
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) ডিবি-সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও GenieA Team-এর বিশেষ যৌথ অভিযানে উদ্ধার করা হারিয়ে যাওয়া ৪৪টি মোবাইল ফোন তাদের প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ রোববার ২৬ জুলাই এসএমপির পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত থেকে ভুক্তভোগীদের হাতে হারানো এসব মোবাইল সেট তুলে দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট মহানগর এলাকার বিভিন্ন থানায় মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগীরা। এসব জিডির ভিত্তিতে তথ্য-প্রযুক্তির সর্বাধুনিক ব্যবহার ও নিরলস প্রচেষ্টায় ফোনগুলো উদ্ধার করে ডিবি-সাইবার ক্রাইম ইউনিট এবং GenieA Team।
এসএমপি পুলিশ কমিশনারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গঠিত মোবাইল উদ্ধার টিম মহানগরীর ছয়টি থানার প্রাপ্ত মোট ৫৭০টি জিডি পর্যালোচনা করে সম্প্রতি এই ৪৪টি ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশে বিশেষ এই উদ্ধার টিম গঠনের পর থেকে আজ পর্যন্ত সর্বমোট ২৭৪টি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া শখের ও প্রয়োজনীয় মোবাইল ফোনটি ফেরত পেয়ে আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েন ভুক্তভোগীরা। এসএমপির প্রতি গভীর সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অনেকে বলেন, হারানো ফোন ফেরত পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, এই উদ্যোগ তাদের মাঝে আবার স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

মোবাইল বা যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেনাবেচার ক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—নথিপত্র যাচাই করে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ক্রয়ের আগে অবশ্যই বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্র ও বৈধ কাগজপত্র যাচাই করুন। পাশাপাশি
ডিভাইসের বক্সের সাথে মোবাইল সেটের মূল IMEI নম্বর মিলিয়ে দেখা এবং ক্রয়ের রসিদ বা মেমো সংরক্ষণ করা জরুরি এবং রাস্তাঘাট, অপরিচিত ব্যক্তি বা ফেসবুকের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অস্বাভাবিক কম দামে ডিভাইস কেনা থেকে বিরত থাকুন। এসব ফোন চোরাই বা কোনো অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে, যা পরবর্তীতে ক্রেতাকে আইনি জটিলতায় ফেলতে পারে বলে সর্তক করা হয়।
প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানানো হয়।
স্টাফ রিপোর্টার 


















