুরো ৯০ মিনিটের খেলায় আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ ছিল জমজমাট। প্রথমার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। রোনান সুলিভানের বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা নসাৎ করে দেন ভারতীয় গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়লেও দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল অটল।
‎বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পুরো ম্যাচজুড়ে ছিলেন আস্থার প্রতীক। টাইব্রেকারের শুরুতেই ভারতের একটি শট ঠেকিয়ে দিয়ে তিনি দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন।
‎বয়সভিত্তিক ফুটবলে ভারতের কাছে টানা তিনটি ফাইনালে হারের তিক্ত স্মৃতি ছিল বাংলাদেশের। এই জয়ের মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিল নতুন প্রজন্ম। টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রমাণ করল বাংলাদেশের যুবরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান

‎টাইব্রেকার রোমাঞ্চে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

সময় ১১:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ




‎নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য। মাঠের লড়াইয়ে সমানে সমান দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু স্নায়ুচাপের চূড়ান্ত পরীক্ষায় শেষ হাসি হাসল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরাই। মালদ্বীপের মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ। ম্যাচের ফয়সালা যখন টাইব্রেকারে গড়ায়, তখন প্রতিটি শটেই ছিল উৎকণ্ঠা। বাংলাদেশের চতুর্থ শট নিতে যখন স্যামুয়েল রাকসাম প্রস্তুত, তখনই ভারতের গোলরক্ষক সুরজ সিং হঠাৎ মাটিতে পড়ে গিয়ে নাটকীয় পরিবেশ তৈরি করেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর রাকসামের শটটি ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

‎তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ভারতের পঞ্চম শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে জয়ের দুয়ার ফের উন্মোচিত হয়। শেষ শট নিতে আসেন রোনান সুলিভান। নিস্তব্ধ স্টেডিয়ামে অসীম সাহসের পরিচয় দিয়ে ‘প্যানেকা’ শটে বল জালে জড়ান তিনি। আর তাতেই শিরোপা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

‎পুরো ৯০ মিনিটের খেলায় আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ ছিল জমজমাট। প্রথমার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। রোনান সুলিভানের বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা নসাৎ করে দেন ভারতীয় গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়লেও দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল অটল।
‎বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পুরো ম্যাচজুড়ে ছিলেন আস্থার প্রতীক। টাইব্রেকারের শুরুতেই ভারতের একটি শট ঠেকিয়ে দিয়ে তিনি দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন।
‎বয়সভিত্তিক ফুটবলে ভারতের কাছে টানা তিনটি ফাইনালে হারের তিক্ত স্মৃতি ছিল বাংলাদেশের। এই জয়ের মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিল নতুন প্রজন্ম। টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রমাণ করল বাংলাদেশের যুবরা।