সিলেট ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বড়লেখার প্রবাসী নিহত, মরদেহ দেশে আনার দাবি‎

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বড়লেখার সালেহ আহমদ



‎মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাত–এর আজমান শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে স্বজনরা দাবি করেছেন। নিহত সালেহ আহমদ (সালেহ আহমদ উদ্দিন) মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভা–এর গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে।
‎
‎রবিবার (১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে দেশে থাকা স্বজনরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি উদ্যোগে দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।
‎
‎পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে আজমানে বসবাস করছিলেন সালেহ আহমদ উদ্দিন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালকের কাজ করতেন। শনিবার সন্ধ্যায় নিয়মিত দায়িত্ব পালনের সময় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে বলে স্বজনরা জানান। এতে সালেহসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
‎পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎নিহতের পরিবারে স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
‎দেশে থাকা সালেহ আহমদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম মুঠোফোনে জানান,শনিবার থেকেই মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারেননি।
‎রবিবার দুপুরে আমিরাতে অবস্থানরত স্বজনরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জেনেছেন। চার মাস আগে তিনি দেশে এসে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান।
‎প্রবাসে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য গেছেন এবং দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
‎
‎বড়লেখা পৌরসভার কাউন্সিলার শাহজাহান খান জানান, পুরো এলাকা এই ঘটনায় মর্মাহত। সরকারের কাছে তার দাবি, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে দ্রুত নিহত সালেহ আহমদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বড়লেখার প্রবাসী নিহত, মরদেহ দেশে আনার দাবি‎

সময় ০৮:০৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বড়লেখার সালেহ আহমদ



‎মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাত–এর আজমান শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে স্বজনরা দাবি করেছেন। নিহত সালেহ আহমদ (সালেহ আহমদ উদ্দিন) মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভা–এর গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে।
‎
‎রবিবার (১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে দেশে থাকা স্বজনরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি উদ্যোগে দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।
‎
‎পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে আজমানে বসবাস করছিলেন সালেহ আহমদ উদ্দিন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালকের কাজ করতেন। শনিবার সন্ধ্যায় নিয়মিত দায়িত্ব পালনের সময় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে বলে স্বজনরা জানান। এতে সালেহসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
‎পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎নিহতের পরিবারে স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
‎দেশে থাকা সালেহ আহমদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম মুঠোফোনে জানান,শনিবার থেকেই মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারেননি।
‎রবিবার দুপুরে আমিরাতে অবস্থানরত স্বজনরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জেনেছেন। চার মাস আগে তিনি দেশে এসে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান।
‎প্রবাসে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য গেছেন এবং দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
‎
‎বড়লেখা পৌরসভার কাউন্সিলার শাহজাহান খান জানান, পুরো এলাকা এই ঘটনায় মর্মাহত। সরকারের কাছে তার দাবি, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে দ্রুত নিহত সালেহ আহমদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।