
মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমানকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও চরিত্রহননের উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি ভুয়া, বিকৃত ও অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এম নাসের রহমান দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার করেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অন্য একজনের শরীরে তাঁর মুখের ছবি সংযুক্ত করে কৃত্রিমভাবে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং প্রযুক্তিগত ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে।
এম নাসের রহমান আরও জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে সরকারের একটি বিশেষায়িত সংস্থা কাজ করছে।
সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো ধরনের তথ্য বা ভিডিওর সত্যতা যাচাই ছাড়া তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বা পুনঃপ্রচার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। তাঁর মতে, এআই-নির্মিত ভুয়া ভিডিও বা ছবি ছড়ানো কিংবা পুনঃপ্রচার করাও প্রচলিত তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ হতে পারে।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ভুয়া তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর অপপ্রচার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ নাগরিকদেরও সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, এই অভিযোগ ও বক্তব্য এম নাসের রহমানের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে।
আব্দুস সামাদ আজাদ মৌলভীবাজারঃ 










