সিলেট ০১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎হবিগঞ্জ পৌরসভা ও তিন উপজেলায় ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা হুইপ জি কে গউছ‎ সফল নারী উদ্যোক্তাদের সাথে নতুন নারী উদ্যোক্তাদের শিখন বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‎গোলাপগঞ্জের শ্রীরামপুরে ট্রাকের বিশেষ চেম্বার থেকে ৬৮৯ বোতল এসকাফসহ গ্রেফতার ১ ‎জুড়ীতে রুম টু রিডের অর্জন, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ করণীয়: অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পর্যালোচনা সভা‎ হবিগঞ্জে চাঁদের হাসি হাসপাতালে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন হবিগঞ্জে পুলিশ কার্যালয় পরিদর্শন করলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. জিল্লুর রহমান‎ ‎বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি‎ পূবালী ব্যাংক পিএলসি গুনিনগঞ্জ বাজার শাখার ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ‎দিরাইয়ে ইয়াবা সহ ৩ জন কে আটক করল পুলিশ। হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধে ফের ভাঙন, পানিবন্দী ৩০ গ্রামের মানুষ‎

সফল নারী উদ্যোক্তাদের সাথে নতুন নারী উদ্যোক্তাদের শিখন বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

‎জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কুটামনি গ্রামে নারী উদ্যোক্তা শাপলা বেগমের বাড়ীতে, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর জেসমিন প্রকল্পের সহযোগিতায় দিনব্যাপী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎সোমবার (২৪ আগস্ট) উক্ত শিখন বিনিময় সভায় সদরের ১২ টা ইউনিয়নের জেসমিন প্রকল্পের সফল নারী উদ্যোক্তা ও  নতুন নারী উদ্যোক্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

‎অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় Australian NGO Cooperation Program (ANCP)-এর অর্থায়নে “Gender Inclusive Market Systems for Improved Nutrition (GESMIN)” প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও উন্নয়ন সংঘ যৌথভাবে বাস্তবায়ন করেছে।

‎উক্ত শিখন বিনিময় সভায় শুভ উদ্বোধন করেন ও উদ্দেশ্য  নিয়ে আলোচনা করেন জেসমিন প্রকল্পের  বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো: মনির হোসেন ভুইয়া।

‎শিখন বিনিময় সভায় সফল নারী উদ্যোক্তারা তাদের গল্প শেয়ার করেন। কেন্দুয়ার  সফল নারী উদ্যোক্তা জাহিদা আক্তার বলেন- ২০২০ সাল থেকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত । শুরুতে তাঁর ব্যবসা ছিল সীমিত পরিসরে। পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের মাধ্যমে তিনি ব্যবসাকে আরও সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে শুরু করেন।

‎ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ থেকে নতুন নতুন বিষয় শিখেছেন। বিশেষ করে আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা, পরিকল্পনা করে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে তাঁর দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

‎ব্যবসা থেকে আয় করে তিনি পরিবার ও ছেলে মেয়েদের প্রয়োজন মেটাতে পারছেন এবং নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করতে পেরেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে—একজন নারীকে যদি সুযোগ দেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়, তাহলে তিনিও পরিবার ও সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

‎নরুন্দির শাহীনুর সুলতানা  একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের ব্যবসা শুরু করেন। শুরুতে তাঁর ব্যবসার পরিসর ছিল ছোট এবং নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা ছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। নিজের অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে ব্যবসা এগিয়ে নেন। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর বিভিন্ন সহায়তা ও পরামর্শ তাঁর ব্যবসা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যবসার আয় থেকে তিনি নিজের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি পরিবারের প্রয়োজনেও সহযোগিতা করতে পারছেন

‎তাঁর গল্প আমাদের শেখায়—পুঁজি কম হলেও যদি পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও আত্মবিশ্বাস থাকে, তাহলে একজন নারীও সফল উদ্যোক্তা হতে পারেন।

