সিলেট ০৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎ওসমানীনগরে পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি সাকিব গ্রেফতার; র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান ‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে ২৬ বোতল ইসকফসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার‎ ‎মাধবপুরের শাহপুরে রাস্তা দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৪ ‎মাধবপুরে রাতের আঁধারে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় উত্তেজনা ‎টাঙ্গাইলে নদী উদ্ধার প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হুমকি ও অপপ্রচার ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা। সিলেটে গোয়াইনঘাটে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফরিদ মিয়া র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার দক্ষিণ সুরমায় ৫ লক্ষ টাকার ভারতীয় ফুসকাসহ গ্রেফতার ২, কাভার্ডভ্যান জব্দ ‎ধনবাড়ীতে গাঁজার গাছসহ নারী গ্রেফতার,‎ স্বামী পলাতক! ‎​মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড: সর্দার রুবেলসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
‎বানিয়াচং একদিনে ২ লাশ উদ্ধার।

‎পুলিশ সদস্য ভাই’র প্রেমের জেরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে যুবক খুন‎

  • এ আর রুমন
  • সময় ১২:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • 239

নিহত সাদেক মিয়ার নিথর দেহ হাসপাতালের মর্গে।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বলাকিপুর গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ অক্টোবর (বুধবার) বিকাল ৫টার দিকে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বানিয়াচংয়ের বলাকিপুর গ্রামের সারাজ মোল্লার ছেলে রিয়াদের বোনকে একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছোট ভাই পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসতেন।
‎তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল এবং এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া রিয়াদের বোনকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। এই বিয়ে রিয়াদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে পারেননি, যার ফলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

‎এই প্রেমের জের ও বিয়ে মেনে নিতে না পারার প্রতিশোধ নিতে রিয়াদ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়ার বড় ভাই সাদেক মিয়ার (২৫) ওপর হামলা চালায়।
‎হামলায় সাদেক মিয়া ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজনদের আহাজারিতে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

‎ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত রিয়াদ পালিয়ে যায়। গ্রামে হামলার ঘটনা ও সাদেক মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
‎সন্ধ্যার দিকে বানিয়াচং থানা পুলিশ জানায়, সাদেক মিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত রিয়াদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

‎রাত ১১টা ১০মিনিটে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাদেক মিয়ার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
‎তিনি জানান, সেই দিন দুটি হত্যাকাণ্ডের মূল মোটিভ উন্মোচনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে তিনি সহ পুলিশ বাহিনী অভিযানে রয়েছে।

‎তবে এই দুটি ঘটনায় রাত ১১টা ১০মিনিট পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ওসি মিজানুর রহমান আরও জানান, মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল ও সাদেকের লাশ, হাসপাতালে ডাক্তার না আজকে ময়নাতদন্ত হচ্ছে না। আগামীকাল ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে দুটি লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।
‎উভয় পরিবারের লোকজন লাশের জন্য আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ওসমানীনগরে পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি সাকিব গ্রেফতার; র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান

‎বানিয়াচং একদিনে ২ লাশ উদ্ধার।

‎পুলিশ সদস্য ভাই’র প্রেমের জেরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে যুবক খুন‎

সময় ১২:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

নিহত সাদেক মিয়ার নিথর দেহ হাসপাতালের মর্গে।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বলাকিপুর গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ অক্টোবর (বুধবার) বিকাল ৫টার দিকে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বানিয়াচংয়ের বলাকিপুর গ্রামের সারাজ মোল্লার ছেলে রিয়াদের বোনকে একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছোট ভাই পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসতেন।
‎তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল এবং এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়া রিয়াদের বোনকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। এই বিয়ে রিয়াদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে পারেননি, যার ফলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

‎এই প্রেমের জের ও বিয়ে মেনে নিতে না পারার প্রতিশোধ নিতে রিয়াদ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্য এনায়েদ মিয়ার বড় ভাই সাদেক মিয়ার (২৫) ওপর হামলা চালায়।
‎হামলায় সাদেক মিয়া ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজনদের আহাজারিতে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

‎ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত রিয়াদ পালিয়ে যায়। গ্রামে হামলার ঘটনা ও সাদেক মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
‎সন্ধ্যার দিকে বানিয়াচং থানা পুলিশ জানায়, সাদেক মিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত রিয়াদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

‎রাত ১১টা ১০মিনিটে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাদেক মিয়ার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
‎তিনি জানান, সেই দিন দুটি হত্যাকাণ্ডের মূল মোটিভ উন্মোচনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে তিনি সহ পুলিশ বাহিনী অভিযানে রয়েছে।

‎তবে এই দুটি ঘটনায় রাত ১১টা ১০মিনিট পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ওসি মিজানুর রহমান আরও জানান, মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল ও সাদেকের লাশ, হাসপাতালে ডাক্তার না আজকে ময়নাতদন্ত হচ্ছে না। আগামীকাল ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে দুটি লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।
‎উভয় পরিবারের লোকজন লাশের জন্য আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।