সিলেট ০২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন
‎বানিয়াচং একদিনে ২ লাশ উদ্ধার।

‎পুলিশ সদস্য ভাই’র প্রেমের জেরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে যুবক খুন‎

  • এ আর রুমন
  • সময় ১২:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • 272

নিহত সাদেক মিয়ার নিথর দেহ হাসপাতালের মর্গে।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বলাকিপুর গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ অক্টোবর (বুধবার) বিকাল ৫টার দিকে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বানিয়াচংয়ের বলাকিপুর গ্রামের সারাজ মোল্লার ছেলে রিয়াদের বোনকে একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছোট ভাই পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসতেন।
‎তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল এবং এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া রিয়াদের বোনকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। এই বিয়ে রিয়াদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে পারেননি, যার ফলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

‎এই প্রেমের জের ও বিয়ে মেনে নিতে না পারার প্রতিশোধ নিতে রিয়াদ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়ার বড় ভাই সাদেক মিয়ার (২৫) ওপর হামলা চালায়।
‎হামলায় সাদেক মিয়া ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজনদের আহাজারিতে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

‎ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত রিয়াদ পালিয়ে যায়। গ্রামে হামলার ঘটনা ও সাদেক মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
‎সন্ধ্যার দিকে বানিয়াচং থানা পুলিশ জানায়, সাদেক মিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত রিয়াদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

‎রাত ১১টা ১০মিনিটে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাদেক মিয়ার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
‎তিনি জানান, সেই দিন দুটি হত্যাকাণ্ডের মূল মোটিভ উন্মোচনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে তিনি সহ পুলিশ বাহিনী অভিযানে রয়েছে।

‎তবে এই দুটি ঘটনায় রাত ১১টা ১০মিনিট পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ওসি মিজানুর রহমান আরও জানান, মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল ও সাদেকের লাশ, হাসপাতালে ডাক্তার না আজকে ময়নাতদন্ত হচ্ছে না। আগামীকাল ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে দুটি লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।
‎উভয় পরিবারের লোকজন লাশের জন্য আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎বানিয়াচং একদিনে ২ লাশ উদ্ধার।

‎পুলিশ সদস্য ভাই’র প্রেমের জেরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে যুবক খুন‎

সময় ১২:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

নিহত সাদেক মিয়ার নিথর দেহ হাসপাতালের মর্গে।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বলাকিপুর গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ অক্টোবর (বুধবার) বিকাল ৫টার দিকে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বানিয়াচংয়ের বলাকিপুর গ্রামের সারাজ মোল্লার ছেলে রিয়াদের বোনকে একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছোট ভাই পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসতেন।
‎তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল এবং এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া রিয়াদের বোনকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। এই বিয়ে রিয়াদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে পারেননি, যার ফলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

‎এই প্রেমের জের ও বিয়ে মেনে নিতে না পারার প্রতিশোধ নিতে রিয়াদ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়ার বড় ভাই সাদেক মিয়ার (২৫) ওপর হামলা চালায়।
‎হামলায় সাদেক মিয়া ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজনদের আহাজারিতে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

‎ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত রিয়াদ পালিয়ে যায়। গ্রামে হামলার ঘটনা ও সাদেক মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
‎সন্ধ্যার দিকে বানিয়াচং থানা পুলিশ জানায়, সাদেক মিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত রিয়াদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

‎রাত ১১টা ১০মিনিটে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাদেক মিয়ার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
‎তিনি জানান, সেই দিন দুটি হত্যাকাণ্ডের মূল মোটিভ উন্মোচনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে তিনি সহ পুলিশ বাহিনী অভিযানে রয়েছে।

‎তবে এই দুটি ঘটনায় রাত ১১টা ১০মিনিট পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ওসি মিজানুর রহমান আরও জানান, মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল ও সাদেকের লাশ, হাসপাতালে ডাক্তার না আজকে ময়নাতদন্ত হচ্ছে না। আগামীকাল ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে দুটি লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।
‎উভয় পরিবারের লোকজন লাশের জন্য আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।