সিলেট ১০:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে নিজের সাড়ে ৩ বছরের মেয়েকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড‎


‎মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজের সাড়ে তিন বছরের মেয়েকে গলা কেটে হত্যার দায়ে বাবা শরীফ আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
‎
‎সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২য় আদালত) মো. আনোয়ারুল হক চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।
‎
‎মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কমলগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভানুবিল গ্রামের শরীফ আলী তার সাড়ে তিন বছরের কন্যা রুনা বেগমকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে হত্যা করেন। হত্যার পর ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং প্রতিবেশী সালেক মিয়াকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন তিনি।
‎
‎এ ঘটনায় নিহত শিশু রুনা বেগমের মা নেকজান বিবি বাদী হয়ে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে শরীফ আলীর সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে। পরে তাকে আটক করা হলে তিনি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
‎
‎মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে বিচারাধীন থাকার পর প্রায় ১২ বছর শেষে সোমবার এর রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে আদালত আসামি শরীফ আলীকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
‎
‎জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি তোফায়েল আহমদ বলেন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজের মেয়েকে হত্যা করেছিলেন শরীফ আলী। পরে তার স্ত্রীকে দিয়ে মামলা করানো হলেও তদন্তে হত্যাকাণ্ডে শরীফ আলীর সম্পৃক্ততা বেরিয়ে আসে। আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, অপরাধ করে কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পায় না।
‎
‎চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন পর হলেও শিশু রুনা বেগম হত্যার বিচার হওয়ায় নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে নিজের সাড়ে ৩ বছরের মেয়েকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড‎

সময় ০৭:০১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬


‎মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজের সাড়ে তিন বছরের মেয়েকে গলা কেটে হত্যার দায়ে বাবা শরীফ আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
‎
‎সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২য় আদালত) মো. আনোয়ারুল হক চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।
‎
‎মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কমলগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভানুবিল গ্রামের শরীফ আলী তার সাড়ে তিন বছরের কন্যা রুনা বেগমকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে হত্যা করেন। হত্যার পর ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং প্রতিবেশী সালেক মিয়াকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন তিনি।
‎
‎এ ঘটনায় নিহত শিশু রুনা বেগমের মা নেকজান বিবি বাদী হয়ে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে শরীফ আলীর সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে। পরে তাকে আটক করা হলে তিনি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
‎
‎মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে বিচারাধীন থাকার পর প্রায় ১২ বছর শেষে সোমবার এর রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে আদালত আসামি শরীফ আলীকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
‎
‎জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি তোফায়েল আহমদ বলেন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজের মেয়েকে হত্যা করেছিলেন শরীফ আলী। পরে তার স্ত্রীকে দিয়ে মামলা করানো হলেও তদন্তে হত্যাকাণ্ডে শরীফ আলীর সম্পৃক্ততা বেরিয়ে আসে। আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, অপরাধ করে কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পায় না।
‎
‎চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন পর হলেও শিশু রুনা বেগম হত্যার বিচার হওয়ায় নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে মনে করছেন তারা।