সিলেট ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎লাখাইয়ে ৩৮ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার। লাখাইয়ে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।‎ ‎গোয়াইনঘাটে অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসন: অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি বিয়ানীবাজার থেকে টমটম চালক নিখোঁজ, থানায় জিডি ‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য।

শান্তিগঞ্জে জমিয়ত নেতা আবদুল হাফিজের কারামুক্তি


‎
‎
‎শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল হাফিজ জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। জমিয়তের আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী হত্যায় দায়ের করা মামলার এজহারভুক্ত আসামী হিসেবে আটমাস কারাবরণ শেষে জেল মুক্তি হয়েছে তার।
‎
‎শনিবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে রেব হয়েছেন তিনি। কারামুক্তি হয়ে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া তার উপর অবিচার, ষড়যন্ত্র হয়েছে দাবি করে আবদুল হাফিজ বলেন, মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী হত্যা মামলায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমাকে ফাঁসাতে জোর ভূমিকা পালন করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তৈয়্যিবুর রহমান ও তার সহযোগীরা।
‎
‎প্রকৃতপক্ষে, মাও. মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী ছিলেন আমার রাজনৈতি রুহানী পিতা। তার মৃত্যুতে আমি খুবই বেশি ব্যথিত হয়েছি। আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। তিনি বলেন, আমি অচিরেই একটি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করবো। সেখানেই চক্রান্তকারীদের ব্যপারে বিস্তারিত তুলে ধরবো।


‎
‎আবদুল হাফিজের কারামুক্তির সময় কারা ফটকে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নেতা সৈয়দ তালহা আলম। বক্তব্য দেন তিনিও। তালহা বলেন, আবদুল হাফিজ একজন নিরপরাধ মানুষ। ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি আট মাস জেল খেটেছেন। পুলিশ অনেক তদন্ত করেও এখনো পর্যন্ত আবদুল হাফিজের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের সত্যতা পায়নি। আমার প্রিয় ভাই, মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী হত্যার অনেক ক্লু পুলিশের কাছে আছে। আশা করছি অচিরেই প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করবে প্রশাসন। আমরা শতভাগ আশাবাদী, আবদুল হাফিজ এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বেরিয়ে আসবেন ইনশাল্লাহ। অচিরেই দেশবাসী প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন।
‎
‎এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ রশিদ আহমদ, শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাও. খলিলুর রহমান, জমিয়ত নেতা হাফিজ মাও. হোসাইন আহমদ, মাও. ওয়েছ আহমদ, রায়হান বিন আরিফ, মাও. শাহীনুর রহমান শাহীন, মাও. আফাজ উদ্দিন ও মাও. সাদিকুর রহমানসহ আরো অনেকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখাইয়ে ৩৮ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার।

শান্তিগঞ্জে জমিয়ত নেতা আবদুল হাফিজের কারামুক্তি

সময় ০৮:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


‎
‎
‎শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল হাফিজ জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। জমিয়তের আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী হত্যায় দায়ের করা মামলার এজহারভুক্ত আসামী হিসেবে আটমাস কারাবরণ শেষে জেল মুক্তি হয়েছে তার।
‎
‎শনিবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে রেব হয়েছেন তিনি। কারামুক্তি হয়ে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া তার উপর অবিচার, ষড়যন্ত্র হয়েছে দাবি করে আবদুল হাফিজ বলেন, মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী হত্যা মামলায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমাকে ফাঁসাতে জোর ভূমিকা পালন করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তৈয়্যিবুর রহমান ও তার সহযোগীরা।
‎
‎প্রকৃতপক্ষে, মাও. মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী ছিলেন আমার রাজনৈতি রুহানী পিতা। তার মৃত্যুতে আমি খুবই বেশি ব্যথিত হয়েছি। আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। তিনি বলেন, আমি অচিরেই একটি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করবো। সেখানেই চক্রান্তকারীদের ব্যপারে বিস্তারিত তুলে ধরবো।


‎
‎আবদুল হাফিজের কারামুক্তির সময় কারা ফটকে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নেতা সৈয়দ তালহা আলম। বক্তব্য দেন তিনিও। তালহা বলেন, আবদুল হাফিজ একজন নিরপরাধ মানুষ। ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি আট মাস জেল খেটেছেন। পুলিশ অনেক তদন্ত করেও এখনো পর্যন্ত আবদুল হাফিজের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের সত্যতা পায়নি। আমার প্রিয় ভাই, মোস্তাক আহমদ গাজীনগরী হত্যার অনেক ক্লু পুলিশের কাছে আছে। আশা করছি অচিরেই প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করবে প্রশাসন। আমরা শতভাগ আশাবাদী, আবদুল হাফিজ এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বেরিয়ে আসবেন ইনশাল্লাহ। অচিরেই দেশবাসী প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন।
‎
‎এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ রশিদ আহমদ, শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাও. খলিলুর রহমান, জমিয়ত নেতা হাফিজ মাও. হোসাইন আহমদ, মাও. ওয়েছ আহমদ, রায়হান বিন আরিফ, মাও. শাহীনুর রহমান শাহীন, মাও. আফাজ উদ্দিন ও মাও. সাদিকুর রহমানসহ আরো অনেকে।