সিলেট ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎২ যুগ পিছিয়ে প্রান্তিক সুপার, আসন ছাড়াও অতিরিক্ত যাত্রী তুলে হয়রানির অভিযোগ


‎ময়মনসিংহ—টাঙ্গাইল রুটে চলাচলকারী লোকাল বাস প্রান্তিক সুপার পরিবহন সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত যাত্রী তুলে এবং টিকিট কেটে আসনে বসা যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত অর্থের লোভে বিভিন্ন মোড়ে যাত্রীর অপেক্ষায় ব্যয় করে সময়। ময়মনসিংহ হতে মধুপুর পর্যন্ত মাত্র ৫০ কিলো রাস্তা অতিক্রম করতে সময় ব্যয় করে ২ ঘন্টা। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ যাত্রীগণ। তাদের অপেশাদার আচরণে আত্মসম্মানের ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না যাত্রীগণ।
‎
‎গত ২৪ আগস্ট রবিবার সরেজমিনে প্রত্যক্ষদর্শী হয়ে জানা যায়, ময়মনসিংহ শহরের টাঙ্গাইল বাস স্ট্যান্ড নামক প্রান্তিক সুপার কাউন্টারে গেলে জনপ্রতি মধুপুর পর্যন্ত ১০০ টাকা টিকিটের মূল্য নিচ্ছেন প্রান্তিক সুপার কাউন্টার কর্তৃপক্ষ। একে একে ৩৮টি টিকিট পরিপূর্ণ হয় আসন সংখ্যা হয়ে যাই। পরে অতিরিক্ত অর্থের লোভে গাড়ির ইঞ্জিনের উপর বনাট নামক স্থানে টিকিট করিয়ে ৬ জন যাত্রী তুলেন কাউন্টার কর্তৃপক্ষ। এরপর চালকের পিছনে থাকা একটি কাঠের টুল বক্সে আরো দুইজন বসান। বাম পাশে হেলপারের কাঠের টুল বক্সে  আরো দুইজন বসিয়ে দেন। কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয় গাড়িটি। অতঃপর যাত্রীরা গাড়ি ছাড়তে বললে তারা ছাড়ে না, বরং আরো ৪০ মিনিট ইঞ্জিন চালু করে প্রধান সড়কে দাঁড়িয়ে রাখে এবং কমপক্ষে বিশ জন যাত্রী তোলেন তারা বাসের সিট এবং উপরে মালামাল রাখা সানসেটের রড চেপে ধরে গন্তব্যে পৌঁছান।
‎
‎ময়মনসিংহ মধুপুর সড়কটি সংস্কারের কাজ করার ফলে বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দ হয়ে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। এসব রাস্তা ঝুঁকি নিয়ে চালক নির্বিঘ্নে গাড়ি চালিয়ে যাই। অনেক সময় চাকা কাদামাটিতে ডেবে গিয়ে আর উঠতে পারে না। তখন যাত্রীরা নেবে তা ঠেলিয়ে উদ্ধার করে এমনও ঘটনা রয়েছে। প্রতিনিয়তই এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীগণ। বুক চেপে সহ্য করতে হচ্ছে তাদেরকে কারণ তারা নিরুপায় তাদের ভোগান্তি শোনা, দেখা বা প্রতিকার করার কেউ নেই।
‎
‎দেশে সড়ক পরিবহন সেক্টর  অনেকটাই আধুনিকতা হলেও  প্রান্তিক সুপার এখনো রয়েছে ২ যুগ পিছিয়ে। এ জায়গা থেকে উঠে আসছে যাত্রী সেবায় আধুনিকতা ও সেবার মান বাড়াতে ময়মনসিংহ টাঙ্গাইল রোডে উন্নত মানের বাস সার্ভিসের প্রত্যাশা করছেন সাধারণ যাত্রীগণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎২ যুগ পিছিয়ে প্রান্তিক সুপার, আসন ছাড়াও অতিরিক্ত যাত্রী তুলে হয়রানির অভিযোগ

সময় ১০:১৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬


‎ময়মনসিংহ—টাঙ্গাইল রুটে চলাচলকারী লোকাল বাস প্রান্তিক সুপার পরিবহন সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত যাত্রী তুলে এবং টিকিট কেটে আসনে বসা যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত অর্থের লোভে বিভিন্ন মোড়ে যাত্রীর অপেক্ষায় ব্যয় করে সময়। ময়মনসিংহ হতে মধুপুর পর্যন্ত মাত্র ৫০ কিলো রাস্তা অতিক্রম করতে সময় ব্যয় করে ২ ঘন্টা। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ যাত্রীগণ। তাদের অপেশাদার আচরণে আত্মসম্মানের ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না যাত্রীগণ।
‎
‎গত ২৪ আগস্ট রবিবার সরেজমিনে প্রত্যক্ষদর্শী হয়ে জানা যায়, ময়মনসিংহ শহরের টাঙ্গাইল বাস স্ট্যান্ড নামক প্রান্তিক সুপার কাউন্টারে গেলে জনপ্রতি মধুপুর পর্যন্ত ১০০ টাকা টিকিটের মূল্য নিচ্ছেন প্রান্তিক সুপার কাউন্টার কর্তৃপক্ষ। একে একে ৩৮টি টিকিট পরিপূর্ণ হয় আসন সংখ্যা হয়ে যাই। পরে অতিরিক্ত অর্থের লোভে গাড়ির ইঞ্জিনের উপর বনাট নামক স্থানে টিকিট করিয়ে ৬ জন যাত্রী তুলেন কাউন্টার কর্তৃপক্ষ। এরপর চালকের পিছনে থাকা একটি কাঠের টুল বক্সে আরো দুইজন বসান। বাম পাশে হেলপারের কাঠের টুল বক্সে  আরো দুইজন বসিয়ে দেন। কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয় গাড়িটি। অতঃপর যাত্রীরা গাড়ি ছাড়তে বললে তারা ছাড়ে না, বরং আরো ৪০ মিনিট ইঞ্জিন চালু করে প্রধান সড়কে দাঁড়িয়ে রাখে এবং কমপক্ষে বিশ জন যাত্রী তোলেন তারা বাসের সিট এবং উপরে মালামাল রাখা সানসেটের রড চেপে ধরে গন্তব্যে পৌঁছান।
‎
‎ময়মনসিংহ মধুপুর সড়কটি সংস্কারের কাজ করার ফলে বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দ হয়ে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। এসব রাস্তা ঝুঁকি নিয়ে চালক নির্বিঘ্নে গাড়ি চালিয়ে যাই। অনেক সময় চাকা কাদামাটিতে ডেবে গিয়ে আর উঠতে পারে না। তখন যাত্রীরা নেবে তা ঠেলিয়ে উদ্ধার করে এমনও ঘটনা রয়েছে। প্রতিনিয়তই এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীগণ। বুক চেপে সহ্য করতে হচ্ছে তাদেরকে কারণ তারা নিরুপায় তাদের ভোগান্তি শোনা, দেখা বা প্রতিকার করার কেউ নেই।
‎
‎দেশে সড়ক পরিবহন সেক্টর  অনেকটাই আধুনিকতা হলেও  প্রান্তিক সুপার এখনো রয়েছে ২ যুগ পিছিয়ে। এ জায়গা থেকে উঠে আসছে যাত্রী সেবায় আধুনিকতা ও সেবার মান বাড়াতে ময়মনসিংহ টাঙ্গাইল রোডে উন্নত মানের বাস সার্ভিসের প্রত্যাশা করছেন সাধারণ যাত্রীগণ।