সিলেট ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মী  গ্রেফতার, ব্যানার জব্দ বিএনপি নেতা ও তরুণ ব্যবসায়ী রাহুল ইসলামের জন্মদিনে শুভেচ্ছা‎ শান্তিগঞ্জে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়নে অংশীজনদের কর্মশালা ‎মৌলভীবাজারে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন, আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে দেওয়ানগঞ্জে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা বড়লেখায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবসে র‌্যালি আলোচনাসভা ও হাতধোয়া প্রদর্শনী ‎তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিহত নারীর মরদেহ ‎তেলিয়াপাড়া চা বাগানে পুলিশের অভিযান, ১০৪ পিস মাদক ‘স্কুপ’ উদ্ধার সিলেটের জৈন্তাপুরে দুই নারীকে ভারতে পাচারের চেষ্টা: মূলহোতা রামিম গ্রেফতার ‎বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আনছার আলীর ইন্তেকালে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র গভীর শোক

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান ও একমাত্র আসামি শাহীন মিয়াকে (২৪) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। মঙ্গলবার ২৮ জুলাই বিকেলে সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত শাহীন মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ইনাতাবাদ এলাকার শরিফ মিয়ার ছেলে।

‎র‍্যাব জানায়, শাহীন মিয়া পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। কাজের সূত্রে তিনি হবিগঞ্জের উত্তর শ্যামলী এলাকায় যাতায়াত করতেন এবং সেখানে এক কিশোরীকে প্রায়ই উত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন সন্ধ্যায় ভিকটিমের বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে শাহীন তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যান। পরে হবিগঞ্জ সদরের ইনাতাবাদ মাছুলিয়া আকড়া সংলগ্ন খোয়াই নদীর পাড়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভিকটিমের পরিবার।

‎ধর্ষণের পর কিশোরী বিয়ের দাবি জানালে শাহীন তাকে ফেলে রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। ভিকটিমের ডাক-চিৎকারে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ‎ঘটনার পর থেকে আসামি আত্মগোপনে চলে যায়।

‎এরই ধারাবাহিকতায় মামলাটির ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় র‍্যাব-৯। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ২৮ জুলাই বিকেল পৌনে ৫টার দিকে র‍্যাব-৯-এর সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এবং সিপিএসসি (সিলেট)-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল জালালাবাদ থানার ৮ নম্বর কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ঘোপাল পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৯-এর গণমাধ্যম কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ গণমাধ্যমে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মী  গ্রেফতার, ব্যানার জব্দ

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

সময় ১১:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান ও একমাত্র আসামি শাহীন মিয়াকে (২৪) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। মঙ্গলবার ২৮ জুলাই বিকেলে সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত শাহীন মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ইনাতাবাদ এলাকার শরিফ মিয়ার ছেলে।

‎র‍্যাব জানায়, শাহীন মিয়া পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। কাজের সূত্রে তিনি হবিগঞ্জের উত্তর শ্যামলী এলাকায় যাতায়াত করতেন এবং সেখানে এক কিশোরীকে প্রায়ই উত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন সন্ধ্যায় ভিকটিমের বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে শাহীন তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যান। পরে হবিগঞ্জ সদরের ইনাতাবাদ মাছুলিয়া আকড়া সংলগ্ন খোয়াই নদীর পাড়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভিকটিমের পরিবার।

‎ধর্ষণের পর কিশোরী বিয়ের দাবি জানালে শাহীন তাকে ফেলে রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। ভিকটিমের ডাক-চিৎকারে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ‎ঘটনার পর থেকে আসামি আত্মগোপনে চলে যায়।

‎এরই ধারাবাহিকতায় মামলাটির ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় র‍্যাব-৯। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ২৮ জুলাই বিকেল পৌনে ৫টার দিকে র‍্যাব-৯-এর সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এবং সিপিএসসি (সিলেট)-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল জালালাবাদ থানার ৮ নম্বর কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ঘোপাল পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৯-এর গণমাধ্যম কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ গণমাধ্যমে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