‎কেন্দুয়ার সফল নারী উদ্যোক্তা কামরুন্নাহার বেগম বলেন -সে নারী হিসেবে পাওয়ার ট্রিলার ব্যবসা শুরু করার পর থেকে আর্থিক ভাবে উন্নতি হয়েছে। তার একটা ব্যবসা থেকে, সে আরো কয়টা ব্যবসা শুরু করেছে।পাওয়ার ট্রিলারের পাশাপাশি তার আয়ের টাকা থেকে মুরগীর ফার্ম,ধান মাড়াই মেশিন ও গরু ছাগল পালন করে আজ সফল উদ্যোক্তা। আরো সফলতার গল্প শেয়ার করেন পারভীন বেগম,শাহনাজ পারভীন,মোমেনা,লাকী বেগম।

‎এ সময় সেইফগার্ড পলিসি, দুর্নীতি প্রতিরোধের সচেতনতা, হটলাইন নম্বর এবং জিরো-৫ বিষয়ে আলোচনা করেন কমিউনিটি ফেসিলিটেটর মাসুদ রানা। সভায় বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেন আওয়ালিনা সাথী,বিউটি খাতুম,জান্নাতুল ফেরদৌস,ঈশিতা আক্তার,বিলকিছ বেগম।

‎নারী উদ্যোক্তাদের গল্প থেকে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি আমরা শিখতে পারি তা হলো—নারীর ক্ষমতায়ন শুধু অর্থনৈতিক সহায়তার মাধ্যমে হয় না; জ্ঞান, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, আত্মবিশ্বাস এবং বাজারের সঙ্গে সংযোগ—সবকিছু মিলেই একজন নারীকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলে।

‎ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর জেসমিন প্রকল্পের  সহযোগিতা, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরামর্শ এবং উদ্যোক্তাদের নিজেদের পরিশ্রম—এই তিনটির সমন্বয়ে নারীরা ধীরে ধীরে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করছেন।

‎আজকের সফল উদ্যোক্তারা আগামী দিনের আরও অনেক নারীর জন্য উদাহরণ হয়ে উঠবেন। তাঁদের সাফল্য দেখে অন্য নারীরাও ব্যবসা শুরু করতে উৎসাহিত হবেন, পরিবারের আয় বাড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

‎জেসমিন প্রকল্পের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা  উপস্থাপনার পাশাপাশি আরো বলেন, একজন নারী যখন নিজের পায়ে দাঁড়ান, তখন শুধু একজন নারীই এগিয়ে যান না—তার সঙ্গে এগিয়ে যায় একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ। তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—নারীদের শুধু সহায়তা দেওয়া নয়, বরং তাঁদের এমনভাবে সক্ষম করে তোলা, যাতে তাঁরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং অন্য নারীদেরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাতে পারেন। এই সফল নারী উদ্যোক্তাদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তাঁদের সাফল্যের গল্প আরও অনেক নারীকে উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাক এই প্রত্যাশ রইলো।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎হবিগঞ্জ পৌরসভা ও তিন উপজেলায় ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা হুইপ জি কে গউছ‎

সফল নারী উদ্যোক্তাদের সাথে নতুন নারী উদ্যোক্তাদের শিখন বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সময় ১২:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

‎জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কুটামনি গ্রামে নারী উদ্যোক্তা শাপলা বেগমের বাড়ীতে, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর জেসমিন প্রকল্পের সহযোগিতায় দিনব্যাপী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎সোমবার (২৪ আগস্ট) উক্ত শিখন বিনিময় সভায় সদরের ১২ টা ইউনিয়নের জেসমিন প্রকল্পের সফল নারী উদ্যোক্তা ও  নতুন নারী উদ্যোক্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

‎অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় Australian NGO Cooperation Program (ANCP)-এর অর্থায়নে “Gender Inclusive Market Systems for Improved Nutrition (GESMIN)” প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও উন্নয়ন সংঘ যৌথভাবে বাস্তবায়ন করেছে।

‎উক্ত শিখন বিনিময় সভায় শুভ উদ্বোধন করেন ও উদ্দেশ্য  নিয়ে আলোচনা করেন জেসমিন প্রকল্পের  বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো: মনির হোসেন ভুইয়া।

‎শিখন বিনিময় সভায় সফল নারী উদ্যোক্তারা তাদের গল্প শেয়ার করেন। কেন্দুয়ার  সফল নারী উদ্যোক্তা জাহিদা আক্তার বলেন- ২০২০ সাল থেকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত । শুরুতে তাঁর ব্যবসা ছিল সীমিত পরিসরে। পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের মাধ্যমে তিনি ব্যবসাকে আরও সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে শুরু করেন।

