সিলেট ০৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
বিয়ানীবাজার থেকে টমটম চালক নিখোঁজ, থানায় জিডি ‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার
বৈধ পথে না যাওয়ায়.....

প্রবাসে মৃত্যু, দুই মাস পর কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন মানিক,মেলেনি সরকারি সহায়তা‎!

আরব আমিরাতে মৃত্যু বরণকারী মানিক। (ফাইল ছবি)



‎
‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রবাসী মো. মানিক মিয়া ওরফে জুয়েলের মরদেহ মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পর দেশে পৌঁছেছে। প্রবাসে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মরদেহ দেশে আনতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে পরিবারকে।
‎
‎পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হরিতলা গ্রামের মৃত ধনু মিয়ার বড় ছেলে মানিক মিয়া ২০২২ সালে জীবিকার সন্ধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। তিনি দেশটির শারজাহ শহরে কর্মরত ছিলেন।
‎
‎স্বজনদের ভাষ্য, প্রবাস জীবনে পরিবারটির প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন মানিক মিয়া। কয়েক মাস আগে তার বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবাসে এক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আইনি প্রক্রিয়া ও অন্যান্য জটিলতার কারণে বিলম্ব ঘটে। অবশেষে বৃহস্পতিবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।
‎
‎পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, মানিক মিয়া সরকারি অনুমোদিত জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়ার বাইরে ভ্রমণ ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন। ফলে তিনি বৈধ জনশক্তি কর্মী হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন না। এ কারণে মৃত্যুর পর বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রবাসী কল্যাণ তহবিল থেকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা পায়নি তার পরিবার।
‎
‎বর্তমানে তার পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা ও দুই ছোট ভাই-বোন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ প্রক্রিয়ায় এবং অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে গেলে কর্মীরা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলের আওতায় থাকেন।
‎
‎ দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ঘটনায় এসব সহায়তা পরিবারকে আর্থিকভাবে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। তাই বিদেশগামীদের বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ানীবাজার থেকে টমটম চালক নিখোঁজ, থানায় জিডি

বৈধ পথে না যাওয়ায়.....

প্রবাসে মৃত্যু, দুই মাস পর কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন মানিক,মেলেনি সরকারি সহায়তা‎!

সময় ০২:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
আরব আমিরাতে মৃত্যু বরণকারী মানিক। (ফাইল ছবি)



‎
‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রবাসী মো. মানিক মিয়া ওরফে জুয়েলের মরদেহ মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পর দেশে পৌঁছেছে। প্রবাসে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মরদেহ দেশে আনতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে পরিবারকে।
‎
‎পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হরিতলা গ্রামের মৃত ধনু মিয়ার বড় ছেলে মানিক মিয়া ২০২২ সালে জীবিকার সন্ধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। তিনি দেশটির শারজাহ শহরে কর্মরত ছিলেন।
‎
‎স্বজনদের ভাষ্য, প্রবাস জীবনে পরিবারটির প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন মানিক মিয়া। কয়েক মাস আগে তার বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবাসে এক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আইনি প্রক্রিয়া ও অন্যান্য জটিলতার কারণে বিলম্ব ঘটে। অবশেষে বৃহস্পতিবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।
‎
‎পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, মানিক মিয়া সরকারি অনুমোদিত জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়ার বাইরে ভ্রমণ ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন। ফলে তিনি বৈধ জনশক্তি কর্মী হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন না। এ কারণে মৃত্যুর পর বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রবাসী কল্যাণ তহবিল থেকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা পায়নি তার পরিবার।
‎
‎বর্তমানে তার পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা ও দুই ছোট ভাই-বোন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ প্রক্রিয়ায় এবং অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে গেলে কর্মীরা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলের আওতায় থাকেন।
‎
‎ দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ঘটনায় এসব সহায়তা পরিবারকে আর্থিকভাবে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। তাই বিদেশগামীদের বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
‎