সিলেট ০৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ ‎প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ উপসচিবকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পদায়ন ‎বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইন স্পেনের আংশিক কমিটি ঘোষণা, সভাপতি বকুল খান সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ।। আহত শতাধিক: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল ‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎
‎​বানিয়াচংয়ের মাটিতে ফললো হলুদ-কাল তরমুজ!

বানিয়াচংয়ে শাহজাহান মিয়ার বাজিমাত, ‎বিষমুক্ত তরমুজ চাষে নতুন সম্ভাবনা।

শাহজাহানের জমিতে হলুদ-কাল তরমুজ





‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিষমুক্ত ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়াই শুধুমাত্র জৈবসার ব্যবহার করে তিনি উৎপাদন করেছেন আকর্ষণীয় হলুদ ও কালো রঙের তরমুজ। আগাম জাতের এই ফলন ও গুণগত মানের কারণে বাজারে ক্রেতাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

‎বানিয়াচ-নবীগঞ্জ রোডে উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের কালিদাস টেকা নামক স্থানে কয়েক কেদার জমিতে এই তরমুজের আবাদ করেছেন শাহজাহান মিয়া। বানিয়াচং থানার সামনের রাস্তা দিয়ে কালিদাস ব্রিজের কাছে গেলেই চোখে পড়ে এই নয়নাভিরাম তরমুজ খেত। সাধারণত তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও, শাহজাহান মিয়ার এই আগাম ফলন সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিন।

‎আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে বানিয়াচং বড়বাজার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে নিজের ফলানো এই বিশেষ তরমুজ নিয়ে হাজির হন তিনি। বাজারে আসা তরমুজগুলোর ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত দেখা গেছে।
‎কালো তরমুজ ১০০ টাকা (প্রতি পিস) হলুদ তরমুজ ১২০ টাকা (প্রতি পিস)

‎উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া জানান, বর্তমান সময়ে ফরমালিন ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের ভিড়ে মানুষকে নিরাপদ ও সুস্বাদু ফল উপহার দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন,আমার চাষ করা এই তরমুজ সম্পূর্ণ ফরমালিন মুক্ত, অত্যন্ত মিষ্টি ও নিরাপদ। আজ মূলত গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার জন্য অল্প কিছু ফল বাজারে এনেছি। প্রচার কম হলেও মানুষের সাড়া বেশ ভালো।

‎যেসব ক্রেতার বেশি পরিমাণে তরমুজ প্রয়োজন, তাদের জন্য শাহজাহান মিয়া বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। আগ্রহী ক্রেতারা সরাসরি কালিদাস টেকা এলাকায় তার জমিতে গিয়ে নিজের হাতে দেখে শুনে তরমুজ সংগ্রহ করতে পারবেন।

‎বানিয়াচংয়ে প্রথমবারের মতো এমন ব্যতিক্রমী ও স্বাস্থ্যসম্মত তরমুজ চাষ স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে,শাহজাহান মিয়ার। এই সাফল্য দেখে অনেক তরুণ এখন আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষি উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড

‎​বানিয়াচংয়ের মাটিতে ফললো হলুদ-কাল তরমুজ!

বানিয়াচংয়ে শাহজাহান মিয়ার বাজিমাত, ‎বিষমুক্ত তরমুজ চাষে নতুন সম্ভাবনা।

সময় ০৩:১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
শাহজাহানের জমিতে হলুদ-কাল তরমুজ





‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিষমুক্ত ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়াই শুধুমাত্র জৈবসার ব্যবহার করে তিনি উৎপাদন করেছেন আকর্ষণীয় হলুদ ও কালো রঙের তরমুজ। আগাম জাতের এই ফলন ও গুণগত মানের কারণে বাজারে ক্রেতাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

‎বানিয়াচ-নবীগঞ্জ রোডে উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের কালিদাস টেকা নামক স্থানে কয়েক কেদার জমিতে এই তরমুজের আবাদ করেছেন শাহজাহান মিয়া। বানিয়াচং থানার সামনের রাস্তা দিয়ে কালিদাস ব্রিজের কাছে গেলেই চোখে পড়ে এই নয়নাভিরাম তরমুজ খেত। সাধারণত তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও, শাহজাহান মিয়ার এই আগাম ফলন সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিন।

‎আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে বানিয়াচং বড়বাজার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে নিজের ফলানো এই বিশেষ তরমুজ নিয়ে হাজির হন তিনি। বাজারে আসা তরমুজগুলোর ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত দেখা গেছে।
‎কালো তরমুজ ১০০ টাকা (প্রতি পিস) হলুদ তরমুজ ১২০ টাকা (প্রতি পিস)

‎উদ্যোক্তা শাহজাহান মিয়া জানান, বর্তমান সময়ে ফরমালিন ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের ভিড়ে মানুষকে নিরাপদ ও সুস্বাদু ফল উপহার দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন,আমার চাষ করা এই তরমুজ সম্পূর্ণ ফরমালিন মুক্ত, অত্যন্ত মিষ্টি ও নিরাপদ। আজ মূলত গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার জন্য অল্প কিছু ফল বাজারে এনেছি। প্রচার কম হলেও মানুষের সাড়া বেশ ভালো।

‎যেসব ক্রেতার বেশি পরিমাণে তরমুজ প্রয়োজন, তাদের জন্য শাহজাহান মিয়া বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। আগ্রহী ক্রেতারা সরাসরি কালিদাস টেকা এলাকায় তার জমিতে গিয়ে নিজের হাতে দেখে শুনে তরমুজ সংগ্রহ করতে পারবেন।

‎বানিয়াচংয়ে প্রথমবারের মতো এমন ব্যতিক্রমী ও স্বাস্থ্যসম্মত তরমুজ চাষ স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে,শাহজাহান মিয়ার। এই সাফল্য দেখে অনেক তরুণ এখন আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষি উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।