সিলেট ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার ‎তামাবিলে সড়কের পাশে পাথর ডাম্পিং, মামার বাজার-মোহাম্মদপুরে যত্রতত্র ট্রাক পার্কিং; যানজটে ভোগান্তি ‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২ ‎কোম্পানীগঞ্জে ৬৮ বোতল বিদেশী মদ ও এসকাফ সিরাপ সহ গ্রেফতার ২ ‎টাঙ্গাইলের মধুপুরে বসতঘর থেকে প্রায় ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ‎সুন্দর, মানবিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে সাহিত্যের কোনো বিকল্প নেইঃ ভিসি প্রফেসর ড. জহিরুল হক‎ মাধবপুরে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫‎ ‘বীরাঙ্গনা মা’ ও ‘যুদ্ধ শিশু’ মেয়ের বাড়িঘর দখল চেষ্টার অভিযোগ চুনারুঘাটে মদ্যপান করে মাকে মারধর করার অভিযোগ যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান উপলক্ষে আলোচনা সভা‎

হবিগঞ্জে কলেজছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

‎প্রথমে তাকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তিনি অচেতন হলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের আগে কোনো নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

‎সাদিয়া আক্তার শিমু উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
‎স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় উপজেলার বাকসাইর এলাকায় রাস্তার পাশে তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

‎হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকারীরা কলেজের পরিচয়পত্র থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পরিচয়পত্রে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান।



‎শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, আমার মেয়ে এখনো স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না। সে সুস্থ হলে কী ঘটেছে, তা জানা যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

‎মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পংকজ বিশ্বাস বলেন, রোগীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোগী অচেতন থাকায় ঘটনার কারণ সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব হয়নি।

‎মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন,এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে কিংবা ঘটনার সঙ্গে কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ জানতে বিভিন্ন দিক বিবেচনায় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জে কলেজছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

সময় ০৬:৪৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

‎প্রথমে তাকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তিনি অচেতন হলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের আগে কোনো নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

‎সাদিয়া আক্তার শিমু উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
‎স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় উপজেলার বাকসাইর এলাকায় রাস্তার পাশে তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

‎হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকারীরা কলেজের পরিচয়পত্র থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পরিচয়পত্রে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান।



‎শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, আমার মেয়ে এখনো স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না। সে সুস্থ হলে কী ঘটেছে, তা জানা যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

‎মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পংকজ বিশ্বাস বলেন, রোগীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোগী অচেতন থাকায় ঘটনার কারণ সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব হয়নি।

‎মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন,এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে কিংবা ঘটনার সঙ্গে কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ জানতে বিভিন্ন দিক বিবেচনায় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।