সিলেট ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ‎জামালপুরে ইউপি শহীদ মিনারে মুরগি জবাই করে রক্ত-ময়লার স্তূপ: প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ হবিগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ডাকাতি ও ছিনতাইকারী মামলার পলাতক আসামি রিপন গ্রেপ্তার ‎মৌলভীবাজারে ৮ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, নগদ ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রাইভেটকার জব্দ‎ ‎জেলা সেরা থেকে রেঞ্জসেরা: শেরপুর ফাঁড়ির এসআই ওবায়দুল্লাহর সাফল্য ‎জামালপুরের মেলান্দহে ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিদর্শন করলেন ইউএনও জিন্নাতুল আরা ‎নগরীর আম্বরখানা থেকে ১০ কেজি গঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেপ্তার করল র‌্যাব। ‎শান্তিগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও ‘রাইট অব ওয়ে’ সংরক্ষণে কর্মশালা‎ র‌্যাবের অভিযানে অনলাইন জুয়া চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল ও টোকেন উদ্ধার গোয়াইনঘাটে অবৈধ পাথর উত্তোলনের অভিযোগে টাস্কফোর্সের অভিযান, আটক ৮

ধনবাড়ীতে নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: আটক ২

নিহত মারিয়া মীম (ফাইল ছবি) পাশে ভ্যানে তার লাশ




‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নিখোঁজের সাত দিন পর মারিয়া মিম (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
‎আজ রোববার ১ ফেব্রুয়ারি সকালে যদুনাথপুর বারইপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিউল ইসলাম রাফি ও সুমন নামে দুই তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।
‎আটককৃত রাফি (২২) রহিম মিয়া পুত্র ও সুমন (৩০) ময়ান মিয়ার ছেলে। তাদের বাড়ী একই এলাকায়। আটকৃত সুমন (৩০) বিবাহিত ও কয়েক সন্তানের পিতা!

‎পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিন ধরে শিশু মারিয়া নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে নিখোঁজ শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ধনবাড়ী থানায় জিডি করেন।

‎আজ ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় কয়েকজন পথচারীরা নান্নু মিয়া দপ্তরীর একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পান। তারা পুলিশ কে খবর দেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
‎পরে নিহত শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ও মাতা জবেদা বেগম তার মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন।
‎যদিও নান্নু দপ্তরী বাড়ীটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন পরে আছে, তিনি অনেক আগেই মারা গেছেন। তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে থাকেন না বলে প্রতিবেশীরা জানান।
‎মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



‎নিহত মারিয়ার খালাত ভাই মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের সাথে আলাপ কালে তিনি অভিযোগ করেন, তার বোনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, এই ঘটনার সাথে শুধু আটক সুমন ও রাফি নয়, আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে? আমি আমার বোন হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই। নিহত শিশুর মা জবেদা বেগম মেয়ের লাশের পাশে বার-বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। তিনি সন্তান হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবী করেন।



‎ধনবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত তা শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মারিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য থানা ভেতর ভ্যানে রাখা ছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন

ধনবাড়ীতে নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: আটক ২

সময় ০২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিহত মারিয়া মীম (ফাইল ছবি) পাশে ভ্যানে তার লাশ




‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নিখোঁজের সাত দিন পর মারিয়া মিম (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
‎আজ রোববার ১ ফেব্রুয়ারি সকালে যদুনাথপুর বারইপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিউল ইসলাম রাফি ও সুমন নামে দুই তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।
‎আটককৃত রাফি (২২) রহিম মিয়া পুত্র ও সুমন (৩০) ময়ান মিয়ার ছেলে। তাদের বাড়ী একই এলাকায়। আটকৃত সুমন (৩০) বিবাহিত ও কয়েক সন্তানের পিতা!

‎পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিন ধরে শিশু মারিয়া নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে নিখোঁজ শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ধনবাড়ী থানায় জিডি করেন।

‎আজ ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় কয়েকজন পথচারীরা নান্নু মিয়া দপ্তরীর একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পান। তারা পুলিশ কে খবর দেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
‎পরে নিহত শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ও মাতা জবেদা বেগম তার মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন।
‎যদিও নান্নু দপ্তরী বাড়ীটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন পরে আছে, তিনি অনেক আগেই মারা গেছেন। তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে থাকেন না বলে প্রতিবেশীরা জানান।
‎মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



‎নিহত মারিয়ার খালাত ভাই মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের সাথে আলাপ কালে তিনি অভিযোগ করেন, তার বোনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, এই ঘটনার সাথে শুধু আটক সুমন ও রাফি নয়, আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে? আমি আমার বোন হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই। নিহত শিশুর মা জবেদা বেগম মেয়ের লাশের পাশে বার-বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। তিনি সন্তান হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবী করেন।



‎ধনবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত তা শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মারিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য থানা ভেতর ভ্যানে রাখা ছিল।