সিলেট ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব। হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত কয়েকজন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দলিল নেই, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা পাতন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সম্পন্ন ‎সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনে ১০ গাড়ির মালিককে জরিমানা নবীগঞ্জে আম গাছে থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার‎ ‘নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কাজী মোহাম্মদ জমিরুল ইসলাম মমতাজ‎ ‎৪৫০ শিক্ষার্থীর একমাত্র ভরসা গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়; পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস গ্রাম পুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি জাতীয়করণের দাবি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি নিয়ে...

দলিল নেই, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা


‎​সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কতিপয় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা কর্তকর্তার যোগসাজসে দলিল পত্রাদি বিহীন ব্যক্তিদের ‘জমিদাতা সদস্য’ বানিয়ে পকেট কমিটি গঠনের মাধ্যমে বিদ্যালয় দখলের প্রতিযোগিতা চলছে। এ ধরনের অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে গত ৮ জুলাই চান্দাইরপাড়া এলাকার নজির মিয়া ও ১৯ জুলাই তেঘরিয়া এলাকার শেখ খালেদ আহমেদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একাধিক অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার গুলো। এর আগে গত ৪-ঠা মে অভিযোগ করেছেন গৌরীনাথপুর এলাকার আহমদ আলী।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  ​উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়ালজুর ইউনিয়নের চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গৌরীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জমি না দিয়েও জমিদাতা সদস্য মনোনীত হয়েছেন। কোনোটি আবার ভূমিদাতাকে বাদ দিয়ে কমিটি গঠন করার অভিযোগ ওঠেছে। এছাড়াও উপজেলার আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে দাতা সদস্য নিয়ে একই ধরনের জটিলতা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। ​অভিযোগকারীরা আরো বলেন, জমি না দিয়েও যদি কেউ দাতা সদস্য বনে যান। তবে প্রকৃত দাতাদের অবমূল্যায়ন করা হয়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব পকেট কমিটি যেন অনুমোদন দেওয়া না হয়। এবং বিধি অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠন করেন।


‎এব্যাপারে বিদ্যালয়ের তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়া বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে এলাকার মানুষের কথায়, আবেগে ❛ইশা আনছারী❜কে দাতা কমিটিতে যুক্ত করেছি, এটা করা আমার উচিৎ হয়নি। চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ বলেন, প্রকৃত ভূমিদাতাকেই সদস্য করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেন নি তিনি। পশ্চিম গৌরীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক আলেখা বেগম বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশনায় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

‎এবিষয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ব্যাপারটা আমার জানা নেই, তবে টিও স্যারকে দেওয়া হতে পারে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিনা দেবনাথ বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি নিয়ে...

দলিল নেই, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা

সময় ০৮:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


‎​সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কতিপয় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা কর্তকর্তার যোগসাজসে দলিল পত্রাদি বিহীন ব্যক্তিদের ‘জমিদাতা সদস্য’ বানিয়ে পকেট কমিটি গঠনের মাধ্যমে বিদ্যালয় দখলের প্রতিযোগিতা চলছে। এ ধরনের অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে গত ৮ জুলাই চান্দাইরপাড়া এলাকার নজির মিয়া ও ১৯ জুলাই তেঘরিয়া এলাকার শেখ খালেদ আহমেদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একাধিক অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার গুলো। এর আগে গত ৪-ঠা মে অভিযোগ করেছেন গৌরীনাথপুর এলাকার আহমদ আলী।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  ​উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়ালজুর ইউনিয়নের চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গৌরীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জমি না দিয়েও জমিদাতা সদস্য মনোনীত হয়েছেন। কোনোটি আবার ভূমিদাতাকে বাদ দিয়ে কমিটি গঠন করার অভিযোগ ওঠেছে। এছাড়াও উপজেলার আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে দাতা সদস্য নিয়ে একই ধরনের জটিলতা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। ​অভিযোগকারীরা আরো বলেন, জমি না দিয়েও যদি কেউ দাতা সদস্য বনে যান। তবে প্রকৃত দাতাদের অবমূল্যায়ন করা হয়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব পকেট কমিটি যেন অনুমোদন দেওয়া না হয়। এবং বিধি অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠন করেন।


‎এব্যাপারে বিদ্যালয়ের তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়া বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে এলাকার মানুষের কথায়, আবেগে ❛ইশা আনছারী❜কে দাতা কমিটিতে যুক্ত করেছি, এটা করা আমার উচিৎ হয়নি। চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ বলেন, প্রকৃত ভূমিদাতাকেই সদস্য করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেন নি তিনি। পশ্চিম গৌরীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক আলেখা বেগম বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশনায় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

‎এবিষয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ব্যাপারটা আমার জানা নেই, তবে টিও স্যারকে দেওয়া হতে পারে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিনা দেবনাথ বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।