সিলেট ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
News Title :
সিলেটে ১০৮০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি ‎সবুজ কুলাউড়া গড়ার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ‎বাহুবলে গাঁজা ও ইয়াবাসহ যুবককে এক বছরের কারাদণ্ড বালাগঞ্জে দুইলক্ষ টাকার অবৈধ জাল জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়ানো‎ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের নতুন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম হারুনুর রশীদ লাখাইয়ে  আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।  হবিগঞ্জে কলেজছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করতে চান সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান

যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি


‎টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নেরনলিন-শাখারিয়া সীমান্ত এলাকায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন নতুন করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক সংলগ্ন নদীতীরে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে মহাসড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ির অংশও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ।স্থানীয়দের ভাষ্য ভোরের দিকে নদীর তীরে বড় ধরনের ধস নামতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হতে থাকে। ভাঙনের কারণে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এসব ফাটলের কারণে যেকোনো মুহূর্তে আরও ঘরবাড়ি কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এবারও সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভয়াবহ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দাবি। স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা, জরুরি ভিত্তিতে তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু এবং স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।


‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে শুধু গোপালপুর নয় আশপাশের আরও তিনটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বসতবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হতে পারে বলে স্থানীয়দের আশঙ্কা।

‎তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে ১০৮০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি

সময় ১০:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


‎টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নেরনলিন-শাখারিয়া সীমান্ত এলাকায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন নতুন করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক সংলগ্ন নদীতীরে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে মহাসড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ির অংশও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ।স্থানীয়দের ভাষ্য ভোরের দিকে নদীর তীরে বড় ধরনের ধস নামতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হতে থাকে। ভাঙনের কারণে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এসব ফাটলের কারণে যেকোনো মুহূর্তে আরও ঘরবাড়ি কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এবারও সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভয়াবহ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দাবি। স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা, জরুরি ভিত্তিতে তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু এবং স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।


‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে শুধু গোপালপুর নয় আশপাশের আরও তিনটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বসতবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হতে পারে বলে স্থানীয়দের আশঙ্কা।

‎তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।