সিলেট ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার ‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
বৈধ পথে না যাওয়ায়.....

প্রবাসে মৃত্যু, দুই মাস পর কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন মানিক,মেলেনি সরকারি সহায়তা‎!

আরব আমিরাতে মৃত্যু বরণকারী মানিক। (ফাইল ছবি)




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রবাসী মো. মানিক মিয়া ওরফে জুয়েলের মরদেহ মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পর দেশে পৌঁছেছে। প্রবাসে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মরদেহ দেশে আনতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে পরিবারকে।

‎পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হরিতলা গ্রামের মৃত ধনু মিয়ার বড় ছেলে মানিক মিয়া ২০২২ সালে জীবিকার সন্ধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। তিনি দেশটির শারজাহ শহরে কর্মরত ছিলেন।

‎স্বজনদের ভাষ্য, প্রবাস জীবনে পরিবারটির প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন মানিক মিয়া। কয়েক মাস আগে তার বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবাসে এক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আইনি প্রক্রিয়া ও অন্যান্য জটিলতার কারণে বিলম্ব ঘটে। অবশেষে বৃহস্পতিবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।

‎পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, মানিক মিয়া সরকারি অনুমোদিত জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়ার বাইরে ভ্রমণ ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন। ফলে তিনি বৈধ জনশক্তি কর্মী হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন না। এ কারণে মৃত্যুর পর বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রবাসী কল্যাণ তহবিল থেকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা পায়নি তার পরিবার।

‎বর্তমানে তার পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা ও দুই ছোট ভাই-বোন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ প্রক্রিয়ায় এবং অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে গেলে কর্মীরা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলের আওতায় থাকেন।

‎ দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ঘটনায় এসব সহায়তা পরিবারকে আর্থিকভাবে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। তাই বিদেশগামীদের বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার

বৈধ পথে না যাওয়ায়.....

প্রবাসে মৃত্যু, দুই মাস পর কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন মানিক,মেলেনি সরকারি সহায়তা‎!

সময় ০২:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
আরব আমিরাতে মৃত্যু বরণকারী মানিক। (ফাইল ছবি)




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রবাসী মো. মানিক মিয়া ওরফে জুয়েলের মরদেহ মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পর দেশে পৌঁছেছে। প্রবাসে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মরদেহ দেশে আনতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে পরিবারকে।

‎পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হরিতলা গ্রামের মৃত ধনু মিয়ার বড় ছেলে মানিক মিয়া ২০২২ সালে জীবিকার সন্ধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। তিনি দেশটির শারজাহ শহরে কর্মরত ছিলেন।

‎স্বজনদের ভাষ্য, প্রবাস জীবনে পরিবারটির প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন মানিক মিয়া। কয়েক মাস আগে তার বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবাসে এক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আইনি প্রক্রিয়া ও অন্যান্য জটিলতার কারণে বিলম্ব ঘটে। অবশেষে বৃহস্পতিবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।

‎পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, মানিক মিয়া সরকারি অনুমোদিত জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়ার বাইরে ভ্রমণ ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন। ফলে তিনি বৈধ জনশক্তি কর্মী হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন না। এ কারণে মৃত্যুর পর বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রবাসী কল্যাণ তহবিল থেকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা পায়নি তার পরিবার।

‎বর্তমানে তার পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা ও দুই ছোট ভাই-বোন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ প্রক্রিয়ায় এবং অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে গেলে কর্মীরা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলের আওতায় থাকেন।

‎ দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ঘটনায় এসব সহায়তা পরিবারকে আর্থিকভাবে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। তাই বিদেশগামীদের বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।