সিলেট ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন
‎​বানিয়াচংয়ের মাটিতে ফললো হলুদ-কাল তরমুজ!

বানিয়াচংয়ে শাহজাহান মিয়ার বাজিমাত, ‎বিষমুক্ত তরমুজ চাষে নতুন সম্ভাবনা।

শাহজাহানের জমিতে হলুদ-কাল তরমুজ





‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিষমুক্ত ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়াই শুধুমাত্র জৈবসার ব্যবহার করে তিনি উৎপাদন করেছেন আকর্ষণীয় হলুদ ও কালো রঙের তরমুজ। আগাম জাতের এই ফলন ও গুণগত মানের কারণে বাজারে ক্রেতাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

‎বানিয়াচ-নবীগঞ্জ রোডে উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের কালিদাস টেকা নামক স্থানে কয়েক কেদার জমিতে এই তরমুজের আবাদ করেছেন শাহজাহান মিয়া। বানিয়াচং থানার সামনের রাস্তা দিয়ে কালিদাস ব্রিজের কাছে গেলেই চোখে পড়ে এই নয়নাভিরাম তরমুজ খেত। সাধারণত তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও, শাহজাহান মিয়ার এই আগাম ফলন সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিন।

‎আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে বানিয়াচং বড়বাজার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে নিজের ফলানো এই বিশেষ তরমুজ নিয়ে হাজির হন তিনি। বাজারে আসা তরমুজগুলোর ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত দেখা গেছে।
‎কালো তরমুজ ১০০ টাকা (প্রতি পিস) হলুদ তরমুজ ১২০ টাকা (প্রতি পিস)

‎উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া জানান, বর্তমান সময়ে ফরমালিন ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের ভিড়ে মানুষকে নিরাপদ ও সুস্বাদু ফল উপহার দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন,আমার চাষ করা এই তরমুজ সম্পূর্ণ ফরমালিন মুক্ত, অত্যন্ত মিষ্টি ও নিরাপদ। আজ মূলত গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার জন্য অল্প কিছু ফল বাজারে এনেছি। প্রচার কম হলেও মানুষের সাড়া বেশ ভালো।

‎যেসব ক্রেতার বেশি পরিমাণে তরমুজ প্রয়োজন, তাদের জন্য শাহজাহান মিয়া বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। আগ্রহী ক্রেতারা সরাসরি কালিদাস টেকা এলাকায় তার জমিতে গিয়ে নিজের হাতে দেখে শুনে তরমুজ সংগ্রহ করতে পারবেন।

‎বানিয়াচংয়ে প্রথমবারের মতো এমন ব্যতিক্রমী ও স্বাস্থ্যসম্মত তরমুজ চাষ স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে,শাহজাহান মিয়ার। এই সাফল্য দেখে অনেক তরুণ এখন আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষি উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎​বানিয়াচংয়ের মাটিতে ফললো হলুদ-কাল তরমুজ!

বানিয়াচংয়ে শাহজাহান মিয়ার বাজিমাত, ‎বিষমুক্ত তরমুজ চাষে নতুন সম্ভাবনা।

সময় ০৩:১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
শাহজাহানের জমিতে হলুদ-কাল তরমুজ





‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিষমুক্ত ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়াই শুধুমাত্র জৈবসার ব্যবহার করে তিনি উৎপাদন করেছেন আকর্ষণীয় হলুদ ও কালো রঙের তরমুজ। আগাম জাতের এই ফলন ও গুণগত মানের কারণে বাজারে ক্রেতাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

‎বানিয়াচ-নবীগঞ্জ রোডে উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের কালিদাস টেকা নামক স্থানে কয়েক কেদার জমিতে এই তরমুজের আবাদ করেছেন শাহজাহান মিয়া। বানিয়াচং থানার সামনের রাস্তা দিয়ে কালিদাস ব্রিজের কাছে গেলেই চোখে পড়ে এই নয়নাভিরাম তরমুজ খেত। সাধারণত তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও, শাহজাহান মিয়ার এই আগাম ফলন সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিন।

‎আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে বানিয়াচং বড়বাজার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে নিজের ফলানো এই বিশেষ তরমুজ নিয়ে হাজির হন তিনি। বাজারে আসা তরমুজগুলোর ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত দেখা গেছে।
‎কালো তরমুজ ১০০ টাকা (প্রতি পিস) হলুদ তরমুজ ১২০ টাকা (প্রতি পিস)

‎উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া জানান, বর্তমান সময়ে ফরমালিন ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের ভিড়ে মানুষকে নিরাপদ ও সুস্বাদু ফল উপহার দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন,আমার চাষ করা এই তরমুজ সম্পূর্ণ ফরমালিন মুক্ত, অত্যন্ত মিষ্টি ও নিরাপদ। আজ মূলত গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার জন্য অল্প কিছু ফল বাজারে এনেছি। প্রচার কম হলেও মানুষের সাড়া বেশ ভালো।

‎যেসব ক্রেতার বেশি পরিমাণে তরমুজ প্রয়োজন, তাদের জন্য শাহজাহান মিয়া বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। আগ্রহী ক্রেতারা সরাসরি কালিদাস টেকা এলাকায় তার জমিতে গিয়ে নিজের হাতে দেখে শুনে তরমুজ সংগ্রহ করতে পারবেন।

‎বানিয়াচংয়ে প্রথমবারের মতো এমন ব্যতিক্রমী ও স্বাস্থ্যসম্মত তরমুজ চাষ স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে,শাহজাহান মিয়ার। এই সাফল্য দেখে অনেক তরুণ এখন আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষি উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।