সিলেট ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের দায়িত্ব গ্রহণ ‎কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি মাদক কারবারিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই ক্লোজ! ‎নান্দিনা-লক্ষীরচর সেতুর উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি ওয়ারেছ আলী মামুন‎ শেরপুর ও সরকার বাজারে প্রকাশ্যে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ: ‘ইয়াবা মজনু’ আটকের পরও থামছে না মাদক ব্যবসা! ‎গোপালপুরকে হারিয়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি ইসলামপুরে ৫০০ পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ‎ ‎জামালপুর এর সরিষাবাড়িতে “ঝিনাই বৈরান সাহিত্য পরিষদ” এর ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গুণীজন সংবর্ধনা -২০২৬ অনুষ্ঠিত ‎অপরিকল্পিত নগরায়ন ও ড্রেন না থাকায় দিগপাইতে জলাবদ্ধতা: চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও ব্যবসায়ীরা শ্রীমঙ্গল স্টেশনে আকস্মিক পরিদর্শনে শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী‎

‎অপরিকল্পিত নগরায়ন ও ড্রেন না থাকায় দিগপাইতে জলাবদ্ধতা: চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও ব্যবসায়ীরা


‎অপরিকল্পিত নগরায়ন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত উপ-শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই মারাত্মক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে মহাসড়কে চলাচলকারী হাজারো মানুষকে। এই অবর্ণনীয় দুর্ভোগ থেকে প্রতিকার পেতে এবং দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।

‎​সরেজমিনে দেখা যায়, একটু বৃষ্টি হলেই দিগপাইত এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। পানিনিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দিনের পর দিন আটকে থাকে, যা জনজীবনের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করছে।
‎​জলাবদ্ধতার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সচেতন নাগরিক খোকা মিয়া বলেন, আমরা প্রতিদিন চলাচল করি কিন্তু, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে একাকার হয়ে যায়। ময়লা পানির দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে পড়ে। প্রতিদিন স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বাজারের মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে এই দুরবস্থার মধ্য দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। ড্রেন না থাকায় আশেপাশের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে যায়, ফলে ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন। আমরা এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত একটি পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের মাধ্যমে এর স্থায়ী সমাধান দাবি করছি।

‎​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ এই দিগপাইত এলাকা। প্রতিদিন এই উপ-শহরের ওপর দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সাধারণ মানুষ চলাচল করেন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার ছোট-বড় যানবাহন যাতায়াত করে।

‎​রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনগুলো চরম ধীরগতিতে চলতে বাধ্য হয়। ফলে প্রায়শই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং জলাবদ্ধ পানির নিচে থাকা খানাখন্দে পড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং নারী যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।

‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এমন দুরবস্থা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। অনতিবিলম্বে একটি পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করে দিগপাইত উপ-শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের দায়িত্ব গ্রহণ

‎অপরিকল্পিত নগরায়ন ও ড্রেন না থাকায় দিগপাইতে জলাবদ্ধতা: চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও ব্যবসায়ীরা

সময় ০৭:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬


‎অপরিকল্পিত নগরায়ন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত উপ-শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই মারাত্মক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে মহাসড়কে চলাচলকারী হাজারো মানুষকে। এই অবর্ণনীয় দুর্ভোগ থেকে প্রতিকার পেতে এবং দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।

‎​সরেজমিনে দেখা যায়, একটু বৃষ্টি হলেই দিগপাইত এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। পানিনিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দিনের পর দিন আটকে থাকে, যা জনজীবনের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করছে।
‎​জলাবদ্ধতার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সচেতন নাগরিক খোকা মিয়া বলেন, আমরা প্রতিদিন চলাচল করি কিন্তু, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে একাকার হয়ে যায়। ময়লা পানির দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে পড়ে। প্রতিদিন স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বাজারের মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে এই দুরবস্থার মধ্য দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। ড্রেন না থাকায় আশেপাশের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে যায়, ফলে ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন। আমরা এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত একটি পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের মাধ্যমে এর স্থায়ী সমাধান দাবি করছি।

‎​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ এই দিগপাইত এলাকা। প্রতিদিন এই উপ-শহরের ওপর দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সাধারণ মানুষ চলাচল করেন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার ছোট-বড় যানবাহন যাতায়াত করে।

‎​রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনগুলো চরম ধীরগতিতে চলতে বাধ্য হয়। ফলে প্রায়শই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং জলাবদ্ধ পানির নিচে থাকা খানাখন্দে পড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং নারী যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।

‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এমন দুরবস্থা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। অনতিবিলম্বে একটি পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করে দিগপাইত উপ-শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।