সিলেট ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎

কামরুল তালুকদারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

‎
‎জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত উপশহর এলাকায় কামরুল তালুকদার (৬০) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তার শশুর সিরাজুল ইসলামের মার্কেটের দ্বিতীয় তলার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
‎
‎নিহত কামরুল তালুকদার টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার চালাষ মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত ছাত্তার তালুকদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে দিগপাইত উপশহরে ঢেউটিনের ব্যবসা করে আসছিলেন।
‎
‎ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও তার দোকানের কর্মচারী গোপাল জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কামরুলের সঙ্গে সর্বশেষ তার কথা হয়। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে দোকানের কাজের প্রয়োজনে তিনি কামরুলের বাসায় যান। সেখানে গিয়ে দেখেন দরজার ভেতর থেকে আটকানো। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি পেছনের জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে পান কামরুলের মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুল তালুকদার দিগপাইত ডি কে উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সিরাজুল হকের মেয়ের জামাই ছিলেন। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ২০২০ সালের দিকে পারিবারিক কলহের জের ধরে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। এরপর থেকে কামরুল আলাদাভাবে বসবাস করতেন। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে, তিনি ব্যবসায়িক ভাবে ঋণগ্রস্ত  ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি এমন পথ বেছে নিলেন বা এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।


‎
‎এ বিষয়ে তার শশুর বাড়ির আত্মীয় (চাচা শশুর) মুকুল মেম্বার বলেন, ছয় বছর আগে থেকেই আমাদের সাথে তার কোনো আত্মীয় সম্পর্ক নেই। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা আমাদের জানা নেই।
‎তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মকবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎

সময় ০৫:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
কামরুল তালুকদারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

‎
‎জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত উপশহর এলাকায় কামরুল তালুকদার (৬০) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তার শশুর সিরাজুল ইসলামের মার্কেটের দ্বিতীয় তলার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
‎
‎নিহত কামরুল তালুকদার টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার চালাষ মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত ছাত্তার তালুকদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে দিগপাইত উপশহরে ঢেউটিনের ব্যবসা করে আসছিলেন।
‎
‎ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও তার দোকানের কর্মচারী গোপাল জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কামরুলের সঙ্গে সর্বশেষ তার কথা হয়। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে দোকানের কাজের প্রয়োজনে তিনি কামরুলের বাসায় যান। সেখানে গিয়ে দেখেন দরজার ভেতর থেকে আটকানো। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি পেছনের জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে পান কামরুলের মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুল তালুকদার দিগপাইত ডি কে উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সিরাজুল হকের মেয়ের জামাই ছিলেন। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ২০২০ সালের দিকে পারিবারিক কলহের জের ধরে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। এরপর থেকে কামরুল আলাদাভাবে বসবাস করতেন। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে, তিনি ব্যবসায়িক ভাবে ঋণগ্রস্ত  ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি এমন পথ বেছে নিলেন বা এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।


‎
‎এ বিষয়ে তার শশুর বাড়ির আত্মীয় (চাচা শশুর) মুকুল মেম্বার বলেন, ছয় বছর আগে থেকেই আমাদের সাথে তার কোনো আত্মীয় সম্পর্ক নেই। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা আমাদের জানা নেই।
‎তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মকবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।