সিলেট ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন
‎অবশেষে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

‎চেয়ারপারসনের নির্দেশে সিদ্ধান্ত; দলীয় প্রয়োজনে ‘মাথা পেতে মেনে নিলেন’ সাবেক মেয়র‎

আরিফুল হক চৌধুরী (ফাইল ছবি)।


‎সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর) আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে চেয়ারপারসনের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।

‎দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরিফুল হক প্রথমে এই সিদ্ধান্তে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলেন বলে জানা যায়। তবে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশের পর তিনি সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
‎তিনি বলেন, চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।
‎গত ৪ নভেম্বর কেন্দ্রের জরুরি তলবে আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকায় যান। সেখানে তাঁকে নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক হয়। সবশেষ বুধবার রাত ৮টায় বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁকে ডেকে পাঠান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।

‎এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যর্থ হন। এই আসনে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে সিলেট-৪ আসনটি খালি থাকায় তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

‎জানা গেছে, সিলেট-৪ আসনভুক্ত গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার মানুষজনের সাথে তাঁর প্রায় সময় দেখা-সাক্ষাৎ হত এবং ঐসব এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
‎এই প্রেক্ষাপটে চেয়ারপারসনের নির্দেশ তাঁকে এই আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎অবশেষে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

‎চেয়ারপারসনের নির্দেশে সিদ্ধান্ত; দলীয় প্রয়োজনে ‘মাথা পেতে মেনে নিলেন’ সাবেক মেয়র‎

সময় ১১:৪১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আরিফুল হক চৌধুরী (ফাইল ছবি)।


‎সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর) আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে চেয়ারপারসনের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।

‎দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরিফুল হক প্রথমে এই সিদ্ধান্তে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলেন বলে জানা যায়। তবে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশের পর তিনি সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
‎তিনি বলেন, চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।
‎গত ৪ নভেম্বর কেন্দ্রের জরুরি তলবে আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকায় যান। সেখানে তাঁকে নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক হয়। সবশেষ বুধবার রাত ৮টায় বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁকে ডেকে পাঠান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।

‎এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যর্থ হন। এই আসনে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে সিলেট-৪ আসনটি খালি থাকায় তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

‎জানা গেছে, সিলেট-৪ আসনভুক্ত গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার মানুষজনের সাথে তাঁর প্রায় সময় দেখা-সাক্ষাৎ হত এবং ঐসব এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
‎এই প্রেক্ষাপটে চেয়ারপারসনের নির্দেশ তাঁকে এই আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হল।