সিলেট ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন বানিয়াচংয়ে ইসলামি সংগ্রাম পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সভাপতিঃ মাওঃ আব্দাল খান, সেক্রেটারিঃ মাওঃ মশিউর রহমান
‎বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ! 

‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার




‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার একমাত্র আসামি তুহিন আহম্মদ হৃদয়কে (২৪) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) রাতে সিলেট নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন আম্বরখানা পয়েন্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত তুহিন আহম্মদ হৃদয় হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার উত্তর দেবপাড়া এলাকার মোঃ দুলু মিয়ার ছেলে।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ভিকটিম ও আসামি তুহিন সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন এবং একই বাড়ির পাশাপাশি ঘরে বসবাস করতেন। তুহিন প্রায়ই ভিকটিমকে কুপ্রস্তাব দিত। ভিকটিম তা প্রত্যাখ্যান করলে সে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু ভিকটিম অভিভাবকের মতামত ছাড়া রাজী হননি।
‎পরবর্তীতে গত ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখ দুপুরে ঘরে একা পেয়ে তুহিন অচিরেই বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে ভিকটিমকে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপরও বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তুহিন বাড়ি থেকে আত্মগোপন করে।

‎ভিকটিমের শারীরিক পরিবর্তন দেখে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। এই নিয়ে পরবর্তীতে এলাকায় একটি গ্রাম্য শালিস বৈঠক বসানো হলে, সেখানে তুহিন বিয়ের প্রলোভনে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। তবে পরবর্তীতে মীমাংসা না হওয়ায় ভিকটিম বাদী হয়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় ৩০ মে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৩/১২৫। মামলা দায়েরের পর থেকেই র‍্যাব-৯ ঘটনার ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।

‎গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১১ জুন  রাত আনুমানিক ৯.২৫ মিনিটে সিলেট কোতোয়ালী থানার আম্বরখানা পয়েন্টের একটি রেস্তোরাঁর সামনে অভিযান চালিয়ে মামলার একমাত্র আসামি তুহিনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেট-এর একটি আভিযানিক দল।

র‍্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের এমন অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার

‎বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ! 

‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার

সময় ০২:৫৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬




‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার একমাত্র আসামি তুহিন আহম্মদ হৃদয়কে (২৪) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) রাতে সিলেট নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন আম্বরখানা পয়েন্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত তুহিন আহম্মদ হৃদয় হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার উত্তর দেবপাড়া এলাকার মোঃ দুলু মিয়ার ছেলে।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ভিকটিম ও আসামি তুহিন সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন এবং একই বাড়ির পাশাপাশি ঘরে বসবাস করতেন। তুহিন প্রায়ই ভিকটিমকে কুপ্রস্তাব দিত। ভিকটিম তা প্রত্যাখ্যান করলে সে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু ভিকটিম অভিভাবকের মতামত ছাড়া রাজী হননি।
‎পরবর্তীতে গত ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখ দুপুরে ঘরে একা পেয়ে তুহিন অচিরেই বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে ভিকটিমকে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপরও বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তুহিন বাড়ি থেকে আত্মগোপন করে।

‎ভিকটিমের শারীরিক পরিবর্তন দেখে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। এই নিয়ে পরবর্তীতে এলাকায় একটি গ্রাম্য শালিস বৈঠক বসানো হলে, সেখানে তুহিন বিয়ের প্রলোভনে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। তবে পরবর্তীতে মীমাংসা না হওয়ায় ভিকটিম বাদী হয়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় ৩০ মে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৩/১২৫। মামলা দায়েরের পর থেকেই র‍্যাব-৯ ঘটনার ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।

‎গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১১ জুন  রাত আনুমানিক ৯.২৫ মিনিটে সিলেট কোতোয়ালী থানার আম্বরখানা পয়েন্টের একটি রেস্তোরাঁর সামনে অভিযান চালিয়ে মামলার একমাত্র আসামি তুহিনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেট-এর একটি আভিযানিক দল।

র‍্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের এমন অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।