সিলেট ১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
News Title :
‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল সিলেট জেলার (আংশিক) কমিটি অনুমোদন ‘বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বহু জ্ঞানী পণ্ডিতদের জন্ম দিয়েছে, এখন উদ্ভাবকদেরকেও জন্ম দিতে হবে।’ জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও ওরিয়েন্টেশন উদযাপন ‎মৌলভীবাজারে মহিষ ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত সর্দারসহ গ্রেপ্তার ৫ ‎মাধবপুরে কাভার্ড ভ্যানসহ ১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা ও মেহেদি জব্দ বালাগঞ্জে চাচা হত্যা মামলার ৩ আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ‎জামালপুরে দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’- পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ‎বড়লেখায় বাংলা কিউআর সম্প্রসারণ বিষয়ক সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত। মৌলভীবাজারে সাবেক এমপির ছেলে ও যুবলীগ নেতা নিক্সন গ্রেপ্তার‎ হবিগঞ্জে বসতবাড়ি থেকে ১৩৭টি বিষধর সাপ উদ্ধার, নিরাপদে অবমুক্তির প্রস্তুতি বন বিভাগের

‎সিলেটে নাতনিকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

‎

‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে নাতনিকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় দিলারা বেগম (৬) নামের এক বৃদ্ধা দাদিকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রধান আসামি হারুন রশিদকে (৩৮) ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯।

‎গত শনিবার (১৬ মে, ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর থানাধীন সারিঘাট দক্ষিণ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ‎গ্রেপ্তারকৃত হারুন রশিদ গোয়াইনঘাট থানার নয়াপাড়া এলাকার তাজ উদ্দিনের ছেলে।

‎র‍্যাব জানায়, ভুক্তভোগী দিলারা বেগমের ছেলে এবং অভিযুক্ত হারুন রশিদ ওমানে একসঙ্গে থাকতেন। সেখানে থাকাকালীন তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওমান থেকে দেশে ফিরে হারুন রশিদ এই পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে প্রায়ই ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজনের সাথে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হতো।

‎পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ১৬ মে আনুমানিক রাত ৩:২০ মিনিটের দিকে হারুন রশিদ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ভুক্তভোগী দিলারা বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা দিলারা বেগমের নাতনিকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দাদি দিলারা বেগম বাধা দিলে হামলাকারীরা ধারালো ছুরি দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় মারা যান তিনি।

‎পরবর্তীতে নাতনির চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

‎এই ঘটনার পর নিহত দিলারা বেগমের পুত্রবধূ বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনা জানার পরপরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সদর কোম্পানি, সিলেটের একটি আভিযানিক দল জৈন্তাপুরের সারিঘাট দক্ষিণ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি হারুন রশিদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর এই ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল সিলেট জেলার (আংশিক) কমিটি অনুমোদন

‎সিলেটে নাতনিকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

সময় ০৭:২৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

‎

‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে নাতনিকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় দিলারা বেগম (৬) নামের এক বৃদ্ধা দাদিকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রধান আসামি হারুন রশিদকে (৩৮) ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯।

‎গত শনিবার (১৬ মে, ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর থানাধীন সারিঘাট দক্ষিণ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ‎গ্রেপ্তারকৃত হারুন রশিদ গোয়াইনঘাট থানার নয়াপাড়া এলাকার তাজ উদ্দিনের ছেলে।

‎র‍্যাব জানায়, ভুক্তভোগী দিলারা বেগমের ছেলে এবং অভিযুক্ত হারুন রশিদ ওমানে একসঙ্গে থাকতেন। সেখানে থাকাকালীন তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওমান থেকে দেশে ফিরে হারুন রশিদ এই পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে প্রায়ই ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজনের সাথে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হতো।

‎পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ১৬ মে আনুমানিক রাত ৩:২০ মিনিটের দিকে হারুন রশিদ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ভুক্তভোগী দিলারা বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা দিলারা বেগমের নাতনিকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দাদি দিলারা বেগম বাধা দিলে হামলাকারীরা ধারালো ছুরি দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় মারা যান তিনি।

‎পরবর্তীতে নাতনির চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

‎এই ঘটনার পর নিহত দিলারা বেগমের পুত্রবধূ বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনা জানার পরপরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সদর কোম্পানি, সিলেটের একটি আভিযানিক দল জৈন্তাপুরের সারিঘাট দক্ষিণ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি হারুন রশিদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর এই ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