সিলেট ০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে বিয়ে, দুই সপ্তাহ পরই চুরি-মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার বাড়ি থেকে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি ‎পূর্ববিরোধের জেরে বানিয়াচংয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে জামালপুরে রোটারী ক্লাবের বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র‍্যালি ‎শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার: জামালপুর সমিতির সংবর্ধনায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ‎মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন তিন সাংবাদিক, কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা ‎৮ মাসে ৯১৩ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ: জুড়ীতে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাফল্যের তথ্য জানালো ৫২ বিজিবি বালাগঞ্জে দিনব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিলেটের জেলা প্রশাসক ওসমানীনগরে সাবেক মেম্বার আতিক হত্যা: বিশ্বনাথ থেকে এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার করল এসআরবি-৯ ‎নবীগঞ্জে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও সুলতানা জেরিন এর মতবিনিময়

‎কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

বিএনপি নেতা মীর খোরশেদ আলম; পাশে তাকে পাঠানো বেনামি চিঠি ও কাফনের কাপড়।


‎হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিএনপি নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

‎শনিবার(১অগাস্ট) সকালে তার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে একটি বড় পার্সেলের মাধ্যমে কাফনের কাপড়সহ একটি বেনামি চিঠি পৌঁছে যায়। চিঠিতে তাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, “পাওয়ার পর তোর জীবনে যা আছে করার করে নে। এরপর মাত্র কয়েকদিন বেঁচে থাকবি। আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম বুঝবি।

‎একই সঙ্গে চিঠিতে আরও যাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে তারা হলেন— আনোয়ার হোসেন, মাহমুদ হোসেন, মিসির আলি, আব্দুল গফুর, মিজান কন্ডাক্টর, বজলু, সৈয়দ শিব্বির, আনাস, তালহা, তানজিল ও নোমান।

‎এছাড়া চিঠিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাদের চেয়ারম্যান বানানোর কথাও লেখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

‎এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং বিষয়টি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে অবগত করেছেন। পাশাপাশি তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে চিঠি প্রেরণকারীকে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।

‎মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক ফরাস উদ্দিন বলেন, এ ধরনের হুমকির ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও সন্দেহ তৈরি হতে পারে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। এতে জনমনে বিদ্যমান উদ্বেগ দূর হবে এবং কোনো পক্ষ অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ পাবে না।

‎স্থানীয় যুবদল নেতা খিজির খান সোহেল বলেন, মীর খোরশেদ আলম একজন ত্যাগী নেতা। তাকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হলে দলীয়ভাবে তা মোকাবেলা করা হবে।

‎অভিযোগের বিষয়ে মীর খোরশেদ আলম বলেন, আমি জেনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। কারও কোনো ক্ষোভ থাকলে সরাসরি কথা বলতে পারে। অনেক সময় আমাকে নিয়ে ভুল তথ্য প্রকাশ হলেও আমি প্রতিক্রিয়া দেখাই না।

‎মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

‎উল্লেখ্য, মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং আদাউর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে বিয়ে, দুই সপ্তাহ পরই চুরি-মাদক মামলায় গ্রেপ্তার

‎কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

সময় ১০:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপি নেতা মীর খোরশেদ আলম; পাশে তাকে পাঠানো বেনামি চিঠি ও কাফনের কাপড়।


‎হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিএনপি নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

‎শনিবার(১অগাস্ট) সকালে তার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে একটি বড় পার্সেলের মাধ্যমে কাফনের কাপড়সহ একটি বেনামি চিঠি পৌঁছে যায়। চিঠিতে তাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, “পাওয়ার পর তোর জীবনে যা আছে করার করে নে। এরপর মাত্র কয়েকদিন বেঁচে থাকবি। আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম বুঝবি।

‎একই সঙ্গে চিঠিতে আরও যাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে তারা হলেন— আনোয়ার হোসেন, মাহমুদ হোসেন, মিসির আলি, আব্দুল গফুর, মিজান কন্ডাক্টর, বজলু, সৈয়দ শিব্বির, আনাস, তালহা, তানজিল ও নোমান।

‎এছাড়া চিঠিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাদের চেয়ারম্যান বানানোর কথাও লেখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

‎এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং বিষয়টি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে অবগত করেছেন। পাশাপাশি তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে চিঠি প্রেরণকারীকে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।

‎মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক ফরাস উদ্দিন বলেন, এ ধরনের হুমকির ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও সন্দেহ তৈরি হতে পারে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। এতে জনমনে বিদ্যমান উদ্বেগ দূর হবে এবং কোনো পক্ষ অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ পাবে না।

‎স্থানীয় যুবদল নেতা খিজির খান সোহেল বলেন, মীর খোরশেদ আলম একজন ত্যাগী নেতা। তাকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হলে দলীয়ভাবে তা মোকাবেলা করা হবে।

‎অভিযোগের বিষয়ে মীর খোরশেদ আলম বলেন, আমি জেনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। কারও কোনো ক্ষোভ থাকলে সরাসরি কথা বলতে পারে। অনেক সময় আমাকে নিয়ে ভুল তথ্য প্রকাশ হলেও আমি প্রতিক্রিয়া দেখাই না।

‎মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

‎উল্লেখ্য, মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং আদাউর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।