সিলেট ০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

নবীগঞ্জে কুশিয়ারা ড্রাইকের এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা দুর্ভোগের কারণ, দ্রুত পাকাকরণের দাবি





‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন ও দিঘলবাক ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কুশিয়ারা ড্রাইকের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ এখনো কাঁচা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ওই অংশ পাকাকরণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কারণে সড়কের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পরে নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদীর তীরে ব্লক স্থাপন করলেও রাস্তার ক্ষতিগ্রস্ত অংশ এখনো উন্নয়ন করা হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং পথচারীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে।

‎এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত এই পথ ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে গিয়ে চরম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার উন্নয়নের দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, ফলে রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।


‎এলাকাবাসী দ্রুত সড়কের অবশিষ্ট এক কিলোমিটার অংশ পাকাকরণ ও চলাচল উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, সড়কটির উন্নয়ন হলে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কমবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহনেও গতি আসবে।
‎স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি পূর্ণাঙ্গভাবে পাকাকরণ করবে।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

নবীগঞ্জে কুশিয়ারা ড্রাইকের এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা দুর্ভোগের কারণ, দ্রুত পাকাকরণের দাবি

সময় ০৬:১৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬





‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন ও দিঘলবাক ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কুশিয়ারা ড্রাইকের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ এখনো কাঁচা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ওই অংশ পাকাকরণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কারণে সড়কের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পরে নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদীর তীরে ব্লক স্থাপন করলেও রাস্তার ক্ষতিগ্রস্ত অংশ এখনো উন্নয়ন করা হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং পথচারীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে।

‎এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত এই পথ ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে গিয়ে চরম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার উন্নয়নের দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, ফলে রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।


‎এলাকাবাসী দ্রুত সড়কের অবশিষ্ট এক কিলোমিটার অংশ পাকাকরণ ও চলাচল উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, সড়কটির উন্নয়ন হলে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কমবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহনেও গতি আসবে।
‎স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি পূর্ণাঙ্গভাবে পাকাকরণ করবে।