সিলেট ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে ফিলিং স্টেশন থেকে শ্রমিক নেতার সিএনজি ছিনতাই অভিযোগ: মিলছে না হদিস! ‎কোম্পানীগঞ্জে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি লোকমান গ্রেফতার করল র‍্যাব। নবীগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার হবিগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৪৩ লাখ টাকার ভারতীয় চকলেট জব্দ, আটক ২ ‎জুড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন নবীগঞ্জে কলেজ ছাত্র হত্যা মামলার মূল আসামি হেলালসহ ৩ জন গ্রেপ্তার ‎লাখাইয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। নবীগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলার সুধীজন ও কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা ‎টাঙ্গাইলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
‎​বানিয়াচংয়ের মাটিতে ফললো হলুদ-কাল তরমুজ!

বানিয়াচংয়ে শাহজাহান মিয়ার বাজিমাত, ‎বিষমুক্ত তরমুজ চাষে নতুন সম্ভাবনা।

শাহজাহানের জমিতে হলুদ-কাল তরমুজ





‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিষমুক্ত ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়াই শুধুমাত্র জৈবসার ব্যবহার করে তিনি উৎপাদন করেছেন আকর্ষণীয় হলুদ ও কালো রঙের তরমুজ। আগাম জাতের এই ফলন ও গুণগত মানের কারণে বাজারে ক্রেতাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

‎বানিয়াচ-নবীগঞ্জ রোডে উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের কালিদাস টেকা নামক স্থানে কয়েক কেদার জমিতে এই তরমুজের আবাদ করেছেন শাহজাহান মিয়া। বানিয়াচং থানার সামনের রাস্তা দিয়ে কালিদাস ব্রিজের কাছে গেলেই চোখে পড়ে এই নয়নাভিরাম তরমুজ খেত। সাধারণত তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও, শাহজাহান মিয়ার এই আগাম ফলন সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিন।

‎আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে বানিয়াচং বড়বাজার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে নিজের ফলানো এই বিশেষ তরমুজ নিয়ে হাজির হন তিনি। বাজারে আসা তরমুজগুলোর ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত দেখা গেছে।
‎কালো তরমুজ ১০০ টাকা (প্রতি পিস) হলুদ তরমুজ ১২০ টাকা (প্রতি পিস)

‎উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া জানান, বর্তমান সময়ে ফরমালিন ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের ভিড়ে মানুষকে নিরাপদ ও সুস্বাদু ফল উপহার দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন,আমার চাষ করা এই তরমুজ সম্পূর্ণ ফরমালিন মুক্ত, অত্যন্ত মিষ্টি ও নিরাপদ। আজ মূলত গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার জন্য অল্প কিছু ফল বাজারে এনেছি। প্রচার কম হলেও মানুষের সাড়া বেশ ভালো।

‎যেসব ক্রেতার বেশি পরিমাণে তরমুজ প্রয়োজন, তাদের জন্য শাহজাহান মিয়া বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। আগ্রহী ক্রেতারা সরাসরি কালিদাস টেকা এলাকায় তার জমিতে গিয়ে নিজের হাতে দেখে শুনে তরমুজ সংগ্রহ করতে পারবেন।

‎বানিয়াচংয়ে প্রথমবারের মতো এমন ব্যতিক্রমী ও স্বাস্থ্যসম্মত তরমুজ চাষ স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে,শাহজাহান মিয়ার। এই সাফল্য দেখে অনেক তরুণ এখন আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষি উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে ফিলিং স্টেশন থেকে শ্রমিক নেতার সিএনজি ছিনতাই অভিযোগ: মিলছে না হদিস!

‎​বানিয়াচংয়ের মাটিতে ফললো হলুদ-কাল তরমুজ!

বানিয়াচংয়ে শাহজাহান মিয়ার বাজিমাত, ‎বিষমুক্ত তরমুজ চাষে নতুন সম্ভাবনা।

সময় ০৩:১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
শাহজাহানের জমিতে হলুদ-কাল তরমুজ





‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিষমুক্ত ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়াই শুধুমাত্র জৈবসার ব্যবহার করে তিনি উৎপাদন করেছেন আকর্ষণীয় হলুদ ও কালো রঙের তরমুজ। আগাম জাতের এই ফলন ও গুণগত মানের কারণে বাজারে ক্রেতাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

‎বানিয়াচ-নবীগঞ্জ রোডে উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের কালিদাস টেকা নামক স্থানে কয়েক কেদার জমিতে এই তরমুজের আবাদ করেছেন শাহজাহান মিয়া। বানিয়াচং থানার সামনের রাস্তা দিয়ে কালিদাস ব্রিজের কাছে গেলেই চোখে পড়ে এই নয়নাভিরাম তরমুজ খেত। সাধারণত তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও, শাহজাহান মিয়ার এই আগাম ফলন সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিন।

‎আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে বানিয়াচং বড়বাজার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে নিজের ফলানো এই বিশেষ তরমুজ নিয়ে হাজির হন তিনি। বাজারে আসা তরমুজগুলোর ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত দেখা গেছে।
‎কালো তরমুজ ১০০ টাকা (প্রতি পিস) হলুদ তরমুজ ১২০ টাকা (প্রতি পিস)

‎উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া জানান, বর্তমান সময়ে ফরমালিন ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের ভিড়ে মানুষকে নিরাপদ ও সুস্বাদু ফল উপহার দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন,আমার চাষ করা এই তরমুজ সম্পূর্ণ ফরমালিন মুক্ত, অত্যন্ত মিষ্টি ও নিরাপদ। আজ মূলত গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার জন্য অল্প কিছু ফল বাজারে এনেছি। প্রচার কম হলেও মানুষের সাড়া বেশ ভালো।

‎যেসব ক্রেতার বেশি পরিমাণে তরমুজ প্রয়োজন, তাদের জন্য শাহজাহান মিয়া বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। আগ্রহী ক্রেতারা সরাসরি কালিদাস টেকা এলাকায় তার জমিতে গিয়ে নিজের হাতে দেখে শুনে তরমুজ সংগ্রহ করতে পারবেন।

‎বানিয়াচংয়ে প্রথমবারের মতো এমন ব্যতিক্রমী ও স্বাস্থ্যসম্মত তরমুজ চাষ স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে,শাহজাহান মিয়ার। এই সাফল্য দেখে অনেক তরুণ এখন আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষি উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।