সিলেট ০২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎সাজেকে রাজনৈতিক “জয় বাংলা “স্লোগানের অভিযোগে হবিগঞ্জের ৩ জনসহ আটক ৬ বানিয়াচংয়ে ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ডের শুভ উদ্বোধন: মুখরিত ক্রীড়াঙ্গন, উদ্বেলিত তরুণ সমাজ‎ নবীগঞ্জে মশাল মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলায় গ্রেপ্তার ৫ ‎লাখাইয়ে যথাযথ মর্যাদায় কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত হবিগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে বিয়ে, দুই সপ্তাহ পরই চুরি-মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার বাড়ি থেকে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি ‎পূর্ববিরোধের জেরে বানিয়াচংয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে জামালপুরে রোটারী ক্লাবের বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র‍্যালি ‎শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার: জামালপুর সমিতির সংবর্ধনায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ‎মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন তিন সাংবাদিক, কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা

টাঙ্গাইলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সহ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যবৃন্দ।






‎টাঙ্গাইলে যথাযত মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।

‎রাত ১২.০১ মিনিটে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিমন্ত্রী প্রথমে শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।


‎এ সময় তিনি বলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার এবং পরবর্তীতে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

‎তিনি আরও বলেন ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে দেশকে উন্নয়ন অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন প্রজন্মকে মহান একুশের ইতিহাস জানাতে এবং বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।


‎অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক পুলিশ সুপার মহাম্মদ সামসুল আলম সরকার সহ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন।

‎পরে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

‎দিবসটি উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রভাতফেরিসহ নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সাজেকে রাজনৈতিক “জয় বাংলা “স্লোগানের অভিযোগে হবিগঞ্জের ৩ জনসহ আটক ৬

টাঙ্গাইলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

সময় ০১:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সহ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যবৃন্দ।






‎টাঙ্গাইলে যথাযত মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।

‎রাত ১২.০১ মিনিটে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিমন্ত্রী প্রথমে শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।


‎এ সময় তিনি বলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার এবং পরবর্তীতে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

‎তিনি আরও বলেন ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে দেশকে উন্নয়ন অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন প্রজন্মকে মহান একুশের ইতিহাস জানাতে এবং বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।


‎অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক পুলিশ সুপার মহাম্মদ সামসুল আলম সরকার সহ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন।

‎পরে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

‎দিবসটি উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রভাতফেরিসহ নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেন।