সিলেট ০৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২ ‎কোম্পানীগঞ্জে ৬৮ বোতল বিদেশী মদ ও এসকাফ সিরাপ সহ গ্রেফতার ২ ‎টাঙ্গাইলের মধুপুরে বসতঘর থেকে প্রায় ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ‎সুন্দর, মানবিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে সাহিত্যের কোনো বিকল্প নেইঃ ভিসি প্রফেসর ড. জহিরুল হক‎ মাধবপুরে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫‎ ‘বীরাঙ্গনা মা’ ও ‘যুদ্ধ শিশু’ মেয়ের বাড়িঘর দখল চেষ্টার অভিযোগ চুনারুঘাটে মদ্যপান করে মাকে মারধর করার অভিযোগ যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান উপলক্ষে আলোচনা সভা‎ সিলেটে উদ্ধার হওয়া ৫২টি হারানো মোবাইল গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিল এসএমপি ‎সাতছড়ি চাকলাপুঞ্জিতে সিএনজি দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

‎পদায়নের দিনেই ঢাকায় বদলি, সেবা বঞ্চিত পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের রোগীরা


‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। দৈনিক অন্তত ৮০-১০০ জন রোগী সেবা নিয়ে থাকেন এই স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে। ২জন মেডিকেল অফিসার ও একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও টানা কয়েক বছর ধরে মেডিকেল অফিসার ছাড়াই কেবলমাত্র উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত হুমায়ুন কবিরের মাধ্যমেই চলছে উপজেলার প্রাচীনতম এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি। একইসাথে স্টাফ সংকট, মেডিসিন সংকট ও রক্ষাণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে এই উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি।

‎দীর্ঘদিন ধরে ‘মেডিকেল অফিসার শূন্য’ থাকা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক সংকট নিরসনে গত ৬ই  এক প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রজ্ঞাপনে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার শাহেদুল আলম ভূঁইয়াকে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয়। তবে একই চিঠিতে পদায়নকৃত চিকিৎসক শাহেদুল আলম ভূঁইয়াকে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে মেডিসিন অন্তঃবিভাগে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

‎স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা প্রদান করেন। সংযুক্তিকালীন সময়ে তিনি মুল বেতন-ভাতাদি মূল কর্মস্থল পশ্চিম পাগলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে উত্তোলন করবেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

‎এদিকে পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পদায়নকৃত চিকিৎসককে ‘কর্তৃপক্ষের’ কলমের খুঁচায় ঢাকায় স্থানান্তর করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন মহলের নাগরিকবৃন্দ। এটি অন্যায্য ও এবং গ্রামীন মানুষের প্রতি চরম বৈষম্য বলেও অভিযোগ তাদের৷ এই প্রজ্ঞাপনের ফলে চিকিৎসক সংকট নিরসনের পরিবর্তে সমস্যা দ্বিগুন হওয়ার আশঙ্কাও করছেন তারা।

‎পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জগলুল হায়দার বলেন, একজন চিকিৎসককে পশ্চিম পাগলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পদায়ন করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত বৈষম্যমূলক আচরণ। যেখানে আমাদের দুইজন চিকিৎসক প্রয়োজন সেখানে একজন চিকিৎসক পদায়ন দেখিয়ে তাকে আবার সরিয়ে নিয়ে যাওয়া আমরা কোনোভাবেই মেনে নেবো না। অতি দ্রুত যাতে আমাদের এখানে পদায়নকৃত চিকিৎসককে তাঁর কর্মস্থলে পাঠানো হয় যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি সেই আহ্বান করছি।

‎পশ্চিম পাগলার বাসিন্দা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন বলেন, ‘ আমাদের এলাকার মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখানে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক না থাকায় চরম সংকটে ভোগছিলেন এলাকাবাসী। আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে সেই সংকট দুর করতে একজন মেডিকেল অফিসারকে পদায়ন হয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কলমের খুঁচায় সেই চিকিৎসককে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এটি আমাদের সাথে চরম বৈষম্যমূলক কাজ। আমাদের হাসপাতালের বেতন-ভাতা ভোগ করা একজন চিকিৎসক ঢাকার হাসপাতালে সেবা দিতে পারেন না। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি আমাদের হাসপাতালে পদায়নকৃত চিকিৎসককে যাতে অতি দ্রুত পশ্চিম পাগলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাতে যোগদান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

‎এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হাসান বলেন, পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে কোনো মেডিকেল অফিসার না থাকায় সম্প্রতি একজন অফিসার পদায়ন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সংযুক্তিতে ঢাকা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেলে চলে গেছেন। যেহেতু এটি উধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ তাই আমাকে সেটা অনুসরন করতে হয়েছে। বর্তমানে সেখানে কোনো চিকিৎসক না থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। জেলা সিভিস সার্জন স্যার এ বিষয়ে অবহিত আছেন।’

‎এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সুনামগঞ্জ জেলায় চিকিৎসক ও জনবল সংকট দীর্ঘদিনের। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এই সীমিত জনবল দিয়েই সেবা দিয়ে যেতে। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় দেখা যায় সংযুক্তির মাধ্যমে জেলার কোনো এক চিকিৎসককে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এতে চিকিৎসা সেবা আরো ব্যাহত হয়। কারণ কাগজে-কলমে দেখানো হয় যে এখানে চিকিৎসক পদায়ন আছে কিন্তু বাস্তবে তিনি কাজ করেন অন্য জায়গায়। এতে স্থানীয় সেবাগ্রহিতাদের সাথে অনেক সময় আমাদের মনোমালিন্য তৈরী হয়। এই সমস্যা সমাধানে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি কথা বলেছি এবং চিঠির মাধ্যমেও জানিয়েছি যাতে সংযুক্তি বাতিল করে পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের যে চিকিৎসক তাকে যেন তার মূল কর্মস্থলে পাঠানো হয়।
‎এছাড়া অন্যান্য জায়গাতেও যাতে সংযুক্তি সিস্টেম বাতিল করে যার যেখানে মূল কর্মস্থল সেখানেই যেন তাদের পদায়ন করা হয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের সেই অনুরোধ থাকবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২

