সিলেট ০৫:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎টাঙ্গাইলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎জুড়ীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ‎গোয়াইনঘাটে ৭১ বোতল বিদেশি মদসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, পরে ধরা পড়ল ১০০ খাতা জব্দ, দায়িত্ব হারালেন ৩ কর্মকর্তা ‎মাধবপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার ‎শেরপুর সেতুতে ৩৬ ঘণ্টা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভোগান্তির আশঙ্কা ‎বিয়ানীবাজার থেকে ৩ এসএসসি-দাখিল পরীক্ষার্থী ছাত্রী উধাও টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে ৯৬৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার এতিমখানার নামে চাঁদাবাজি: বানিয়াচংয়ে জনতার হাতে ধরা ‘টিকটকার’ ভণ্ড প্রতারক! বানিয়াচংয়ে ভাতিজার হাতে চাচা খুন: মামলায় স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন

‎মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী: বিনম্র শ্রদ্ধা ও নানা আয়োজনে স্মরণ‎


‎আজ উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী।
‎তিনি ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাঁকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে সমাহিত করা হয়।

‎মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর পরিবার, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ভক্ত-অনুসারী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে সন্তোষে তাঁর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া, মিলাদ মাহফিলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই মহান নেতাকে স্মরণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তাঁর ভক্ত-অনুসারীরা সন্তোষে এসে উপস্থিত হয়েছেন।

‎এছাড়াও, মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চলছে সাত দিনব্যাপী ভাসানী মেলা

‎অধিকারবঞ্চিত ও মেহনতি মানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত মওলানা ভাসানী আজীবন শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন।
‎জাতীয় সংকটে সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলেছেন তিনি।
‎ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া এই নেতার জীবন ছিল সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর। শোষণমুক্ত, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশেও তিনি রেখে গেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

‎১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। তবে জীবনের বড় অংশ কেটেছে টাঙ্গাইলের সন্তোষে। কৈশোর-যৌবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

‎তিনি ছিলেন তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন তিনি।মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
‎তাঁর ভক্ত-অনুসারী ও দেশপ্রেমিক জনগণ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে এই মহান নেতাকে স্মরণ করা হচ্ছে।
‎অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

‎তথ্যসূত্র- বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে সংগৃহীত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎টাঙ্গাইলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

‎মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী: বিনম্র শ্রদ্ধা ও নানা আয়োজনে স্মরণ‎

সময় ০৭:০৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫


‎আজ উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী।
‎তিনি ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাঁকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে সমাহিত করা হয়।

‎মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর পরিবার, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ভক্ত-অনুসারী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে সন্তোষে তাঁর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া, মিলাদ মাহফিলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই মহান নেতাকে স্মরণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তাঁর ভক্ত-অনুসারীরা সন্তোষে এসে উপস্থিত হয়েছেন।

‎এছাড়াও, মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চলছে সাত দিনব্যাপী ভাসানী মেলা

‎অধিকারবঞ্চিত ও মেহনতি মানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত মওলানা ভাসানী আজীবন শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন।
‎জাতীয় সংকটে সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলেছেন তিনি।
‎ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া এই নেতার জীবন ছিল সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর। শোষণমুক্ত, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশেও তিনি রেখে গেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

‎১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। তবে জীবনের বড় অংশ কেটেছে টাঙ্গাইলের সন্তোষে। কৈশোর-যৌবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

‎তিনি ছিলেন তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন তিনি।মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
‎তাঁর ভক্ত-অনুসারী ও দেশপ্রেমিক জনগণ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে এই মহান নেতাকে স্মরণ করা হচ্ছে।
‎অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

‎তথ্যসূত্র- বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে সংগৃহীত।