সিলেট ০৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ ‎প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ উপসচিবকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পদায়ন ‎বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইন স্পেনের আংশিক কমিটি ঘোষণা, সভাপতি বকুল খান সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ।। আহত শতাধিক: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল ‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎
‎অবশেষে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

‎চেয়ারপারসনের নির্দেশে সিদ্ধান্ত; দলীয় প্রয়োজনে ‘মাথা পেতে মেনে নিলেন’ সাবেক মেয়র‎

আরিফুল হক চৌধুরী (ফাইল ছবি)।


‎সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর) আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে চেয়ারপারসনের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।

‎দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরিফুল হক প্রথমে এই সিদ্ধান্তে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলেন বলে জানা যায়। তবে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশের পর তিনি সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
‎তিনি বলেন, চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।
‎গত ৪ নভেম্বর কেন্দ্রের জরুরি তলবে আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকায় যান। সেখানে তাঁকে নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক হয়। সবশেষ বুধবার রাত ৮টায় বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁকে ডেকে পাঠান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।

‎এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যর্থ হন। এই আসনে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে সিলেট-৪ আসনটি খালি থাকায় তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

‎জানা গেছে, সিলেট-৪ আসনভুক্ত গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার মানুষজনের সাথে তাঁর প্রায় সময় দেখা-সাক্ষাৎ হত এবং ঐসব এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
‎এই প্রেক্ষাপটে চেয়ারপারসনের নির্দেশ তাঁকে এই আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড

‎অবশেষে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

‎চেয়ারপারসনের নির্দেশে সিদ্ধান্ত; দলীয় প্রয়োজনে ‘মাথা পেতে মেনে নিলেন’ সাবেক মেয়র‎

সময় ১১:৪১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আরিফুল হক চৌধুরী (ফাইল ছবি)।


‎সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর) আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে চেয়ারপারসনের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।

‎দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আরিফুল হক প্রথমে এই সিদ্ধান্তে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলেন বলে জানা যায়। তবে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশের পর তিনি সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
‎তিনি বলেন, চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।
‎গত ৪ নভেম্বর কেন্দ্রের জরুরি তলবে আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকায় যান। সেখানে তাঁকে নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক হয়। সবশেষ বুধবার রাত ৮টায় বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁকে ডেকে পাঠান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।

‎এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যর্থ হন। এই আসনে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে সিলেট-৪ আসনটি খালি থাকায় তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

‎জানা গেছে, সিলেট-৪ আসনভুক্ত গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার মানুষজনের সাথে তাঁর প্রায় সময় দেখা-সাক্ষাৎ হত এবং ঐসব এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
‎এই প্রেক্ষাপটে চেয়ারপারসনের নির্দেশ তাঁকে এই আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হল।