সিলেট ০৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎শান্তিগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা, বন্ধ চেয়ে আবেদম, প্রশাসনের নজরদারি! ‎রক্তের সংকটে প্রসূতির পাশে ইউএনও, নিজেই দিলেন রক্ত কাতারে ভবন থেকে পড়ে কুলাউড়ার নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ছাতকে সড়ক যোগাযোগে নতুন দিগন্ত, ৯৯ কোটি টাকার ৪ লেনের কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মিলন।। ‎জামালপুরে মাদক ও মোবাইল গেমসের কবল থেকে রক্ষায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ‎ শান্তিগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের সম্মেলন, আংশিক কমিটি ঘোষণা ‎নবীগঞ্জে কিশোরী হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ইউএনওর গাড়ির সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষ ‎জামালপুরে আশ্রয় পাওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন রোকেয়ার বাড়ি হবিগঞ্জে, স্বজনদের খোঁজ পেতে সহায়তার আবেদন ‎কোম্পানীগঞ্জে অনলাইন জুয়া চক্রের ১ সদস্য গ্রেফতার ‎র‍্যাব-৯ এর অভিযান
‎ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোষ্ট...

‎শান্তিগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা, বন্ধ চেয়ে আবেদম, প্রশাসনের নজরদারি!

ছবি প্রতীকী।


‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্ট, মন্তব্য ও হুমকি-ধমকির অভিযোগে যেকোনো সময় সংঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এ অবস্থায় নৌকা বাইচ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান-১ রুজেল আহমদ।

‎জানা গেছে, আগামী বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ধলমৈশা গ্রামের দক্ষিণ খাইহাওরে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধলমৈশা গ্রামের বাসিন্দা ও ইংল্যান্ডপ্রবাসী আবুল হোসেনের উদ্যোগে ধলমৈশা ও হাঁসকুড়িসহ কয়েকটি গ্রামের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

‎তবে আয়োজনটি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একটি অংশের আপত্তি দেখা দিয়েছে। পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে ইউএনও বরাবর দেওয়া লিখিত আবেদনে প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমদ উল্লেখ করেন, দক্ষিণ খাইহাওরে নৌকা বাইচ আয়োজনের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবগত করা হয়নি। এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমন্বয়ও করা হয়নি।


‎আবেদনে আরও বলা হয়, নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজক পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা বা সংঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

‎প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমদ বলেন,লন্ডনী সাহেব যে আয়োজন করেছেন, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তিনি আমাদের কাউকে বিষয়টি অবগত করেননি। একজন মানুষ আত্মহত্যা করলে কিংবা কোনো বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে সারাদিন-রাত আমাকে বিষয়টি সামলাতে হয়। অথচ এত বড় একটি আয়োজনের বিষয়ে পরিষদ বা এলাকার অনেক মুরব্বিকে জানানো হয়নি। কোনো সমস্যা হলে আমি কি দায় এড়াতে পারব?

‎তিনি আরও বলেন, নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে নানা ধরনের বক্তব্য, পাল্টাপাল্টি মন্তব্য ও হুমকি-ধমকির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তিনি ইউএনও ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

‎রুজেল আহমদের দাবি, এটি তাঁর একার সিদ্ধান্ত নয়। ইউনিয়ন পরিষদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তেই আবেদন করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য,ইউনিয়নের শতাধিক মানুষ আমার কার্যালয়ে এসেছিলেন। তাঁরা বলেছেন, এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে কোনো সমস্যা হলে এর দায় কে নেবে। মূলত নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই আমরা আবেদন করেছি। ইউনিয়নের সবাইকে নিয়ে সমন্বয় করে আয়োজন করলে আমার কোনো আপত্তি নেই।

‎তবে নৌকা বাইচের আয়োজক আবুল হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতেই দীর্ঘদিন ধরে তিনি নৌকা বাইচের আয়োজন করে আসছেন। এর আগে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি, এবারও হবে না বলে তিনি আশা করছেন।

‎আবুল হোসেন বলেন, হাঁসকুড়ি, ধলমৈশা, উলারপিঠা, শান্তিপুর ও বাবনগাঁও—এই পাঁচ গ্রামের মানুষকে নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে। আয়োজকদের সবাই পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা। নৌকা বাইচের স্থানটিও পশ্চিম বীরগাঁওবাসীর। আমি মারামারি বা কোনো সমস্যা করার জন্য নৌকা বাইচের আয়োজন করি না।

‎ফেসবুকে লেখালেখি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কারা এসব পোস্ট বা মন্তব্য করছেন, তা তাঁর জানা নেই। তাঁর পক্ষের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলেও তিনি জানেন না। নৌকা বাইচ বন্ধের আবেদনের বিষয়েও তিনি আগে অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেন।

‎এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমি বিষয়টি অবগত আছি। ওসি সাহেবকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

‎শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলী উল্লাহ বলেন, আমার কাছে কেউ সরাসরি অভিযোগ করেনি। ইউএনও সাহেব বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।

‎স্থানীয়দের মতে, নৌকা বাইচ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী একটি আয়োজন হলেও এটি নিয়ে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগাম উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য ও হুমকির অভিযোগের বিষয়টিও যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎শান্তিগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা, বন্ধ চেয়ে আবেদম, প্রশাসনের নজরদারি!

