সিলেট ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
News Title :
যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি ‎সবুজ কুলাউড়া গড়ার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ‎বাহুবলে গাঁজা ও ইয়াবাসহ যুবককে এক বছরের কারাদণ্ড বালাগঞ্জে দুইলক্ষ টাকার অবৈধ জাল জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়ানো‎ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের নতুন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম হারুনুর রশীদ লাখাইয়ে  আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।  হবিগঞ্জে কলেজছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করতে চান সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান দক্ষিণ সুরমায় ঝোঁপের ভেতর মিলল পুলিশের লুন্ঠিত ৩টি টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড ‎বালাগঞ্জে ২ কোটির ড্রেন নির্মাণ কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও ও প্রকৌশলী: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

হবিগঞ্জে কলেজছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

‎প্রথমে তাকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তিনি অচেতন হলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের আগে কোনো নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

‎সাদিয়া আক্তার শিমু উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
‎স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় উপজেলার বাকসাইর এলাকায় রাস্তার পাশে তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

‎হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকারীরা কলেজের পরিচয়পত্র থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পরিচয়পত্রে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান।



‎শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, আমার মেয়ে এখনো স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না। সে সুস্থ হলে কী ঘটেছে, তা জানা যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

‎মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পংকজ বিশ্বাস বলেন, রোগীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোগী অচেতন থাকায় ঘটনার কারণ সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব হয়নি।

‎মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন,এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে কিংবা ঘটনার সঙ্গে কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ জানতে বিভিন্ন দিক বিবেচনায় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনার ভয়াল ভাঙনে টাঙ্গাইলে আতঙ্ক, নদীগর্ভে মহাসড়কের অংশ ও বসতবাড়ি

হবিগঞ্জে কলেজছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

সময় ০৬:৪৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

‎প্রথমে তাকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তিনি অচেতন হলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের আগে কোনো নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

‎সাদিয়া আক্তার শিমু উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
‎স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় উপজেলার বাকসাইর এলাকায় রাস্তার পাশে তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

‎হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকারীরা কলেজের পরিচয়পত্র থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পরিচয়পত্রে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান।



‎শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, আমার মেয়ে এখনো স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না। সে সুস্থ হলে কী ঘটেছে, তা জানা যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

‎মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পংকজ বিশ্বাস বলেন, রোগীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোগী অচেতন থাকায় ঘটনার কারণ সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব হয়নি।

‎মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন,এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে কিংবা ঘটনার সঙ্গে কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ জানতে বিভিন্ন দিক বিবেচনায় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।