সিলেট ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার ‎তামাবিলে সড়কের পাশে পাথর ডাম্পিং, মামার বাজার-মোহাম্মদপুরে যত্রতত্র ট্রাক পার্কিং; যানজটে ভোগান্তি ‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২ ‎কোম্পানীগঞ্জে ৬৮ বোতল বিদেশী মদ ও এসকাফ সিরাপ সহ গ্রেফতার ২ ‎টাঙ্গাইলের মধুপুরে বসতঘর থেকে প্রায় ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ‎সুন্দর, মানবিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে সাহিত্যের কোনো বিকল্প নেইঃ ভিসি প্রফেসর ড. জহিরুল হক‎ মাধবপুরে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫‎ ‘বীরাঙ্গনা মা’ ও ‘যুদ্ধ শিশু’ মেয়ের বাড়িঘর দখল চেষ্টার অভিযোগ চুনারুঘাটে মদ্যপান করে মাকে মারধর করার অভিযোগ যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান উপলক্ষে আলোচনা সভা‎
‎বানিয়াচং একদিনে ২ লাশ উদ্ধার।

‎পুলিশ সদস্য ভাই’র প্রেমের জেরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে যুবক খুন‎

  • এ আর রুমন
  • সময় ১২:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • 314

নিহত সাদেক মিয়ার নিথর দেহ হাসপাতালের মর্গে।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বলাকিপুর গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ অক্টোবর (বুধবার) বিকাল ৫টার দিকে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বানিয়াচংয়ের বলাকিপুর গ্রামের সারাজ মোল্লার ছেলে রিয়াদের বোনকে একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছোট ভাই পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসতেন।
‎তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল এবং এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া রিয়াদের বোনকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। এই বিয়ে রিয়াদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে পারেননি, যার ফলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

‎এই প্রেমের জের ও বিয়ে মেনে নিতে না পারার প্রতিশোধ নিতে রিয়াদ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়ার বড় ভাই সাদেক মিয়ার (২৫) ওপর হামলা চালায়।
‎হামলায় সাদেক মিয়া ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজনদের আহাজারিতে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

‎ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত রিয়াদ পালিয়ে যায়। গ্রামে হামলার ঘটনা ও সাদেক মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
‎সন্ধ্যার দিকে বানিয়াচং থানা পুলিশ জানায়, সাদেক মিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত রিয়াদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

‎রাত ১১টা ১০মিনিটে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাদেক মিয়ার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
‎তিনি জানান, সেই দিন দুটি হত্যাকাণ্ডের মূল মোটিভ উন্মোচনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে তিনি সহ পুলিশ বাহিনী অভিযানে রয়েছে।

‎তবে এই দুটি ঘটনায় রাত ১১টা ১০মিনিট পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ওসি মিজানুর রহমান আরও জানান, মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল ও সাদেকের লাশ, হাসপাতালে ডাক্তার না আজকে ময়নাতদন্ত হচ্ছে না। আগামীকাল ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে দুটি লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।
‎উভয় পরিবারের লোকজন লাশের জন্য আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার

‎বানিয়াচং একদিনে ২ লাশ উদ্ধার।

‎পুলিশ সদস্য ভাই’র প্রেমের জেরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে যুবক খুন‎

সময় ১২:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

নিহত সাদেক মিয়ার নিথর দেহ হাসপাতালের মর্গে।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বলাকিপুর গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ অক্টোবর (বুধবার) বিকাল ৫টার দিকে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বানিয়াচংয়ের বলাকিপুর গ্রামের সারাজ মোল্লার ছেলে রিয়াদের বোনকে একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছোট ভাই পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসতেন।
‎তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল এবং এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া রিয়াদের বোনকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। এই বিয়ে রিয়াদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে পারেননি, যার ফলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

‎এই প্রেমের জের ও বিয়ে মেনে নিতে না পারার প্রতিশোধ নিতে রিয়াদ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়ার বড় ভাই সাদেক মিয়ার (২৫) ওপর হামলা চালায়।
‎হামলায় সাদেক মিয়া ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজনদের আহাজারিতে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

‎ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত রিয়াদ পালিয়ে যায়। গ্রামে হামলার ঘটনা ও সাদেক মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
‎সন্ধ্যার দিকে বানিয়াচং থানা পুলিশ জানায়, সাদেক মিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত রিয়াদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

‎রাত ১১টা ১০মিনিটে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাদেক মিয়ার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
‎তিনি জানান, সেই দিন দুটি হত্যাকাণ্ডের মূল মোটিভ উন্মোচনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে তিনি সহ পুলিশ বাহিনী অভিযানে রয়েছে।

‎তবে এই দুটি ঘটনায় রাত ১১টা ১০মিনিট পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ওসি মিজানুর রহমান আরও জানান, মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল ও সাদেকের লাশ, হাসপাতালে ডাক্তার না আজকে ময়নাতদন্ত হচ্ছে না। আগামীকাল ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে দুটি লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।
‎উভয় পরিবারের লোকজন লাশের জন্য আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।