
সিলেটে মাজার জিয়ারত করতে আসা এক শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) মঙ্গলবার (১২ মে) পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতারের পাশাপাশি ভিকটিম নারীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হল,মোঃ আতিকুর রহমান জুয়েল (৪০), সিলেট এয়ারপোর্ট থানার মহালদিক এলাকার মৃত আবদুল হেকিম তসির আলীর ছেলে, মোঃ শামসুল হক (৪৫), গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার দক্ষিণ মুরুয়া দও এলাকার মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে ও মোঃ হাসান আলী আশিক (৩২), কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার হুমায়ুন পুর এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদ নানু মিয়ার ছেলে।

র্যাব জানায়, ভিকটিম নারী সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন সুলতানপুর সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১১ মে তিনি মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা থেকে বাসযোগে সিলেটে আসেন। শাহপরান মাজার গেট এলাকায় আসামি আতিকুর রহমান জুয়েল তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কোতোয়ালী থানার লোহারপাড়া এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে আতিকুর রহমান ও তার দুই সহযোগী শামসুল ও হাসান মিলে সারা রাত ওই নারীকে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে।
মঙ্গলবার সকালে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে ভিকটিম স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে র্যাব-৯ এর একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৫ মিনিটে লোহারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আতিকুর রহমান জুয়েল ও শামসুল হককে গ্রেফতার এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে র্যাব। পরবর্তীতে বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ন চত্বর এলাকায় আরেকটি অভিযান চালিয়ে তৃতীয় আসামি হাসান আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ভিকটিমকে বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। অপরাধ দমনে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
স্টাফ রিপোর্টার 


















