সিলেট ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
News Title :
মুসলিম নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইডি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন ‎জাতীয় উশু প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হবিগঞ্জের আনাছ বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের সুযোগ ‘লন্ডনে জাঁকজমকপূর্ণভাবে মর্যাদাপূর্ণ বিসিএ’র‎ ১৯তম বার্ষিক এওয়ার্ডস ও গালা ডিনার অনুষ্ঠিত ‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল সিলেট জেলার (আংশিক) কমিটি অনুমোদন ‘বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বহু জ্ঞানী পণ্ডিতদের জন্ম দিয়েছে, এখন উদ্ভাবকদেরকেও জন্ম দিতে হবে।’ জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও ওরিয়েন্টেশন উদযাপন ‎মৌলভীবাজারে মহিষ ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত সর্দারসহ গ্রেপ্তার ৫ ‎মাধবপুরে কাভার্ড ভ্যানসহ ১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা ও মেহেদি জব্দ বালাগঞ্জে চাচা হত্যা মামলার ৩ আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ‎জামালপুরে দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’- পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
মঞ্চে উঠে ভোট চাওয়ার অভিযোগ .....

স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতার বাঁধা,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ!

মঞ্চে উঠে জামাত নেতা আতিকের মারমুখি আচরণ


‎টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আকস্মিক বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

‎অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ধোপাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে মঞ্চে উঠে উপস্থাকের হাত থেকে মাইক্রোন কেড়ে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং অনুষ্ঠান বন্ধের হুমকির ঘটনায় শিক্ষক, কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

‎

‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই আকস্মিক মঞ্চে উঠে পড়েন আতিকুর রহমান। তিনি শুরুতেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ধমক দিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কার অনুমতিতে এই অনুষ্ঠান হচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি শিক্ষকদের সাথে চরম অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান শুরু করেন এবং উপস্থিত সবার কাছে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন!
‎এটা নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন বলে প্রতিপক্ষের রাজনীতিবিদরা মতামত দেন!

‎

‎সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো একটি আনন্দঘন পরিবেশে এমন আকস্মিক বাধায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থীকে কান্নাকাটি করতেও দেখা যায়। উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ,আতিকুর রহমান শুধু অনুষ্ঠান বন্ধ করতেই আসেননি, বরং তিনি রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য মঞ্চটি ব্যবহার করার চেষ্টা করেন এবং অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন।


‎

‎বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় হতবিহ্বল ও গভীরভাবে মর্মাহত। প্রধান শিক্ষক আলী আকবর জানান, আতিকুর রহমান স্কুলের কোনো অভিভাবক বা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নন।

‎সম্পূর্ণ বহিরাগত হওয়া সত্ত্বেও তিনি যেভাবে মঞ্চে উঠে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছেন, তা নজিরবিহীন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

‎জামাত নেতার এহেনও কার্যকলাপে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। তারা দাবী করেন, এলাকায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকাবাসী অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন।তার আচরণে এলাবাসী ফুঁসে উঠেছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সুশীল সমাজ এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

‎অভিযুক্ত আতিকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনেক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সে (আতিক) প্রায় সময় স্কুলে কোন অনুষ্ঠানে বাঁধা প্রদান করে থাকে। অনেক শিক্ষক কে নানান প্রকার হুমকিও দিতে থাকে বলে শিক্ষকগণ অভিযোগ করেন!

‎এসব অভিযোগে আতিকের বক্তব্য জানতে চাইলে সে,সাংবাদিকদের সাথেও অসদাচরণ করে। সাংবাদিকদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে ও দ্বিধাবোধ করেনি! সে সাংবাদিকরা যা পারে করুক এসব বাক্যও ব্যবহার করেন তিনি!

‎

‎এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. আব্দুল্লাহেল কাফি এবং উপজেলা জামায়াত নেতাদের বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুসলিম নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইডি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

মঞ্চে উঠে ভোট চাওয়ার অভিযোগ .....

স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতার বাঁধা,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ!

সময় ০৫:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মঞ্চে উঠে জামাত নেতা আতিকের মারমুখি আচরণ


‎টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আকস্মিক বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

‎অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ধোপাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে মঞ্চে উঠে উপস্থাকের হাত থেকে মাইক্রোন কেড়ে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং অনুষ্ঠান বন্ধের হুমকির ঘটনায় শিক্ষক, কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

‎

‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই আকস্মিক মঞ্চে উঠে পড়েন আতিকুর রহমান। তিনি শুরুতেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ধমক দিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কার অনুমতিতে এই অনুষ্ঠান হচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি শিক্ষকদের সাথে চরম অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান শুরু করেন এবং উপস্থিত সবার কাছে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন!
‎এটা নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন বলে প্রতিপক্ষের রাজনীতিবিদরা মতামত দেন!

‎

‎সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো একটি আনন্দঘন পরিবেশে এমন আকস্মিক বাধায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থীকে কান্নাকাটি করতেও দেখা যায়। উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ,আতিকুর রহমান শুধু অনুষ্ঠান বন্ধ করতেই আসেননি, বরং তিনি রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য মঞ্চটি ব্যবহার করার চেষ্টা করেন এবং অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন।


‎

‎বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় হতবিহ্বল ও গভীরভাবে মর্মাহত। প্রধান শিক্ষক আলী আকবর জানান, আতিকুর রহমান স্কুলের কোনো অভিভাবক বা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নন।

‎সম্পূর্ণ বহিরাগত হওয়া সত্ত্বেও তিনি যেভাবে মঞ্চে উঠে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছেন, তা নজিরবিহীন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

‎জামাত নেতার এহেনও কার্যকলাপে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। তারা দাবী করেন, এলাকায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকাবাসী অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন।তার আচরণে এলাবাসী ফুঁসে উঠেছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সুশীল সমাজ এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

‎অভিযুক্ত আতিকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনেক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সে (আতিক) প্রায় সময় স্কুলে কোন অনুষ্ঠানে বাঁধা প্রদান করে থাকে। অনেক শিক্ষক কে নানান প্রকার হুমকিও দিতে থাকে বলে শিক্ষকগণ অভিযোগ করেন!

‎এসব অভিযোগে আতিকের বক্তব্য জানতে চাইলে সে,সাংবাদিকদের সাথেও অসদাচরণ করে। সাংবাদিকদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে ও দ্বিধাবোধ করেনি! সে সাংবাদিকরা যা পারে করুক এসব বাক্যও ব্যবহার করেন তিনি!

‎

‎এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. আব্দুল্লাহেল কাফি এবং উপজেলা জামায়াত নেতাদের বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

‎