সিলেট ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎মানুষ কি হঠাৎ করেই ‘ছেলে থেকে মেয়ে’ বা ‘মেয়ে থেকে ছেলে’ হতে পারে? চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলে?‎ ‎ক্লাসের ফাঁকে সৃজনের উচ্ছ্বাস,অগ্রণীর দেয়ালে ‘অন্বেষণ’ ‎বানিয়াচংয়ে হারিয়ে গেছে, হাজার বছরের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পালকি।। বানিয়াচংয়ে সুজন সভাপতির মায়ের ইন্তেকালে মডেল প্রেসক্লাবের শোক নবীগঞ্জে ওরসের আসরে মৃত্যু, হত্যার মামলায় ২ বছর ৭ মাস পর লাশ উত্তোলন সন্ন্যাসী ছদ্মবেশেও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ ছিনতাইকারী ‘মাছচোরা রাজীবের’, যৌথ অভিযানে গ্রেফতার সেক্সুয়াল হেডেক, স্বামী-স্ত্রী ঘনিষ্ঠ শারীরিক মেলামেশার সময় মাথাব্যথা কি ও কেনো? ‎দেওয়ান সোহেল রাজা ও দেওয়ান শোয়েব রাজার মায়ের ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলের শোক। বালাগঞ্জে টিসিবির তেল খুচরা বিক্রি, ডিলার-দোকানদারকে জরিমানা আজমিরীগঞ্জে ক্লাস চলাকালে বিদ্যালয়ের মেঝে ধস, আহত ৫ শিক্ষার্থী‎

নবীগঞ্জে ওরসের আসরে মৃত্যু, হত্যার মামলায় ২ বছর ৭ মাস পর লাশ উত্তোলন


‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কাকুড়া গ্রামে ওরসের আসরে দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্তে প্রায় দুই বছর সাত মাস পর আব্দুল কালাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

‎উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেমের উপস্থিতিতে কাকুড়া-করিমপুর গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে আব্দুল কালামের লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কাকুড়া গ্রামের হযরত নবীন শাহ (রহ.) মাজারে বার্ষিক ওরস অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে মাজারের সামনে নাচ-গানের আয়োজন করা হয়েছিল। ওই আসরে নাচের একপর্যায়ে কাকুড়া গ্রামের গেদা মিয়ার ছেলে আব্দুল কালাম ও ঘোলডুবা গ্রামের আব্দুল আজিজ (৪২) অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। পরদিন পৃথক সময়ে জানাজা শেষে তাঁদের দাফন করা হয়।

‎আব্দুল কালামের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর ভাই সুমন মিয়া বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ওরসের আসরে পানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে আব্দুল কালামকে হত্যা করা হয়েছে। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

‎পরে আদালত মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন কে (পিবিআই) দেন। তদন্তের অংশ হিসেবে পিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার লাশ উত্তোলনের সময় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কবরস্থান এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের উপস্থিতি ছিল।

‎সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্তের স্বার্থে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে আব্দুল কালামের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে। তবে মামলায় করা বিষ প্রয়োগের অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মানুষ কি হঠাৎ করেই ‘ছেলে থেকে মেয়ে’ বা ‘মেয়ে থেকে ছেলে’ হতে পারে? চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলে?‎

নবীগঞ্জে ওরসের আসরে মৃত্যু, হত্যার মামলায় ২ বছর ৭ মাস পর লাশ উত্তোলন

সময় ১১:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কাকুড়া গ্রামে ওরসের আসরে দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্তে প্রায় দুই বছর সাত মাস পর আব্দুল কালাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

‎উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেমের উপস্থিতিতে কাকুড়া-করিমপুর গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে আব্দুল কালামের লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কাকুড়া গ্রামের হযরত নবীন শাহ (রহ.) মাজারে বার্ষিক ওরস অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে মাজারের সামনে নাচ-গানের আয়োজন করা হয়েছিল। ওই আসরে নাচের একপর্যায়ে কাকুড়া গ্রামের গেদা মিয়ার ছেলে আব্দুল কালাম ও ঘোলডুবা গ্রামের আব্দুল আজিজ (৪২) অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। পরদিন পৃথক সময়ে জানাজা শেষে তাঁদের দাফন করা হয়।

‎আব্দুল কালামের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর ভাই সুমন মিয়া বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ওরসের আসরে পানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে আব্দুল কালামকে হত্যা করা হয়েছে। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

‎পরে আদালত মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন কে (পিবিআই) দেন। তদন্তের অংশ হিসেবে পিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার লাশ উত্তোলনের সময় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কবরস্থান এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের উপস্থিতি ছিল।

‎সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্তের স্বার্থে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে আব্দুল কালামের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে। তবে মামলায় করা বিষ প্রয়োগের অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।