‎পদায়নের দিনেই ঢাকায় বদলি, সেবা বঞ্চিত পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের রোগীরা

সময় ০৬:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। দৈনিক অন্তত ৮০-১০০ জন রোগী সেবা নিয়ে থাকেন এই স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে। ২জন মেডিকেল অফিসার ও একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও টানা কয়েক বছর ধরে মেডিকেল অফিসার ছাড়াই কেবলমাত্র উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত হুমায়ুন কবিরের মাধ্যমেই চলছে উপজেলার প্রাচীনতম এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি। একইসাথে স্টাফ সংকট, মেডিসিন সংকট ও রক্ষাণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে এই উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি।

‎দীর্ঘদিন ধরে ‘মেডিকেল অফিসার শূন্য’ থাকা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক সংকট নিরসনে গত ৬ই  এক প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রজ্ঞাপনে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার শাহেদুল আলম ভূঁইয়াকে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয়। তবে একই চিঠিতে পদায়নকৃত চিকিৎসক শাহেদুল আলম ভূঁইয়াকে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে মেডিসিন অন্তঃবিভাগে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

‎স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা প্রদান করেন। সংযুক্তিকালীন সময়ে তিনি মুল বেতন-ভাতাদি মূল কর্মস্থল পশ্চিম পাগলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে উত্তোলন করবেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

‎এদিকে পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পদায়নকৃত চিকিৎসককে ‘কর্তৃপক্ষের’ কলমের খুঁচায় ঢাকায় স্থানান্তর করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন মহলের নাগরিকবৃন্দ। এটি অন্যায্য ও এবং গ্রামীন মানুষের প্রতি চরম বৈষম্য বলেও অভিযোগ তাদের৷ এই প্রজ্ঞাপনের ফলে চিকিৎসক সংকট নিরসনের পরিবর্তে সমস্যা দ্বিগুন হওয়ার আশঙ্কাও করছেন তারা।

‎পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জগলুল হায়দার বলেন, একজন চিকিৎসককে পশ্চিম পাগলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পদায়ন করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত বৈষম্যমূলক আচরণ। যেখানে আমাদের দুইজন চিকিৎসক প্রয়োজন সেখানে একজন চিকিৎসক পদায়ন দেখিয়ে তাকে আবার সরিয়ে নিয়ে যাওয়া আমরা কোনোভাবেই মেনে নেবো না। অতি দ্রুত যাতে আমাদের এখানে পদায়নকৃত চিকিৎসককে তাঁর কর্মস্থলে পাঠানো হয় যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি সেই আহ্বান করছি।

‎পশ্চিম পাগলার বাসিন্দা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন বলেন, ‘ আমাদের এলাকার মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখানে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক না থাকায় চরম সংকটে ভোগছিলেন এলাকাবাসী। আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে সেই সংকট দুর করতে একজন মেডিকেল অফিসারকে পদায়ন হয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কলমের খুঁচায় সেই চিকিৎসককে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এটি আমাদের সাথে চরম বৈষম্যমূলক কাজ। আমাদের হাসপাতালের বেতন-ভাতা ভোগ করা একজন চিকিৎসক ঢাকার হাসপাতালে সেবা দিতে পারেন না। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি আমাদের হাসপাতালে পদায়নকৃত চিকিৎসককে যাতে অতি দ্রুত পশ্চিম পাগলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাতে যোগদান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

‎এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হাসান বলেন, পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে কোনো মেডিকেল অফিসার না থাকায় সম্প্রতি একজন অফিসার পদায়ন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সংযুক্তিতে ঢাকা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেলে চলে গেছেন। যেহেতু এটি উধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ তাই আমাকে সেটা অনুসরন করতে হয়েছে। বর্তমানে সেখানে কোনো চিকিৎসক না থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। জেলা সিভিস সার্জন স্যার এ বিষয়ে অবহিত আছেন।’

‎এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সুনামগঞ্জ জেলায় চিকিৎসক ও জনবল সংকট দীর্ঘদিনের। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এই সীমিত জনবল দিয়েই সেবা দিয়ে যেতে। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় দেখা যায় সংযুক্তির মাধ্যমে জেলার কোনো এক চিকিৎসককে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এতে চিকিৎসা সেবা আরো ব্যাহত হয়। কারণ কাগজে-কলমে দেখানো হয় যে এখানে চিকিৎসক পদায়ন আছে কিন্তু বাস্তবে তিনি কাজ করেন অন্য জায়গায়। এতে স্থানীয় সেবাগ্রহিতাদের সাথে অনেক সময় আমাদের মনোমালিন্য তৈরী হয়। এই সমস্যা সমাধানে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি কথা বলেছি এবং চিঠির মাধ্যমেও জানিয়েছি যাতে সংযুক্তি বাতিল করে পশ্চিম পাগলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের যে চিকিৎসক তাকে যেন তার মূল কর্মস্থলে পাঠানো হয়।
‎এছাড়া অন্যান্য জায়গাতেও যাতে সংযুক্তি সিস্টেম বাতিল করে যার যেখানে মূল কর্মস্থল সেখানেই যেন তাদের পদায়ন করা হয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের সেই অনুরোধ থাকবে।’