সিলেট ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মী  গ্রেফতার, ব্যানার জব্দ বিএনপি নেতা ও তরুণ ব্যবসায়ী রাহুল ইসলামের জন্মদিনে শুভেচ্ছা‎ শান্তিগঞ্জে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়নে অংশীজনদের কর্মশালা ‎মৌলভীবাজারে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন, আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে দেওয়ানগঞ্জে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা বড়লেখায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবসে র‌্যালি আলোচনাসভা ও হাতধোয়া প্রদর্শনী ‎তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিহত নারীর মরদেহ ‎তেলিয়াপাড়া চা বাগানে পুলিশের অভিযান, ১০৪ পিস মাদক ‘স্কুপ’ উদ্ধার সিলেটের জৈন্তাপুরে দুই নারীকে ভারতে পাচারের চেষ্টা: মূলহোতা রামিম গ্রেফতার ‎বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আনছার আলীর ইন্তেকালে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র গভীর শোক

যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি


‎টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নেরনলিন-শাখারিয়া সীমান্ত এলাকায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন নতুন করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক সংলগ্ন নদীতীরে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে মহাসড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ির অংশও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ।স্থানীয়দের ভাষ্য ভোরের দিকে নদীর তীরে বড় ধরনের ধস নামতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হতে থাকে। ভাঙনের কারণে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এসব ফাটলের কারণে যেকোনো মুহূর্তে আরও ঘরবাড়ি কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
‎
‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এবারও সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভয়াবহ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দাবি। স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা, জরুরি ভিত্তিতে তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু এবং স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।


‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে শুধু গোপালপুর নয় আশপাশের আরও তিনটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বসতবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হতে পারে বলে স্থানীয়দের আশঙ্কা।
‎
‎তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মী  গ্রেফতার, ব্যানার জব্দ

যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি

সময় ১০:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


‎টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নেরনলিন-শাখারিয়া সীমান্ত এলাকায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন নতুন করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক সংলগ্ন নদীতীরে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে মহাসড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ির অংশও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ।স্থানীয়দের ভাষ্য ভোরের দিকে নদীর তীরে বড় ধরনের ধস নামতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হতে থাকে। ভাঙনের কারণে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এসব ফাটলের কারণে যেকোনো মুহূর্তে আরও ঘরবাড়ি কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
‎
‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এবারও সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভয়াবহ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দাবি। স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা, জরুরি ভিত্তিতে তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু এবং স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।


‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে শুধু গোপালপুর নয় আশপাশের আরও তিনটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বসতবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হতে পারে বলে স্থানীয়দের আশঙ্কা।
‎
‎তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।