‎ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ থেকে নতুন নতুন বিষয় শিখেছেন। বিশেষ করে আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা, পরিকল্পনা করে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে তাঁর দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

‎ব্যবসা থেকে আয় করে তিনি পরিবার ও ছেলে মেয়েদের প্রয়োজন মেটাতে পারছেন এবং নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করতে পেরেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে—একজন নারীকে যদি সুযোগ দেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়, তাহলে তিনিও পরিবার ও সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

‎নরুন্দির শাহীনুর সুলতানা  একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের ব্যবসা শুরু করেন। শুরুতে তাঁর ব্যবসার পরিসর ছিল ছোট এবং নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা ছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। নিজের অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে ব্যবসা এগিয়ে নেন। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর বিভিন্ন সহায়তা ও পরামর্শ তাঁর ব্যবসা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যবসার আয় থেকে তিনি নিজের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি পরিবারের প্রয়োজনেও সহযোগিতা করতে পারছেন

‎তাঁর গল্প আমাদের শেখায়—পুঁজি কম হলেও যদি পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও আত্মবিশ্বাস থাকে, তাহলে একজন নারীও সফল উদ্যোক্তা হতে পারেন।

‎কেন্দুয়ার সফল নারী উদ্যোক্তা কামরুন্নাহার বেগম বলেন -সে নারী হিসেবে পাওয়ার ট্রিলার ব্যবসা শুরু করার পর থেকে আর্থিক ভাবে উন্নতি হয়েছে। তার একটা ব্যবসা থেকে, সে আরো কয়টা ব্যবসা শুরু করেছে।পাওয়ার ট্রিলারের পাশাপাশি তার আয়ের টাকা থেকে মুরগীর ফার্ম,ধান মাড়াই মেশিন ও গরু ছাগল পালন করে আজ সফল উদ্যোক্তা। আরো সফলতার গল্প শেয়ার করেন পারভীন বেগম,শাহনাজ পারভীন,মোমেনা,লাকী বেগম।

‎এ সময় সেইফগার্ড পলিসি, দুর্নীতি প্রতিরোধের সচেতনতা, হটলাইন নম্বর এবং জিরো-৫ বিষয়ে আলোচনা করেন কমিউনিটি ফেসিলিটেটর মাসুদ রানা। সভায় বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেন আওয়ালিনা সাথী,বিউটি খাতুম,জান্নাতুল ফেরদৌস,ঈশিতা আক্তার,বিলকিছ বেগম।

‎নারী উদ্যোক্তাদের গল্প থেকে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি আমরা শিখতে পারি তা হলো—নারীর ক্ষমতায়ন শুধু অর্থনৈতিক সহায়তার মাধ্যমে হয় না; জ্ঞান, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, আত্মবিশ্বাস এবং বাজারের সঙ্গে সংযোগ—সবকিছু মিলেই একজন নারীকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলে।

‎ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর জেসমিন প্রকল্পের  সহযোগিতা, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরামর্শ এবং উদ্যোক্তাদের নিজেদের পরিশ্রম—এই তিনটির সমন্বয়ে নারীরা ধীরে ধীরে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করছেন।

‎আজকের সফল উদ্যোক্তারা আগামী দিনের আরও অনেক নারীর জন্য উদাহরণ হয়ে উঠবেন। তাঁদের সাফল্য দেখে অন্য নারীরাও ব্যবসা শুরু করতে উৎসাহিত হবেন, পরিবারের আয় বাড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

‎জেসমিন প্রকল্পের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা  উপস্থাপনার পাশাপাশি আরো বলেন, একজন নারী যখন নিজের পায়ে দাঁড়ান, তখন শুধু একজন নারীই এগিয়ে যান না—তার সঙ্গে এগিয়ে যায় একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ। তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—নারীদের শুধু সহায়তা দেওয়া নয়, বরং তাঁদের এমনভাবে সক্ষম করে তোলা, যাতে তাঁরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং অন্য নারীদেরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাতে পারেন। এই সফল নারী উদ্যোক্তাদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তাঁদের সাফল্যের গল্প আরও অনেক নারীকে উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাক এই প্রত্যাশ রইলো।