সিলেট ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২ ‎কোম্পানীগঞ্জে ৬৮ বোতল বিদেশী মদ ও এসকাফ সিরাপ সহ গ্রেফতার ২ ‎টাঙ্গাইলের মধুপুরে বসতঘর থেকে প্রায় ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ‎সুন্দর, মানবিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে সাহিত্যের কোনো বিকল্প নেইঃ ভিসি প্রফেসর ড. জহিরুল হক‎ মাধবপুরে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫‎ ‘বীরাঙ্গনা মা’ ও ‘যুদ্ধ শিশু’ মেয়ের বাড়িঘর দখল চেষ্টার অভিযোগ চুনারুঘাটে মদ্যপান করে মাকে মারধর করার অভিযোগ যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান উপলক্ষে আলোচনা সভা‎ সিলেটে উদ্ধার হওয়া ৫২টি হারানো মোবাইল গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিল এসএমপি ‎সাতছড়ি চাকলাপুঞ্জিতে সিএনজি দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি


‎টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নেরনলিন-শাখারিয়া সীমান্ত এলাকায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন নতুন করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক সংলগ্ন নদীতীরে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে মহাসড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ির অংশও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ।স্থানীয়দের ভাষ্য ভোরের দিকে নদীর তীরে বড় ধরনের ধস নামতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হতে থাকে। ভাঙনের কারণে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এসব ফাটলের কারণে যেকোনো মুহূর্তে আরও ঘরবাড়ি কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এবারও সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভয়াবহ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দাবি। স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা, জরুরি ভিত্তিতে তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু এবং স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।


‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে শুধু গোপালপুর নয় আশপাশের আরও তিনটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বসতবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হতে পারে বলে স্থানীয়দের আশঙ্কা।

‎তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২

যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি

সময় ১০:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


‎টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নেরনলিন-শাখারিয়া সীমান্ত এলাকায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন নতুন করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক সংলগ্ন নদীতীরে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে মহাসড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ির অংশও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ।স্থানীয়দের ভাষ্য ভোরের দিকে নদীর তীরে বড় ধরনের ধস নামতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হতে থাকে। ভাঙনের কারণে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এসব ফাটলের কারণে যেকোনো মুহূর্তে আরও ঘরবাড়ি কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এবারও সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভয়াবহ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দাবি। স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা, জরুরি ভিত্তিতে তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু এবং স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।


‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে শুধু গোপালপুর নয় আশপাশের আরও তিনটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বসতবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হতে পারে বলে স্থানীয়দের আশঙ্কা।

‎তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।