সিলেট ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎ ‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা ‎লাউয়াছড়ায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বগির হুক ছিঁড়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ‎ ১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে এম লিমন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বয়োবৃদ্ধ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী উদ্বোধনে আদর্শিক চর্চা বাড়ানোর আহ্বান এমপি মামুনের কুলাউড়ায় ৮ হাজারের বেশি পানগাছ রাতে আঁধারে কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা!

‎সিলেট–ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বাধা; স্থানীয়দের ক্ষোভ


‎


‎সিলেট–ঢাকা মহাসড়কের মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর এলাকায় মহাসড়কের ওপর স-মিলের গাছের গুঁড়ি ফেলে রাখা এবং রাস্তার পাশে ভাসমান দোকান বসানোর কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে প্রতিদিন বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎সরেজমিনে দেখা গেছে, শেরপুর বাজার সংলগ্ন মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে স-মিল ব্যবসায়ীরা বড় বড় গাছের গুঁড়ি রাস্তার ওপর ও পাশে ফেলে রাখছেন। কোথাও কোথাও মহাসড়কের একেবারে পাশে গাছ কাটার কাজও করা হচ্ছে। এতে সড়কের একটি অংশ দখল হয়ে পড়ছে এবং যানবাহন চলাচলের জন্য নির্ধারিত জায়গা সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।

‎এদিকে মহাসড়কের কাঁধ দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ভাসমান দোকান। দোকানপাট ও কাঠের গুঁড়ির কারণে অনেক সময় গাড়ি পাশ কাটাতে গিয়ে ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় এসব বাধা চোখে না পড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তাদের দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

‎ এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশ–এর শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান বলেন, মহাসড়কের ওপর কোনো ধরনের অবৈধ দখল বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা দ্রুত সেখানে অভিযান পরিচালনা করে রাস্তার ওপর ফেলে রাখা স-মিলের গাছ অপসারণ এবং অবৈধভাবে বসানো ভাসমান দোকান উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেব।

‎তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে নিরাপদ যান চলাচল নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ নিয়মিত তদারকি করছে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মহাসড়ক দখল করে গাছ ফেলে রাখা ও দোকান বসানো শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে মহাসড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎

‎সিলেট–ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বাধা; স্থানীয়দের ক্ষোভ

সময় ০৮:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬


‎


‎সিলেট–ঢাকা মহাসড়কের মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর এলাকায় মহাসড়কের ওপর স-মিলের গাছের গুঁড়ি ফেলে রাখা এবং রাস্তার পাশে ভাসমান দোকান বসানোর কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে প্রতিদিন বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎সরেজমিনে দেখা গেছে, শেরপুর বাজার সংলগ্ন মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে স-মিল ব্যবসায়ীরা বড় বড় গাছের গুঁড়ি রাস্তার ওপর ও পাশে ফেলে রাখছেন। কোথাও কোথাও মহাসড়কের একেবারে পাশে গাছ কাটার কাজও করা হচ্ছে। এতে সড়কের একটি অংশ দখল হয়ে পড়ছে এবং যানবাহন চলাচলের জন্য নির্ধারিত জায়গা সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।

‎এদিকে মহাসড়কের কাঁধ দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ভাসমান দোকান। দোকানপাট ও কাঠের গুঁড়ির কারণে অনেক সময় গাড়ি পাশ কাটাতে গিয়ে ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় এসব বাধা চোখে না পড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তাদের দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

‎ এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশ–এর শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান বলেন, মহাসড়কের ওপর কোনো ধরনের অবৈধ দখল বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা দ্রুত সেখানে অভিযান পরিচালনা করে রাস্তার ওপর ফেলে রাখা স-মিলের গাছ অপসারণ এবং অবৈধভাবে বসানো ভাসমান দোকান উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেব।

‎তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে নিরাপদ যান চলাচল নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ নিয়মিত তদারকি করছে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মহাসড়ক দখল করে গাছ ফেলে রাখা ও দোকান বসানো শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে মহাসড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি।