সিলেট ০৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎নেপথ্যে সম্পত্তি বিরোধের সন্দেহ বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের‎ হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় যাবতজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল কাদিরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি! ‎কোম্পানীগঞ্জে র‍্যাব-বিজিবির যৌথ অভিযান: ৫৮ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার জাফলংয়ে শূন্য বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশু নিশ্চিতে সচেতনতামূলক সভা সিলেট সীমান্তে ২ কোটি টাকার চোরাচালানী পণ্য আটক ‎শান্তিগঞ্জের নোয়াগাঁওয়ে সড়কের পাশে পচা-গলা অজ্ঞাত শিশুর মরদেহ উদ্ধার সিলেটে একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা: মিতালী ১১১ নম্বর বাড়িতে চাঞ্চল্য‎ জামালপুরে প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে এলাকাবাসী’র সম্পৃক্তকরণে জেসমিন প্রকল্পের সভা ‎জামালপুর সদরে ২০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড‎ হবিগঞ্জে মায়ের অস্থি সংগ্রহ করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে সাবেক কাউন্সিলরের মৃত্যু
‎সিলেটে ট্রিপল মার্ডার..."

‎নেপথ্যে সম্পত্তি বিরোধের সন্দেহ বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের‎

নিহত এম এ সাত্তার তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (ফাইল ছবি)


‎সিলেট মহানগরের রায়নগর আবাসিক এলাকায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী হত্যাকাণ্ডের পেছনে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ থাকতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক।

‎বুধবার (১২ আগস্ট) রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

‎নিহত পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে আব্দুর রাজ্জাক জানান, সিলেটের মদনমোহন কলেজের সামনে পরিবারটির একটি সম্পত্তি রয়েছে এবং তা নিয়ে একটি বিরোধ চলছে। ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচনে এই সম্পত্তি বিরোধের বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র বা ‘মোটিভ’ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

‎ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি নিজেও লাশের কাছে যাওয়ার সাহস পাইনি।”

‎তিনি আরও বলেন, “যেকোনো হত্যাকাণ্ডের পেছনেই একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা ‘মোটিভ’ থাকে। রায়নগরের এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রটিতেও সেই মোটিভ খুঁজে বের করা জরুরি। এটি শুধু চুরি বা ডাকাতি কেন্দ্রিক, নাকি এর পেছনে বড় কোনো সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে—তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। তাছাড়া সম্প্রতি বাসাটিতে রঙের কাজ চলছিল, ফলে বাইরের সন্দেহভাজন লোকজনের যাতায়াত ছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।
‎তবে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খুনের ঘটনায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম



এর আগে বুধবার সকালে রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসা থেকে এম এ সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহকর্মী তাহমিনার (১৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

‎ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) জানায়, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে ডাকাতি ও পারিবারিক বিরোধসহ সবকটি সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
‎পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, তল্লাশির সময় বাসার আলমারি ও ওয়ারড্রব খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। পাশাপাশি পুলিশের নজরে এসেছে একটি দলিলও। তবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি।

‎বর্তমানে পুলিশের একাধিক বিশেষ দল ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় মূল অপরাধীদের শনাক্ত করতে ও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎নেপথ্যে সম্পত্তি বিরোধের সন্দেহ বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের‎

‎সিলেটে ট্রিপল মার্ডার..."

‎নেপথ্যে সম্পত্তি বিরোধের সন্দেহ বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের‎

সময় ০৪:৪৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
নিহত এম এ সাত্তার তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (ফাইল ছবি)


‎সিলেট মহানগরের রায়নগর আবাসিক এলাকায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী হত্যাকাণ্ডের পেছনে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ থাকতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক।

‎বুধবার (১২ আগস্ট) রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

‎নিহত পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে আব্দুর রাজ্জাক জানান, সিলেটের মদনমোহন কলেজের সামনে পরিবারটির একটি সম্পত্তি রয়েছে এবং তা নিয়ে একটি বিরোধ চলছে। ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচনে এই সম্পত্তি বিরোধের বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র বা ‘মোটিভ’ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

‎ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি নিজেও লাশের কাছে যাওয়ার সাহস পাইনি।”

‎তিনি আরও বলেন, “যেকোনো হত্যাকাণ্ডের পেছনেই একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা ‘মোটিভ’ থাকে। রায়নগরের এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রটিতেও সেই মোটিভ খুঁজে বের করা জরুরি। এটি শুধু চুরি বা ডাকাতি কেন্দ্রিক, নাকি এর পেছনে বড় কোনো সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে—তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। তাছাড়া সম্প্রতি বাসাটিতে রঙের কাজ চলছিল, ফলে বাইরের সন্দেহভাজন লোকজনের যাতায়াত ছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।
‎তবে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খুনের ঘটনায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম



এর আগে বুধবার সকালে রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসা থেকে এম এ সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহকর্মী তাহমিনার (১৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

‎ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) জানায়, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে ডাকাতি ও পারিবারিক বিরোধসহ সবকটি সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
‎পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, তল্লাশির সময় বাসার আলমারি ও ওয়ারড্রব খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। পাশাপাশি পুলিশের নজরে এসেছে একটি দলিলও। তবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি।

‎বর্তমানে পুলিশের একাধিক বিশেষ দল ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় মূল অপরাধীদের শনাক্ত করতে ও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।