‎ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোষ্ট...

‎শান্তিগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা, বন্ধ চেয়ে আবেদম, প্রশাসনের নজরদারি!

সময় ০৯:১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি প্রতীকী।


‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্ট, মন্তব্য ও হুমকি-ধমকির অভিযোগে যেকোনো সময় সংঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এ অবস্থায় নৌকা বাইচ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান-১ রুজেল আহমদ।

‎জানা গেছে, আগামী বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ধলমৈশা গ্রামের দক্ষিণ খাইহাওরে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধলমৈশা গ্রামের বাসিন্দা ও ইংল্যান্ডপ্রবাসী আবুল হোসেনের উদ্যোগে ধলমৈশা ও হাঁসকুড়িসহ কয়েকটি গ্রামের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

‎তবে আয়োজনটি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একটি অংশের আপত্তি দেখা দিয়েছে। পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে ইউএনও বরাবর দেওয়া লিখিত আবেদনে প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমদ উল্লেখ করেন, দক্ষিণ খাইহাওরে নৌকা বাইচ আয়োজনের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবগত করা হয়নি। এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমন্বয়ও করা হয়নি।


‎আবেদনে আরও বলা হয়, নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজক পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা বা সংঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

‎প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমদ বলেন,লন্ডনী সাহেব যে আয়োজন করেছেন, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তিনি আমাদের কাউকে বিষয়টি অবগত করেননি। একজন মানুষ আত্মহত্যা করলে কিংবা কোনো বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে সারাদিন-রাত আমাকে বিষয়টি সামলাতে হয়। অথচ এত বড় একটি আয়োজনের বিষয়ে পরিষদ বা এলাকার অনেক মুরব্বিকে জানানো হয়নি। কোনো সমস্যা হলে আমি কি দায় এড়াতে পারব?

‎তিনি আরও বলেন, নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে নানা ধরনের বক্তব্য, পাল্টাপাল্টি মন্তব্য ও হুমকি-ধমকির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তিনি ইউএনও ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

‎রুজেল আহমদের দাবি, এটি তাঁর একার সিদ্ধান্ত নয়। ইউনিয়ন পরিষদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তেই আবেদন করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য,ইউনিয়নের শতাধিক মানুষ আমার কার্যালয়ে এসেছিলেন। তাঁরা বলেছেন, এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে কোনো সমস্যা হলে এর দায় কে নেবে। মূলত নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই আমরা আবেদন করেছি। ইউনিয়নের সবাইকে নিয়ে সমন্বয় করে আয়োজন করলে আমার কোনো আপত্তি নেই।

‎তবে নৌকা বাইচের আয়োজক আবুল হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতেই দীর্ঘদিন ধরে তিনি নৌকা বাইচের আয়োজন করে আসছেন। এর আগে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি, এবারও হবে না বলে তিনি আশা করছেন।

‎আবুল হোসেন বলেন, হাঁসকুড়ি, ধলমৈশা, উলারপিঠা, শান্তিপুর ও বাবনগাঁও—এই পাঁচ গ্রামের মানুষকে নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে। আয়োজকদের সবাই পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা। নৌকা বাইচের স্থানটিও পশ্চিম বীরগাঁওবাসীর। আমি মারামারি বা কোনো সমস্যা করার জন্য নৌকা বাইচের আয়োজন করি না।

‎ফেসবুকে লেখালেখি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কারা এসব পোস্ট বা মন্তব্য করছেন, তা তাঁর জানা নেই। তাঁর পক্ষের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলেও তিনি জানেন না। নৌকা বাইচ বন্ধের আবেদনের বিষয়েও তিনি আগে অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেন।

‎এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমি বিষয়টি অবগত আছি। ওসি সাহেবকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

‎শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলী উল্লাহ বলেন, আমার কাছে কেউ সরাসরি অভিযোগ করেনি। ইউএনও সাহেব বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।

‎স্থানীয়দের মতে, নৌকা বাইচ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী একটি আয়োজন হলেও এটি নিয়ে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগাম উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য ও হুমকির অভিযোগের বিষয়টিও যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।