সিলেট ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন
‎অবশেষে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

‎চেয়ারপারসনের নির্দেশে সিদ্ধান্ত; দলীয় প্রয়োজনে ‘মাথা পেতে মেনে নিলেন’ সাবেক মেয়র‎

আরিফুল হক চৌধুরী (ফাইল ছবি)।


‎সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর) আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।
‎
বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে চেয়ারপারসনের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
‎
‎দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরিফুল হক প্রথমে এই সিদ্ধান্তে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলেন বলে জানা যায়। তবে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশের পর তিনি সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
‎তিনি বলেন, চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।
‎গত ৪ নভেম্বর কেন্দ্রের জরুরি তলবে আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকায় যান। সেখানে তাঁকে নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক হয়। সবশেষ বুধবার রাত ৮টায় বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁকে ডেকে পাঠান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।
‎
‎এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যর্থ হন। এই আসনে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে সিলেট-৪ আসনটি খালি থাকায় তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
‎
‎জানা গেছে, সিলেট-৪ আসনভুক্ত গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার মানুষজনের সাথে তাঁর প্রায় সময় দেখা-সাক্ষাৎ হত এবং ঐসব এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
‎এই প্রেক্ষাপটে চেয়ারপারসনের নির্দেশ তাঁকে এই আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হল।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎অবশেষে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

‎চেয়ারপারসনের নির্দেশে সিদ্ধান্ত; দলীয় প্রয়োজনে ‘মাথা পেতে মেনে নিলেন’ সাবেক মেয়র‎

সময় ১১:৪১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আরিফুল হক চৌধুরী (ফাইল ছবি)।


‎সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর) আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।
‎
বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে চেয়ারপারসনের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
‎
‎দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরিফুল হক প্রথমে এই সিদ্ধান্তে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলেন বলে জানা যায়। তবে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশের পর তিনি সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
‎তিনি বলেন, চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।
‎গত ৪ নভেম্বর কেন্দ্রের জরুরি তলবে আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকায় যান। সেখানে তাঁকে নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক হয়। সবশেষ বুধবার রাত ৮টায় বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁকে ডেকে পাঠান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।
‎
‎এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যর্থ হন। এই আসনে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে সিলেট-৪ আসনটি খালি থাকায় তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
‎
‎জানা গেছে, সিলেট-৪ আসনভুক্ত গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার মানুষজনের সাথে তাঁর প্রায় সময় দেখা-সাক্ষাৎ হত এবং ঐসব এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
‎এই প্রেক্ষাপটে চেয়ারপারসনের নির্দেশ তাঁকে এই আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হল।

‎