সিলেট ০২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎সাজেকে রাজনৈতিক “জয় বাংলা “স্লোগানের অভিযোগে হবিগঞ্জের ৩ জনসহ আটক ৬ বানিয়াচংয়ে ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ডের শুভ উদ্বোধন: মুখরিত ক্রীড়াঙ্গন, উদ্বেলিত তরুণ সমাজ‎ নবীগঞ্জে মশাল মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলায় গ্রেপ্তার ৫ ‎লাখাইয়ে যথাযথ মর্যাদায় কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত হবিগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে বিয়ে, দুই সপ্তাহ পরই চুরি-মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার বাড়ি থেকে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি ‎পূর্ববিরোধের জেরে বানিয়াচংয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে জামালপুরে রোটারী ক্লাবের বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র‍্যালি ‎শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার: জামালপুর সমিতির সংবর্ধনায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ‎মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন তিন সাংবাদিক, কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা

ধনবাড়ীতে নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: আটক ২

নিহত মারিয়া মীম (ফাইল ছবি) পাশে ভ্যানে তার লাশ




‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নিখোঁজের সাত দিন পর মারিয়া মিম (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
‎আজ রোববার ১ ফেব্রুয়ারি সকালে যদুনাথপুর বারইপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিউল ইসলাম রাফি ও সুমন নামে দুই তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।
‎আটককৃত রাফি (২২) রহিম মিয়া পুত্র ও সুমন (৩০) ময়ান মিয়ার ছেলে। তাদের বাড়ী একই এলাকায়। আটকৃত সুমন (৩০) বিবাহিত ও কয়েক সন্তানের পিতা!

‎পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিন ধরে শিশু মারিয়া নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে নিখোঁজ শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ধনবাড়ী থানায় জিডি করেন।

‎আজ ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় কয়েকজন পথচারীরা নান্নু মিয়া দপ্তরীর একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পান। তারা পুলিশ কে খবর দেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
‎পরে নিহত শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ও মাতা জবেদা বেগম তার মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন।
‎যদিও নান্নু দপ্তরী বাড়ীটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন পরে আছে, তিনি অনেক আগেই মারা গেছেন। তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে থাকেন না বলে প্রতিবেশীরা জানান।
‎মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



‎নিহত মারিয়ার খালাত ভাই মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের সাথে আলাপ কালে তিনি অভিযোগ করেন, তার বোনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, এই ঘটনার সাথে শুধু আটক সুমন ও রাফি নয়, আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে? আমি আমার বোন হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই। নিহত শিশুর মা জবেদা বেগম মেয়ের লাশের পাশে বার-বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। তিনি সন্তান হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবী করেন।



‎ধনবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত তা শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মারিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য থানা ভেতর ভ্যানে রাখা ছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সাজেকে রাজনৈতিক “জয় বাংলা “স্লোগানের অভিযোগে হবিগঞ্জের ৩ জনসহ আটক ৬

ধনবাড়ীতে নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: আটক ২

সময় ০২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিহত মারিয়া মীম (ফাইল ছবি) পাশে ভ্যানে তার লাশ




‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নিখোঁজের সাত দিন পর মারিয়া মিম (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
‎আজ রোববার ১ ফেব্রুয়ারি সকালে যদুনাথপুর বারইপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিউল ইসলাম রাফি ও সুমন নামে দুই তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।
‎আটককৃত রাফি (২২) রহিম মিয়া পুত্র ও সুমন (৩০) ময়ান মিয়ার ছেলে। তাদের বাড়ী একই এলাকায়। আটকৃত সুমন (৩০) বিবাহিত ও কয়েক সন্তানের পিতা!

‎পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিন ধরে শিশু মারিয়া নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে নিখোঁজ শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ধনবাড়ী থানায় জিডি করেন।

‎আজ ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় কয়েকজন পথচারীরা নান্নু মিয়া দপ্তরীর একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পান। তারা পুলিশ কে খবর দেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
‎পরে নিহত শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ও মাতা জবেদা বেগম তার মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন।
‎যদিও নান্নু দপ্তরী বাড়ীটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন পরে আছে, তিনি অনেক আগেই মারা গেছেন। তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে থাকেন না বলে প্রতিবেশীরা জানান।
‎মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



‎নিহত মারিয়ার খালাত ভাই মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের সাথে আলাপ কালে তিনি অভিযোগ করেন, তার বোনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, এই ঘটনার সাথে শুধু আটক সুমন ও রাফি নয়, আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে? আমি আমার বোন হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই। নিহত শিশুর মা জবেদা বেগম মেয়ের লাশের পাশে বার-বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। তিনি সন্তান হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবী করেন।



‎ধনবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত তা শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মারিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য থানা ভেতর ভ্যানে রাখা ছিল।